📄 বৈশিষ্ট্য বর্ণনার সময় কোনো মুনাফিকের নাম নিতেন না
মুনাফিকদের ক্ষেত্রে তাঁর অনুসৃত পন্থা ছিল-তিনি তাদের বৈশিষ্ট্য ও কর্মকাণ্ড আলোচনা করার সময় কারও নাম বা পরিচিতি বলতেন না।
পূর্বেই আমরা জেনে এসেছি, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও কিছু মুনাফিককে নির্দিষ্ট করে চিনতেন না। কিন্তু তাদের নির্দিষ্ট করে না চেনার অর্থ এ নয় যে, তিনি মুনাফিকদের কর্মকাণ্ড ও বৈশিষ্ট্য জানতেন না। এমনটা মোটেই নয়; বরং নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবিগণ কিছু মুনাফিককে নির্দিষ্ট করে চিনতেন আবার কিছু মুনাফিককে তাদের কর্মের মাধ্যমে চিনে নিতেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَلَوْ نَشَاءُ لَا رَيْنَاكَهُمْ فَلَعَرَفْتَهُم بِسِيمَاهُمْ ، وَلَتَعْرِفَنَّهُمْ فِي لَحْنِ الْقَوْلِ وَاللَّهُ يَعْلَمُ أَعْمَالَكُمْ
'আমি ইচ্ছা করলে তোমাকে তাদের পরিচয় দিতাম। ফলে তুমি তাদের চেহারা দেখে চিনতে পারতে। তুমি অবশ্যই কথার ভঙ্গিতে তাদের চিনতে পারবে। আল্লাহ তোমাদের কাজ সম্পর্কে অবগত। '৫৬৭
ইবনে কাসির (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'আল্লাহ তাআলা বলছেন, "হে মুহাম্মাদ, আমি ইচ্ছে করলে তোমাকে তাদের একেকজনের পরিচয় দিতে পারি। ফলে তাদের প্রত্যেককে তুমি চিনে নিতে পারবে অনায়াসে।" কিন্তু আল্লাহ তাআলা তাঁর সৃষ্টিকে গোপন রাখার জন্য বাহ্যিকভাবে বিষয়গুলো নিরাপদে রাখার জন্য এবং গোপনীয়তা কেবল তাঁর জ্ঞানে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য সকল মুনাফিকের পরিচয় তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানাননি।
)وَلَتَعْرِ فَنَّهُمْ فِي لَحْنِ الْقَوْلِ( অর্থাৎ তাদের মুখ থেকে যে কথা বেরোয়, তা তাদের মনের উদ্দেশ্য বুঝিয়ে দেবে অনায়াসে। তাদের কথা শুনেই, কথার তাৎপর্য থেকেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বুঝতে পারবেন যে, সে কোন দলের। '৫৬৮
টিকাঃ
৫৬৭. সুরা মুহাম্মাদ, ৪৭: ৩০।
৫৬৮. তাফসিরু ইবনি কাসির: ৭/৩২১।
📄 অনেক মুনাফিককে সাহাবিরা বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে চিনতেন
আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) জুমআর সালাতের কথা বলতে গিয়ে বলেন, 'আমাদের ধারণা ছিল, চিহ্নিত মুনাফিক ব্যতীত কেউই সালাতের জামাআত ছাড়ত না। '৫৬৯
কাব বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তার তাবুক অভিযানে অংশ না নেওয়ার ঘটনায় বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবুক অভিমুখে রওনা করার পর আমি যখন ঘরের বাইরে বের হতাম, তখন কোনো আদর্শ মানুষ দেখতাম না। হয় কোনো নিফাকে আক্রান্ত মুনাফিকের সাথে দেখা হতো কিংবা আল্লাহ যাকে ছাড় দিয়েছেন, এমন দুর্বল ব্যক্তিকে দেখতাম। '৫৭০
