📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 অযাচিত বিষয়ে প্রশ্ন করা অপছন্দ করতেন

📄 অযাচিত বিষয়ে প্রশ্ন করা অপছন্দ করতেন


সাহল বিন সাদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'উয়াইমির আজলানি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আসিম বিন আদি আনসারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট আসলেন। তাকে বললেন, "হে আসিম, এক লোকের স্ত্রীকে আরেকটি পুরুষের সাথে দেখা গেল। সে কি তাকে হত্যা করবে? সে যদি ওই পুরুষকে হত্যা করে, তবে কি আপনারা তাকে হত্যা করবেন? এ ক্ষেত্রে আপনারা কী করবেন? আপনার অভিমত কী এ বিষয়ে? এ বিষয়টি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞেস করুন।"

কথামতো আসিম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জানতে চাইলেন। এমন মাসআলা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপছন্দ করলেন। এমন প্রশ্নের জিজ্ঞাসায় তিরস্কার করলেন তিনি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা আসিম (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর জন্য কঠিন হয়ে পড়ল।

আসিম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) যখন বাড়িতে ফিরলেন, তখন উয়াইমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এসে বললেন, "রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে কী বলেছেন?"

আসিম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) উত্তর করলেন, "তুমি কোনো কল্যাণ নিয়ে আসোনি আমার কাছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন প্রশ্ন করা অপছন্দ করেছেন।"

উয়াইমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, "আল্লাহর শপথ, আমি নিজেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গিয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করব।"

উয়াইমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) রওনা হলেন। অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পৌঁছালেন। তারপর বললেন, “হে আল্লাহর রাসুল, এক লোক তার স্ত্রীর সাথে পরপুরুষকে দেখতে পেল। লোকটি কি তাকে হত্যা করবে? এরপর কী আপনারা উক্ত লোকটিকে হত্যা করবেন, নাকি অন্য কিছু করবেন?"২০১

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তোমার ও তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে বিধান নাজিল হয়েছে। যাও, তাকে নিয়ে আসো।"

উয়াইমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তার স্ত্রীকে নিয়ে এলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লিআনের ২০২ আদেশ দিলেন। উয়াইমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মসজিদে স্ত্রীর প্রতি লিআন করলেন। এরপর বললেন, “হে আল্লাহর রাসুল, যদি আমি তাকে আমার বিবাহবন্ধনে রাখি, তবে আমি তার ওপর জুলুমকারী হলাম।” (অন্য রিওয়ায়াতে এসেছে, তবে তার ওপর আমার এ কথা মিথ্যা হলো।) এ কথা বলে তিনি (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশের আগেই) স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়ে দিলেন।'

ইবনে শিহাব (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, 'এ ঘটনার পর থেকে লিআন করার পরে স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদই বিধান হয়ে যায়। উয়াইমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর স্ত্রী গর্ভবতী ছিল। তার ছেলেকে মায়ের প্রতি সম্বন্ধ করে ডাকা হতো। এরপর বিধান হলো, ছেলে তার মায়ের ওয়ারিশ হবে। আর মাও তার ছেলের ওয়ারিশ হবে।'

(হাদিসে ফিরে যাই) এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "তোমরা লক্ষ রেখো। যদি এ মহিলা কালো রং ও বড় বড় চোখবিশিষ্ট, বড় নিতম্ববিশিষ্ট, ভরাট পায়ের গোছাবিশিষ্ট কালো ছেলে জন্ম দেয়-তবে আমি নিশ্চিত, উয়াইমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সত্যই বলেছে। আর যদি রক্তিমাভ খাটোবিশেষ গিরগিটির মতো হয়, তবে উয়াইমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তার স্ত্রীর ওপর মিথ্যে অপবাদ দিল।"

অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্যবাদী বলে প্রমাণিত হলেন এবং উয়াইমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) যেমন বলেছিলেন, তেমনই একটি ছেলে জন্মগ্রহণ করল। জন্মের পর সে ছেলেকে তার মায়ের প্রতি সম্বন্ধ করে ডাকা হতো। ২০০

ইমাম নববি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, '(এমন মাসআলা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপছন্দ করলেন। এমন প্রশ্নের জিজ্ঞাসায় তিরস্কার করলেন তিনি): হাদিসের এ অংশের উদ্দেশ্য হচ্ছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন অপছন্দ করতেন। বিশেষ করে যদি তা কোনো মুসলিম পুরুষ বা মহিলার গোপনীয়তা প্রকাশ করে বা কোনো মুসলিম পুরুষ বা মহিলার ব্যাপারে অশ্লীলতা বা কুকর্মের কথা ছড়ানোর মতো কিছু হয়।

