📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 তাদের সাথে হাস্যরস করতেন

📄 তাদের সাথে হাস্যরস করতেন


এ হাদিসটি একটু আগেই গত হয়েছে আমাদের আলোচনায়। 'এক বৃদ্ধা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, "হে আল্লাহর রাসুল, আমার জন্য দোয়া করুন, আল্লাহ যেন আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।"

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উদ্দেশে বললেন, "হে অমুকের মা, জান্নাতে কোনো বৃদ্ধা প্রবেশ করবে না।"

এরপর বৃদ্ধা কাঁদতে কাঁদতে সেখান থেকে চলে যায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরপর বললেন, "তোমরা তাকে জানিয়ে দাও, জান্নাতে কোনো নারী বৃদ্ধা অবস্থায় প্রবেশ করবে না। জান্নাতে তারা যুবতি হয়ে প্রবেশ করবে। আল্লাহ তাআলা বলেন:

إِنَّا أَنشَأْنَاهُنَّ إِنشَاءُ - فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا - عُرُبًا أَتْرَابًا

"আমি জান্নাতি রমণীগণকে বিশেষরূপে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তাদের করেছি চিরকুমারী, সোহাগিনী ও সমবয়স্কা।” (সুরা আল-ওয়াকিয়া, ৫৬: ৩৫-৩৭) '৮০০

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃদ্ধার সাথে কৌতুক করে তাকে বোঝাতে চেয়েছেন যে, জান্নাতে কেউ তার মতো বৃদ্ধা হয়ে প্রবেশ করবে না; বরং সকলেই তেত্রিশ বছর বয়সী যুবক-যুবতি হবে।

টিকাঃ
৮০০. তিরমিজি শামায়িলে বর্ণনা করেছেন, পৃষ্ঠা নং ১৯৯। হাদিসের মান: সহিহ।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 বৃদ্ধদের আল্লাহর রহমতের আশা দিতেন

📄 বৃদ্ধদের আল্লাহর রহমতের আশা দিতেন


আমর বিন আবাসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'জুড়োথুড়ো এক বৃদ্ধ লাঠিতে ভর দিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, "হে আল্লাহর রাসুল, আমার যৌবনের অনেক পাপ-পঙ্কিলতা আছে। আল্লাহ কি আমায় ক্ষমা করবেন?"

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন, "আপনি কি "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”-এর সাক্ষ্য দেননি?"

বৃদ্ধ বলল, "অবশ্যই। আমি আরও সাক্ষ্য দিই যে, আপনি আল্লাহর রাসুল।"

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তাহলে তো আপনার সকল পাপ-পঙ্কিলতা ক্ষমা করে দিয়েছেন আল্লাহ তাআলা।"৮০১

অন্য বর্ণনায় এসেছে, 'এরপর বৃদ্ধ "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার" বলতে বলতে প্রস্থান করলেন সেখান থেকে। '৮০২

টিকাঃ
৮০১. মুসনাদু আহমাদ: ১৮৯৩৯।'
৮০২. ইবনে আবিদ দুনিয়া কৃত হুসনুজ জন বিল্লাহ, পৃষ্ঠা নং ১৪৪।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 যুদ্ধে বৃদ্ধদের হত্যা করতে নিষেধ করতেন

📄 যুদ্ধে বৃদ্ধদের হত্যা করতে নিষেধ করতেন


রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুদ্ধ-নির্দেশিকার অন্যতম ছিল, কোনো বয়স্ক ব্যক্তিকে হত্যা করবে না, যদি না সে যুদ্ধে সাহায্য করে থাকে।

বুরাইদা বিন হুসাইব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো সারিয়া প্রেরণ করতেন, তখন বলতেন, "তোমরা কোনো বয়োবৃদ্ধকে হত্যা করবে না।"৮০৩

ইমাম তাহাবি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'যে সকল বৃদ্ধ যুদ্ধে অংশ নিয়ে বা পরামর্শ দিয়ে শত্রুদের সাহায্য করেনি, দারুল হারবের বৃদ্ধদের হত্যা না করার এ আদেশ কেবল তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।'

দুরাইদ হত্যার হাদিসে এসেছে, 'দুরাইদসহ কয়েকজন বৃদ্ধকে হত্যা করা হয়। তাদের হত্যা করার ক্ষেত্রে শরয়ি নিষেধাজ্ঞা ছিল না। কেননা, তারা পরামর্শ দিয়ে যুদ্ধে শত্রুদের সাহায্য অব্যাহত রেখেছিল। যদিও তারা সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধে নামেনি। তাদের পরামর্শগুলো সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধে নামার চেয়েও ভয়ানক ছিল। মুসলিমদের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়, তাকে হত্যা করাই প্রতিষেধক হয়ে থাকে। তাই যখন কোনো বৃদ্ধ মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হবে, তাকে হত্যা করতে হবে।'

