📄 গুনাহগারের নাম সবার সামনে স্পষ্ট করে বলতেন
প্রায় সময় অপরাধের তিরস্কারের সময় কারও নাম স্পষ্ট করে না বলে 'লোকদের কী হলো?'-এভাবে বলতেন।
আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, 'তার কাছে বারিরা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) আসলেন কিতাবাতের ৪৪৯ ব্যাপারে কিছু সাহায্য চাইতে।' আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) তাকে বললেন, 'তুমি চাইলে আমি তোমার মনিবের পাওনা পরিশোধ করে দেবো। তবে শর্ত হচ্ছে, তোমার উত্তরাধিকার-স্বত্ব থাকবে আমার। বারিরা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর মনিব বললেন, 'আপনি ইচ্ছে করলে তাকে মুক্ত করে দিন, তবে তার উত্তরাধিকার-স্বত্ব থাকবে আমাদের।'
আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলে আমি বিষয়টা তাঁকে জানালাম।' তিনি বললেন, 'তাকে কিনে নিয়ে মুক্ত করে দাও। দাস-মুক্তকারীই আজাদকৃত দাসের উত্তরাধিকারী হয়।'
এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে এসে মিম্বারে উঠলেন এবং বললেন, 'লোকদের কী হলো যে, তারা এমন শর্ত আরোপ করে, যে শর্ত আল্লাহর কিতাবে নেই?! আল্লাহর কিতাবে নেই-এমন শর্ত যে আরোপ করবে, সে শর্তের কোনো মূল্য নেই; যদিও এরূপ শর্ত সে শতবার করুক। '৪৫০
আবু হুমাইদ সায়িদি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে বনি সুলাইম গোত্রের জাকাত উত্তোলনের জন্য নিয়োগ করলেন। তার নাম ছিল ইবনে লাতবিয়া। জাকাত উত্তোলন শেষে সে আসলো। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিসেব চাইলে সে বলল, "এটা আপনাদের। আর এটা আমাকে হাদিয়া দেওয়া হয়েছে।"
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, "তাহলে তুমি তোমার বাবা-মায়ের ঘরে বসে থাকলেই পারতে? সেখানেও তোমার হাদিয়া পৌঁছে দেওয়া হতো, যদি তুমি সত্যবাদী হও!"
এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে খুতবা দিলেন। আল্লাহর প্রশংসা আদায় করে তিনি বললেন, "হামদ ও সালাতের পর। সে কর্মচারীর কী হলো, যাকে আমরা নিয়োগ দিলাম!? সে আমাদের কাছে এসে বলে, "এটা আপনাদের আর এটা আমাকে হাদিয়া দেওয়া হয়েছে।" সে কেন তার বাবা-মায়ের ঘরে বসে থাকল না? এরপর সে দেখত, তার হাদিয়া আসে কি না!
যাঁর হাতে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রাণ-তাঁর শপথ, তোমাদের যে-ই কিছু আত্মসাৎ করবে, কিয়ামতের দিন নিজ কাঁধে বয়ে সে তা নিয়ে উপস্থিত হবে। যদি কেউ উট আত্মসাৎ করে, তবে সে উট তার কাঁধে বয়ে আসবে গরগর করে গর্জন করা অবস্থায়। যদি তা গাভি হয়, তবে সে গাভি কাঁধে বয়ে আসবে গর্জন করা অবস্থায়। যদি তা ছাগল হয়, তবে সে ছাগল কাঁধে বয়ে আসবে আওয়াজ করা অবস্থায়।” এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুহাত ওঠালেন। এমনকি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম আমরা। হাত উঠিয়ে তিনি তিনবার বললেন, “হে আল্লাহ, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?”"৪৫১
আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে (অপছন্দনীয়) কোনো খবর আসলে, তিনি নাম ধরে বলতেন না যে, অমুকের কী হলো? বরং তিনি বলতেন, “লোকদের কী হলো যে, তারা এমন এমন বলে?!"৪৫২
ইবনুল কাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'কারও মাঝে অপছন্দনীয় কিছু দেখলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সরাসরি তাকে সম্বোধন করতেন না; বরং তিনি নাম উল্লেখ না করে বলতেন, "লোকদের কী হলো, তারা এমন এমন বলে, এমন এমন করে?!"৪৫৩