স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে, এসব মুনাফিককে সাহাবিগণ তাদের বৈশিষ্ট্য, তাদের কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে চিনে নিতেন। এটি আল্লাহর অনুপম হিকমতের একটি উদাহরণ। আল্লাহ মুনাফিকদের নাম না বলে তাদের চিহ্ন ও বৈশিষ্ট্য বলে দিলেন। ফলে মুমিনরা এসব থেকে নিজেরাও দূরে থাকবে এবং এসব কর্মকাণ্ডকে সব সময় ভয় করবে।
সুরা তাওবা, সুরা নুর, সুরা বাকারা, সুরা নিসা, সুরা আহজাবসহ অন্যান্য সুরাগুলোতে মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্যের যে আলোচনা আছে, সেগুলোতে খেয়াল করলে যে কেউই বুঝতে পারবে, আজকের লেখক, সাংবাদিক, অভিনেতাদের কথাবার্তায় নিফাকির আলামত পাওয়া যায়। যে সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন, 'তুমি অবশ্যই কথার ভঙ্গিতে তাদের চিনতে পারবে। '৫৭১
টিকাঃ
৫৬৯. সহিহু মুসলিম: ৬৫৪।
৫৭০. সহিহুল বুখারি: ৪৪১৮, সহিহু মুসলিম: ২৭৬৯।
৫৭১. সুরা মুহাম্মাদ, ৪৭: ৩০।
📄 মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবিদের সামনে মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতেন। উদ্দেশ্য ছিল, বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের জানানো এবং তাদের থেকে সতর্ক ও সাবধান করা। বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে:
ফজর ও ইশার সালাতে অলসতা
আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'ফজর ও ইশার সালাত জামাআতে আদায় করা মুনাফিকদের ওপর সবচেয়ে কঠিন ছিল। যদি তারা জানত, এ দুটিতে কী কল্যাণ আছে, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও আসত। '৫৭২
ইবনে রজব (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'অন্য ওয়াক্তগুলোর তুলনায় ফজর ও ইশার সময় মসজিদে এসে সালাত পড়া মুনাফিকদের জন্য অধিক কষ্টকর ছিল। কারণ, অলসতা ও লোকদেখানো তাদের চরিত্রের ভূষণ। যারা রিয়া করে, লোকদেখানোর জন্য ইবাদত করে, যখন মানুষ দেখে, তখনই তারা আমলগুলো করে। কিন্তু যখন মানুষ তাদের দেখে না, তখন আমল-ইবাদত করা কষ্টকর হয়ে যায় তাদের ওপর।'
আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَإِذَا قَامُوا إِلَى الصَّلَاةِ قَامُوا كُسَالَى يُرَاءُونَ النَّاسَ وَلَا يَذْكُرُونَ اللَّهَ إِلَّا قَلِيلًا.
"যখন তারা সালাতে দাঁড়ায়, তখন আলস্যভরে দাঁড়ায়। তাদের সালাতের উদ্দেশ্য হয় লোকদের দেখানো। আল্লাহকে খুব কমই স্মরণ করে তারা। "৫৭৩
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুই ওয়াক্তের সালাত অন্ধকারে আদায় করতেন। ফজরের সালাত অধিকাংশ সময় তিনি আঁধার থাকতে আদায় করতেন। আর ইশার সালাত দেরিতে আদায় করতেন। তখন মসজিদে কোনো বাতি থাকত না। তাই তখনো অন্ধকারেই সালাত আদায় করা হতো। এ দুই ওয়াক্তের সালাতে কেবল পুণ্যপ্রত্যাশী মুমিনরাই উপস্থিত হতেন। মুনাফিকরা এ দুই ওয়াক্তের সালাতে আসত না। তারা মনে করত, তারা না এলেও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম টের পাবেন না। '৫৭৪
ওয়াক্তের শেষ পর্যন্ত বিলম্ব করে সালাত আদায় করা
আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "মুনাফিকের সালাতের স্বরূপ হচ্ছে, সে সূর্যকে দেখতে থাকে। যখন সূর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝ দিয়ে অস্তপ্রায় হয়ে আসে, তখন সে সালাতে দাঁড়ায়। তাড়াতাড়ি চার ঠোকর মেরে সালাত আদায় করে নেয়। তার সালাতে খুব কমই সে আল্লাহকে স্মরণ করে। "৫৭৫
হাদিসের ব্যাখ্যা
'শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝ দিয়ে' কেউ বলেন, এ কথাটির বাহ্যিক অর্থ নিতে হবে এখানে। উদ্দেশ্য হচ্ছে, সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় শয়তান তার দুই শিং নিয়ে উপস্থিত হয় সূর্যের সামনে। এমনিভাবে অস্ত যাওয়ার সময়ও। কারণ, কাফিররা এ সময় সূর্যকে সিজদা করে। তাই তখন শয়তান এসে সূর্যের সাথে থাকে। যাতে সূর্যকে যারা পূজা করে, তারা যেন একপ্রকার শয়তানকেই পূজা করে এমনটা প্রতিভাত হয়। শয়তান ও তার সাঙ্গোপাঙ্গোরা তখন ভাবে সূর্যের পূজারিরা তাকেই পুজো দিচ্ছে।
কেউ বলেন, এ কথাটির রূপক অর্থ নিতে হবে। শয়তানের এক শিং ও দুই শিং বলতে উদ্দেশ্য হচ্ছে, শয়তানের প্রভাব-প্রতিপত্তি, তার ও তার সাঙ্গোপাঙ্গোদের বিজয়। মূল অর্থ হচ্ছে, সালাত দেরি করে একেবারে শেষ ওয়াক্তে আদায় করা শয়তানকে সম্মান করারই নামান্তর। শিং দিয়ে পশু যেমন মানুষকে ঠেকিয়ে রাখে, তেমনই শয়তান এদের তাড়াতাড়ি সালাত আদায় করার ক্ষেত্রে ঠেকিয়ে রাখে।
এ দুটি মতের মধ্যে প্রথম মতটিই সঠিক। ৫৭৬
* মিথ্যা কথা বলা, ওয়াদা ভঙ্গ করা, বিশ্বাসঘাতকতা করা
আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "মুনাফিকের আলামত তিনটি: মিথ্যা বলা, ওয়াদা ভঙ্গ করা, আমানতের খিয়ানত করা।"৫৭৭
আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'যার মাঝে চারটি স্বভাব থাকবে, সে নিরেট মুনাফিক। অথবা যার মাঝে চারটি স্বভাবের একটি থাকবে, তার মাঝে নিফাকের একটি স্বভাব থাকবে, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে এ স্বভাব ত্যাগ করবে। স্বভাব চারটি হচ্ছে মিথ্যা বলা, ওয়াদা ভঙ্গ করা, বিশ্বাসঘাতকতা করা, অশ্লীল কথা ৫৭৮ বলা। '৫৭৯
মুনাফিকদের মাঝে উত্তম চরিত্র ও দ্বীনি বুঝ থাকে না
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'দুটি বৈশিষ্ট্য কোনো মুনাফিকের মাঝে থাকে না। এক. উত্তম চরিত্র। দুই. দ্বীনি বুঝ। '৫৮০
হাদিসের ব্যাখ্যা
উত্তম চরিত্র বলে উদ্দেশ্য হচ্ছে, কল্যাণের পথের পথিক হওয়া, সালিহিনের মতো হওয়ার চেষ্টা করা, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল দোষত্রুটি থেকে মুক্ত হওয়া।
দ্বীনের বুঝ বলে উদ্দেশ্য হচ্ছে, দ্বীনের প্রকৃত অনুধাবন। দ্বীনের বুঝ একজন মানুষের মাঝে ভয় ও তাকওয়ার জন্ম দেয়। কিন্তু কিছু মানুষ নিজের সম্মানের আশায় ও ইলম বেচে খাওয়ার জন্য ইলম শিখে থাকে। তারা দ্বীনি বুঝের এ মহান স্তর থেকে অনেক দূরে। কারণ, তাদের দ্বীনি বুঝ জিহ্বার আগায় থাকে, অন্তরে নয়। ৫৮১
* দোদুল্যমানতা