এ মাসআলার দলিল হচ্ছে, হানজালা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ভাই রবাহ-এর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক নিহত নারীকে দেখে বলেছিলেন, "এ নারী তো যুদ্ধে অংশ নেয়নি..."৮০৪ অর্থাৎ যে যুদ্ধে অংশ নেয়নি, সে হত্যাযোগ্য নয়। আর যে যুদ্ধে অংশ নিয়েছে, সে হত্যাযোগ্য। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বয়স্কদের হত্যার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জানালেন। সে নিষেধাজ্ঞার মাঝেই তিনি জানিয়ে দিলেন যে, কখন তাদের হত্যা করতে হবে।'

দুরাইদ বিন সিম্মাহর হাদিস থেকে আমরা স্পষ্ট দলিল পাই যে, কোনো নারী যদি কোনো বয়োবৃদ্ধের মতোই যুদ্ধে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করে, তবে সে হত্যাযোগ্য। এ সকল হাদিসের মর্মার্থ এটিই। '৮০৫

টিকাঃ
৮০৩. সুনানু আবি দাউদ: ২৬৬৯, সুনানুত তিরমিজি: ১৪০৮।
৮০৪. সুনানু আবি দাউদ: ২৬৬৯, সুনানু ইবনি মাজাহ: ২৮৪২।
৮০৫. শারহু মাআনিল আসার: ৩/২২৩।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 বিভিন্ন কাজে বয়স্কদের প্রাধান্য দিতেন

📄 বিভিন্ন কাজে বয়স্কদের প্রাধান্য দিতেন


কথাবার্তায় বড়দের প্রাধান্য দিতেন

খাইবারে নিহত এক ব্যক্তির ঘটনায় এটা সংঘটিত হয়। ঘটনাটি হলো, 'খাইবারে এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হলো। তখন লোকটির ভাই আব্দুর রহমান বিন সাহল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এবং মাসউদ বিন জাইদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর দুপুত্র মুহাইয়িসাও (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হুয়াইয়িসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলেন। আব্দুর রহমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) কথা বলার জন্য এগিয়ে আসতে চাইলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "বড়কে আগে বলতে দাও, বড়কে আগে বলতে দাও।" আব্দুর রহমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ছিলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশক্রমে বাকি দুজন তাঁর সাথে কথা বললেন। '৮০৬

পানের ক্ষেত্রে বড়দের প্রাধান্য দিতেন

ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পানি পান করাতেন, তখন বলতেন, "বড়দের দিয়ে শুরু করো। অথবা বলতেন, বড়রা আগে।"৮০৭

ইমামতির ক্ষেত্রে বড়দের প্রাধান্য দিতেন

আবু মাসউদ আনসারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে বললেন, "কুরআনের জ্ঞান ও তিলাওয়াতে যে সর্বাপেক্ষা অগ্রবর্তী, সে ইমামতি করবে। যদি সবাই তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে সমান হয়, তবে হিজরতের ক্ষেত্রে সবচেয়ে অগ্রবর্তীজন ইমামতি করবে। এ ক্ষেত্রেও যদি সবাই সমান হয়, তবে সবচেয়ে বয়স্কজন ইমামতি করবে। "৮০৮

* সালামের ক্ষেত্রে বড়দের প্রাধান্য দিতেন

আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "ছোটরা বড়দের সালাম দেবে। হেঁটে যাওয়া ব্যক্তি বসে থাকা ব্যক্তিকে সালাম দেবে। অল্প সংখ্যক লোক অধিক সংখ্যক লোকদের সালাম দেবে।"৮০৯

কোনো কিছু দেওয়ার ক্ষেত্রে বড়দের প্রাধান্য দিতেন

ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আমি স্বপ্নে দেখলাম, মিসওয়াক করছি। তখন দুজন লোক আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করল। তাদের একজন অপরজনের চেয়ে বয়সে বড়। আমি ছোটজনকে মিসওয়াকটি দিতে গেলে তখন আমাকে বলা হলো, "বড়কে দিন।" এরপর আমি মিসওয়াকটি বড়জনকে দিলাম।"৮১০