টিকাঃ
৪৪৯. কিতাবাত হচ্ছে, অর্থের বিনিময়ে দাসত্ব থেকে মুক্তিসংক্রান্ত মনিবের সাথে কৃত চুক্তি।
৪৫০. সহিহুল বুখারি: ৪৫৬, সহিহু মুসলিম ১৫০৪।
৪৫১. সহিহুল বুখারি: ২৫৯৭, সহিহু মুসলিম: ১৮৩২।
৪৫২. সুনানু আবি দাউদ: ৪৭৮৮।
৪৫৩. জাদুল মুহাজির ইলা রব্বিহি: ৬৭।
📄 কখনো রাগান্বিত হতেন এবং কঠোর নিন্দা করতেন
ইমরান বিন হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'আনসারদের একজন মৃত্যুর সময় তার ছয় দাসকে মুক্ত করে দেওয়ার অসিয়ত করে। এ ছয় দাস ছাড়া তার আর কোনো সম্পদ ছিল না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিষয়টা জানতে পেরে রেগে গিয়ে তাকে কঠিন কথা বললেন। বললেন, "আমি ইচ্ছে করেছি, তার জানাজা পড়ব না। "৪৫৪
এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দাসগুলোকে ডেকে পাঠালেন। তাদের তিনটি ভাগে বিভক্ত করলেন। লটারি করলেন তাদের মাঝে। লটারিতে উত্তীর্ণ দুজনকে মুক্ত করে দিলেন। বাকি চারজনকে দাস করে রাখলেন। '৪৫৫
টিকাঃ
৪৫৪. 'এ সাহাবির মতো যেন অন্যরা এমনটা না করে; তাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাজা না পড়ার কথা ব্যক্ত করেছিলেন। নতুবা কয়েকজন সাহাবি তার জানাজা আদায় করে ফরজ দায়িত্ব আদায় করছেন।' -ইমাম নববি কৃত শারহু সহিহি মুসলিম: ১১/১৪০।
৪৫৫. সহিহু মুসলিম: ১৬৬৮, সুনানুন নাসায়ি ১৯৫৮। 'আমি ইচ্ছে করেছি, তার জানাজা পড়ব না' এ অংশটা কেবল নাসায়িতে আছে। আর নাসায়ির হাদিসটিও সহিহ।
📄 গুনাহগারের জানাজায় শরিক না হয়ে উম্মতকে সতর্ক করেছেন
কোনো কোনো গুনাহগারের জানাজায় শরিক না হয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের শাস্তি দিয়েছেন এবং উম্মতকে সতর্ক করেছেন, যাতে অন্যরা এমন গুনাহে লিপ্ত না হয়।
জাবির বিন সামুরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'এক লোক অসুস্থ হয়ে পড়ল। তার মৃত্যুসংবাদ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল। এদিকে তারই এক প্রতিবেশী এসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানাল, সে মারা গেছে।'
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তুমি কীভাবে জানলে?"
সে জবাব দিল, "চারদিকে এ সংবাদই শোনা যাচ্ছে।"
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "না, সে মরেনি।"
এরপর লোকটি সেখান থেকে ফিরে আসলো। এসে সে আবারও সে সংবাদ শুনল। এবারও সে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, "সে মারা গেছে।" কিন্তু নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "না, সে মারা যায়নি।" লোকটি আবার ফিরে গিয়ে একই সংবাদ ছড়িয়ে পড়তে শুনল।'
অসুস্থ ব্যক্তির স্ত্রী তাকে বলল, "আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে যান। তাকে ঘটনা জানিয়ে আসুন।” সে প্রতিবেশী বলল, "আল্লাহ, আপনি তাকে (এ রোগীকে) অভিশপ্ত করুন।" এরপর সে রোগীর কাছে গেল। দেখল, সে রোগী নিজের কাছে রাখা একটি তিরের ফলা গেঁথে আত্মহত্যা করেছে। প্রতিবেশী লোকটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলেন। তাকে জানালেন, "লোকটি মারা গেছে।" রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কীভাবে জানলে?"
সে বলল, "আমি তাকে তির দিয়ে আত্মহত্যা করা অবস্থায় দেখেছি।"
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি তাকে দেখেছ?"