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'মুনাফিক হচ্ছে মাদি ছাগলের মতো। মাদি ছাগল দুই পুরুষ ছাগলের মাঝে ঘুরতে থাকে। একবার এর কাছে যায়, তো আবার এর কাছে যায়। '৫৮২
আল্লামা সিনদি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'মাদি ছাগল পুরুষ ছাগলের সঙ্গলাভের আশায় দুই পুরুষ ছাগলের মাঝে ঘুরপাক খায়। একজনের কাছে স্থির থাকে না। মুনাফিকরা প্রকাশ্যে মুমিনদের সাথে থাকে। ভেতরে ভেতরে নিজেদের মনস্কামনা পূরণ করতে ও ফাসাদ সৃষ্টিতে সাহায্যের জন্য মুশরিকদের কাছে যায়। এভাবে তারা নিজেদের মাদি ছাগল হিসেবে প্রমাণ করে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দেওয়া দৃষ্টান্ত অনুযায়ী মুনাফিকরা আদতে পুরুষত্বহীন হয়ে থাকে। '৫৮৩
মুনাফিকদের নিন্দনীয় স্বভাব-বৈশিষ্ট্য অনেক। সুরা তাওবা তাদের প্রতি লাঞ্ছনাকর কথাবার্তা ও তাদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনায় পূর্ণ। আল্লাহ তাআলা মুনাফিকদের স্বরূপ উন্মোচন করেছেন এ সুরায়। যাতে মুমিনগণ নিফাক ও মুনাফিকদের থেকে সতর্ক ও সাবধান থাকে।
টিকাঃ
৫৭২. সহিহুল বুখারি: ৬৫৭, সহিহু মুসলিম: ৬৫১।
৫৭৩. সুরা আন-নিসা, ৪: ১৪২।
৫৭৪. ফাতহুল বারি: ৫/২৩।
৫৭৫. সহিহু মুসলিম: ৬২২।
৫৭৬. ইমাম নববি কৃত শারহু সহিহি মুসলিম: ৫/১২৪।
৫৭৭. সহিহুল বুখারি: ৩৩, সহিহু মুসলিম ৫৯।
৫৭৮. অর্থাৎ সত্যকে অপছন্দ করে এবং মিথ্যা ও ভ্রান্ত কথা বলে। অভিধান-প্রণেতাদের মতে, অশ্লীল কথার মূল হচ্ছে সরল পথকে অপছন্দ করা। দেখুন, ইমাম নববি কৃত শারহু সহিহি মুসলিম: ২/৪৮।
৫৭৯. সহিহুল বুখারি: ২৪৫৯, সহিহু মুসলিম: ৫৮।
৫৮০. সুনানুত তিরমিজি: ২৬৮৪।
৫৮১. তুহফাতুল আহওয়াজি: ৭/৩৭৮।
৫৮২. সহিহু মুসলিম: ২৭৮৪।
৫৮৩. মিরকাতুল মাফাতিহ শারহু মিশকাতিল মাসাবিহ: ১/১৩০।
📄 রাসূলুল্লাহ ﷺ মুনাফিকদেরকে মুমিনদের কষ্ট দিতে নিষেধ করতেন
আব্দুল্লাহ বিন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরে আরোহণ করে উচ্চ আওয়াজে ডাক দিয়ে বললেন, “হে মুখে ইসলাম গ্রহণকারী দল, যাদের অন্তরে ইমান প্রবেশ করেনি, তোমরা মুসলিমদের কষ্ট দিয়ো না, কটু কথা বলে তাদের লজ্জা দিয়ো না, তাদের দোষ তালাশ কোরো না। কারণ, যে ব্যক্তি তার আপন মুসলিম ভাইয়ের দোষ তালাশ করবে, আল্লাহ তার দোষগুলো প্রকাশ করে দেবেন। আর আল্লাহ যার দোষত্রুটি প্রকাশ করে দেবেন, সে যদি নিজের ঘরের ভেতর লুকিয়েও থাকে, তবুও সে লাঞ্ছিত হবে।"৫৮৪
আল্লাহ তাআলা বলেন:
إِنَّ الَّذِينَ يُحِبُّونَ أَن تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ فِي الَّذِينَ آمَنُوا لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
'যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে, তাদের জন্য রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতে মর্মন্তুদ শাস্তি এবং আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।'৫৮৫
টিকাঃ
৫৮৪. সুনানুত তিরমিজি: ২০৩২।
৫৮৫. সুরা আন-নূর, ২৪: ১৯।