তবে হাঁ, এ ধরনের কোনো ঘটনা যদি দ্বীন সম্পর্কিত হয় এবং তা সংঘটিতও হয়, এ ব্যাপারে প্রশ্ন করতে কোনো অসুবিধা নেই। কেননা, মুসলমানরা যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে সংঘটিত কোনো বিষয়ের হুকুম জানতে চাইতেন, তখন তিনি তাদের প্রশ্নের উত্তর দিতেন। তখন প্রশ্ন করাকে অপছন্দ করতেন না। কিন্তু আসিম (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ক্ষেত্রে এমনটা ঘটেনি। এর কারণ হলো, তিনি যে বিষয়ে প্রশ্ন করেছেন, তা তার ব্যাপারে ঘটেনি বিধায় এ সম্পর্কে প্রশ্ন করার কোনো প্রয়োজন তার ছিল না। তদুপরি বিষয়টি মুসলিম নর-নারীর ওপর অশ্লীলতার অপবাদযুক্ত ছিল এবং এতে ইহুদি ও মুনাফিক প্রভৃতি শ্রেণির জন্য ইসলাম ও মুসলমানদের ব্যাপারে ঔদ্ধত্য প্রকাশের সুযোগ ছিল। '২০৪

টিকাঃ
২০১. সহিহু মুসলিমের অপর বর্ণনায় এসেছে, 'এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে পরপুরুষের সাথে পেল। সে লোকটি যদি এ বিষয়ে কথা বলে, তবে সে একটি গুরুতর অভিযোগ করল। আর যদি সে চুপ থাকে, তবে সে এ অবস্থাতেই চুপ থাকল। এ বিষয়ে আপনার অভিমত কী?'
২০২. লিআন হচ্ছে, আল্লাহর নামে শপথ করে স্ত্রীর প্রতি ব্যভিচারের সাক্ষ্য দেওয়া।
২০৩. সহিহুল বুখারি: ৪৭৪৫, সহিহু মুসলিম: ১৪৯২।
২০৪. ইমাম নববি কৃত শারহু সহিহি মুসলিম: ১০/১২০।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 এই সুন্নাহর ওপর সালাফের আমলের দৃষ্টান্ত

📄 এই সুন্নাহর ওপর সালাফের আমলের দৃষ্টান্ত


মাসরুক (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমি উবাই বিন কাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর কাছে একটি মাসআলা জানতে চাইলাম। উবাই (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, "এমনটা ঘটেছে?"

আমি বললাম, “না, ঘটেনি।"

তিনি বললেন, "তাহলে ঘটা পর্যন্ত আমাকে শান্তিতে থাকতে দাও।"২০৫

খারিজা বিন জাইদ বিন সাবিত (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'জাইদ বিন সাবিত (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর কাছে একটা বিষয় সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলো। তিনি উত্তর না দিয়ে বললেন, "এমনটা ঘটেছে কি?"

উত্তরে বলা হলো, "না, ঘটেনি।"

তিনি বললেন, "তবে ঘটা পর্যন্ত বিষয়টি ফেলে রাখো।"২০৬

টিকাঃ
২০৫. আল-ইবানাহ: ৩১৬, জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাজলিহ: ২০৫৭।
২০৬. আল-ইবানাহ: ৩১৮।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 সম্ভাব্য ও ঘটিতব্য বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতেন

📄 সম্ভাব্য ও ঘটিতব্য বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতেন


এখনো ঘটেনি-এমন বিষয়ে প্রশ্ন করা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট অপছন্দনীয় ছিল। কারণ, তা একপ্রকার কৃত্রিমতা। অথচ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোটেই লৌকিকতাকারী ছিলেন না। আল্লাহ তাআলা বলেন:

قُلْ مَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُتَكَلِّفِينَ

'বলুন, আমি তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাই না আর আমি লৌকিকতাকারীও নই। '২০৭

অন্যদিকে, যে বিষয়টি ঘটবে, সে বিষয়ে প্রশ্ন করার গুরুত্ব রয়েছে অনেক। যাতে যখন তা ঘটবে, শরিয়তের আলোকে সে সময়ের করণীয় জানা থাকে।

হুজাইফা বিন ইয়ামান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'মানুষ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উত্তম বিষয়াদি সম্পর্কে জানতে চাইত। কিন্তু আমি মন্দে পতিত হওয়ার আশঙ্কায় মন্দ বিষয়াদি সম্পর্কে জানতে চাইতাম।

এ রকম একটি প্রশ্ন করতে গিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললাম, "হে আল্লাহর রাসুল, আমরা জাহিলিয়াত ও মন্দের মাঝে ডুবে ছিলাম। এরপর আল্লাহ আমাদের ইসলামের মতো একটি উত্তম নিয়ামতে ভূষিত করলেন। এ উত্তমের পর কি কোনো মন্দ আছে আমাদের ভাগ্যে?"