লোকটি বলল, "জি।"
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তাহলে আমি তার জানাজা পড়ব না।"৪৫৬
ইমাম তিরমিজি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'এ ব্যাপারে আহলে ইলমের মাঝে মতানৈক্য রয়েছে। তাদের একদল বলেন, "কিবলামুখী হয়ে সালাত পড়ে-এমন প্রতিটি ব্যক্তির জানাজা আদায় করা হবে; যদিও সে আত্মহত্যাকারী হোক না কেন।” এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন ইমাম সুফইয়ান সাওরি (রাহিমাহুল্লাহ) ও ইমাম ইসহাক (রাহিমাহুল্লাহ)। অন্যদিকে ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, "মুসলিমদের আমির আত্মহত্যাকারীর জানাজা পড়বে না; বরং অপর মুসলিমরা পড়বে।"৪৫৭
ইমাম বাইহাকি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে লোকটির জানাজা পড়বেন না বলেছিলেন, যেন অন্যরা তার মতো এমন গুনাহে লিপ্ত না হয়। '৪৫৮
ইমাম খাত্তাবি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'তার জানাজা না পড়ার অর্থ হচ্ছে, তাকে শাস্তি দেওয়া। যাতে অন্যরা এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকে। '৪৫৯
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'যাদের মাঝে ইমান আছে, কিন্তু কবিরা গুনাহকারীদের মতো প্রকাশ্যে তারা পাপাচার করে থাকে, তাহলে কিছু মুসলিম এদের জানাজা অবশ্যই আদায় করবে। আত্মহত্যাকারী, গনিমতের মাল আত্মসাৎকারী, ঋণ পূরণ করে না-এমন ঋণগ্রহীতার জানাজা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়েননি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুসরণে অনেক সালাফ বিদআতিদের জানাজা আদায় করা থেকে বিরত থেকেছেন। যদি এখনো কেউ এমন গুনাহগারদের জানাজা আদায় না করে এ উদ্দেশ্যে যে, অন্যরা যেন এমন গুনাহ থেকে বিরত থাকে, তবে তা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহর উত্তম অনুসরণ হবে। '৪৬০
জাইদ বিন খালিদ জুহানি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, 'খাইবারের দিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবিদের একজন মারা গেলে তাঁকে জানানো হলো। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন, "তোমরা তোমাদের সাথির জানাজা আদায় করে নাও।" (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাজা পড়লেন না দেখে) সাহাবিদের চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল ভয়ে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উদ্দেশে বললেন, "তোমাদের এ সাথি গনিমতের মাল আত্মসাৎ করেছে।" রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা শুনে আমরা তার আসবাবপত্রের মাঝে তালাশ করে ইহুদিদের একটি পুঁতির মালা পেলাম, যার দাম ছিল মাত্র দুই দিরহাম! '৪৬১
আবু কাতাদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যখন কোনো জানাজা সম্পর্কে বলা হতো, তিনি প্রথমে জিজ্ঞেস করতেন। যদি তার প্রশংসামূলক কিছু ভালো কথা বলা হতো, তিনি তার জানাজা আদায় করতেন। যদি তার নিন্দামূলক কিছু বলা হতো, তিনি তার পরিবারের লোকদের "তোমরা জানাজা পড়ে নাও" বলে দিতেন, কিন্তু নিজে সে জানাজায় অংশ নিতেন না। '৪৬২
ইমাম ইবনে হিব্বান (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জানাজা না পড়ার কারণ এটা নয় যে, তাদের কৃত গুনাহের ফলে তাদের জানাজা পড়া জায়িজ ছিল না; বরং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু লোকের জানাজা না পড়ার কারণ হচ্ছে, উম্মাহর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রেখে যাওয়া। যাতে অন্য কেউ আর এমন গুনাহে লিপ্ত না হয়। '৪৬৩
টিকাঃ
৪৫৬. সুনানু আবি দাউদ: ৩১৮৫, সহিহু মুসলিম: ৯৭৮, সুনানুত তিরমিজি: ১০৬৮।
৪৫৭. সুনানুন নাসায়ি: ২/৩৭২।
৪৫৮. আস-সুনানুল কুবরা: ৪/১৯।
৪৫৯. আওনুল মাবুদ: ৮/৩২৮।
৪৬০. মাজমুউল ফাতাওয়া: ২৪/২৮৬।
৪৬১. সুনানু আবি দাউদ: ২৭১০, সুনানুন নাসায়ি ১৯৫৯, সুনানু ইবনি মাজাহ: ২৮৪৮। ইমাম হাকিম (রাহিমাহুল্লাহ) এ হাদিসকে শাইখাইনের শর্তে সহিহ বলেছেন: ২৫৮২; হাফিজ জাহাবি (রাহিমাহুল্লাহ)-ও তাঁর সাথে একাত্মতা পোষণ করেছেন।
৪৬২. মুসনাদু আহমাদ: ২২০৪৯।
৪৬৩. সহিহু ইবনি হিব্বান: ৫/৬৪।