ইবনে বাত্তাল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'হাদিসে যেমন মিসওয়াক দেওয়ার ক্ষেত্রে বড়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, তেমনই আহার, কথাবার্তা, হাঁটাচলা, চিঠি লেখাসহ সব দিক থেকে বড়দের প্রাধান্য দিতে হবে। মিসওয়াকের হাদিসের ওপর কিয়াস করে এবং হুয়াইয়িসা ও মুহাইয়িসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদিসে যে বলা হয়েছে, "বড়কে বলতে দাও, বড়কে বলতে দাও"-এসব থেকে প্রমাণিত হয়, বড়দের প্রাধান্য দেওয়া ইসলামি আদব।'

মুহাল্লাব (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'প্রতিটি ক্ষেত্রে বড়দের প্রাধান্য দিতে হবে যথাসম্ভব। যদি বসার ক্ষেত্রে ডান দিক থেকে বড় থেকে ছোট ক্রম পালন করা হয়, তবে ডান থেকে শুরু করা সুন্নাত। কিন্তু এর ব্যতিক্রম হলে সে ক্ষেত্রে বড় হওয়া মুখ্য নয়; বরং ডান দিক থেকেই শুরু করা সুন্নাত। দুধপান করানোর হাদিসে (বর্ণিত হয়েছে) ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন সবার ডানে। ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সবার চেয়ে ছোট হওয়া সত্ত্বেও ডানে হওয়ার কারণে তাকে দিয়ে শুরু করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। ইবনে হাজার (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, "এ অভিমতটি সঠিক।"৮১১

সাহল বিন সাদ সায়িদি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানীয় নিয়ে আসলেন। নিজে কিছুটা পান করলেন। উপস্থিত লোকদের মাঝে সবার ডানে ছিল একটি ছেলে। আর বাম দিকে ছিল বৃদ্ধরা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছেলেটিকে বললেন, "বড়দের আগে দেওয়ার জন্য তুমি কি আমায় অনুমতি দেবে?"

ছেলেটি বলল, “না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসুল। আপনার কাছ থেকে আমার পাওনাতে আমি অন্য কাউকে প্রাধান্য দেবো না।"

এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছেলেটির হাতে পানীয়ের বাটিটি দিলেন। '৮১২

ইমাম নববি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছেলেটিকে কথাগুলো বলেছেন উপস্থিত বড়দের মন আকৃষ্ট করার জন্য, তাদের জানানোর জন্য যে, তিনি তাদেরই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন এবং তাদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা রয়েছে। যদি ডান দিক থেকে দেওয়া সুন্নাত না হতো, তবে তিনি তাদেরই প্রাধান্য দিতেন। এ হাদিস থেকে ডান দিক থেকে দেওয়ার সুন্নাতটি স্পষ্ট হয়ে যায় সকলের সামনে। বোঝা যাচ্ছে, ডান দিকের সুন্নাতটিই অধিক প্রাধান্যযোগ্য। ডান দিকে যে আছে, তার অনুমতি ব্যতীত অন্যদের প্রাধান্য দেওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে ডান দিকে যে আছে, তার কাছ থেকে অনুমতি নিতে কোনো দোষ নেই।'৮১৩

কোনো কারণ বাধা না হয়ে থাকলে স্বাভাবিকভাবে বড়দের প্রাধান্য দিতে হবে। উল্লিখিত হাদিসগুলো থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হচ্ছে, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছোটদের ওপর বড়দের প্রাধান্য দিতেন। কারণ, এটি তাদের অধিকার। কারণ, তারা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতায় ছোটদের চাইতে বেশি প্রাজ্ঞ।

বড়দের প্রাধান্য দেওয়ার অর্থ তাদের সম্মান করা, তাদের মর্যাদা দেওয়া। যখন ছোটদের ওপর বড়দের প্রাধান্য দেবে, তখন বড়রা প্রভাবিত হবে এবং প্রশান্ত বোধ করবে। এ জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বড়দের প্রাধান্য দিতেন।

টিকাঃ
৮০৬. সহিহুল বুখারি: ৩১৭৩, সহিহু মুসলিম: ১৬৬৯।
৮০৭. ইমাম আবু ইয়ালা হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। মুসনাদু আবি ইয়ালা ২৪২৫। ইবনে হাজার (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, এ হাদিসের সনদ শক্তিশালী। দেখুন, ফাতহুল বারি: ১০/৮৭।
৮০৮. সহিহু মুসলিম: ৬৭৩।
৮০৯. সহিহুল বুখারি: ৬২৩১, সহিহু মুসলিম: ২১৬০।
৮১০. সহিহু মুসলিম: ২২৭১।
৮১১. ফাতহুল বারি: ১/৩৫৭।
৮১২. সহিহুল বুখারি: ২৩১৯, সহিহু মুসলিম: ২০৩০।
৮১৩. ইমাম নববি কৃত শারহু সহিহি মুসলিম: ১৩/২০১।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00