হাঁ।

সে মন্দের পর কি উত্তমতা আছে?

হাঁ, আছে। তবে তা ধোঁয়ায় ধূমায়িত।

কেমন ধোঁয়া?

এক দল লোক আমার সুন্নাত ছেড়ে ভিন্ন রীতিনীতি অনুসরণ করবে। তারা আমার হিদায়াতের পথ ছেড়ে ভ্রান্ত পথে চলে যাবে। তুমি তাদের কতককে দেখবে। আর কতক তোমার অজ্ঞাতে থাকবে।

এর পরে কি কোনো মন্দ থাকবে?

হাঁ, জাহান্নামের দরোজার কিছু আহ্বানকারী। যারা তাদের ডাকে সাড়া দেবে, তাদের নিয়ে তারা জাহান্নামে ফেলবে।

হে আল্লাহর রাসুল, তাদের কিছু বৈশিষ্ট্য বলুন।

বলছি, শোনো। আমাদের গায়ের রংয়ের মতোই তাদের গায়ের রং হবে। তারা আমাদের ভাষায় কথা বলবে।

হে আল্লাহর রাসুল, সে সময় যদি আমি বেঁচে থাকি, তবে আমার করণীয় কী হবে?

তুমি মুসলিমদের জামাআত ও আমিরকে আঁকড়ে ধরবে।

যদি সে সময় মুসলিমদের কোনো জামাআত ও ইমাম না থাকে?

তুমি সব দল ছেড়ে পৃথক থাকবে। যদিও তোমাকে গাছের শিকড় কামড়ে থাকতে হয় এবং এ অবস্থাতেই তোমার মৃত্যু হয়, তবে তা-ই তোমার জন্য মঙ্গলজনক। '২০৮

রাফি বিন খাদিজ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমি বললাম, "হে আল্লাহর রাসুল, আমরা আগামী দিনে শত্রুর মোকাবিলায় যাব। তখন যদি পশু জবাইয়ের জন্য আমাদের সাথে ছুরি না থাকে, তবে আমরা কী করব?"

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “এমন বস্তু দিয়ে কাটবে, যা দিয়ে কাটলে রক্ত প্রবাহিত হয়। সাথে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করবে, এরপর খাবে। তবে সিন ও জুফুর ব্যতীত। এর ব্যাখ্যা বলছি। সিন হচ্ছে, পশুর রক্ত প্রবাহিত হলে, রগগুলো ঠিকমতো কাটা হয় না, এমন জবাই। আর জুফুর হচ্ছে, হাবশাবাসীর মতো জবাই।”২০৯-২১০

টিকাঃ
২০৭. সুরা সাদ, ৩৮: ৮৬।
২০৮. সহিহুল বুখারি: ৩৬০৬, সহিহু মুসলিম: ১৮৪৭। শব্দউৎস: সহিহু মুসলিম।
২০৯. হাবশার অধিবাসীগণ ছাগলকে যেখান দিয়ে জবাই করে, সেখানটাতে নখ দিয়ে রক্ত ঝরায়। সবশেষে পশুটা শ্বাসরোধে মারা পড়ে।
২১০. সহিহুল বুখারি: ২৪৮৮, সহিহু মুসলিম: ১৯৬৮।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 করণীয় নির্ধারণের জন্য ঘটিতব্য বিভিন্ন বিরোধ সম্পর্কে অবহিত করতেন

📄 করণীয় নির্ধারণের জন্য ঘটিতব্য বিভিন্ন বিরোধ সম্পর্কে অবহিত করতেন


আবু জার গিফারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, 'রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমার কেমন অবস্থা হবে, যখন আমিররা সময় হলেও দেরিতে সালাত পড়বে অথবা সালাতের প্রাণ বেরিয়ে গেলে সালাত আদায় করবে?"

আমি বললাম, "আমাকে তখন কী করতে হবে?"

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তুমি সময়মতো সালাত পড়বে। যদি তোমার পড়ার পরে তাদের জামাআত পাও, তবে জামাআত ধরবে। জামাআতের সে সালাত তোমার জন্য নফল হবে।"২১১

ইমাম নববি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, "সালাতের প্রাণ বেরিয়ে গেলে"-এর দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, সালাত পড়তে দেরি করবে। দেরিতে পড়া সালাতকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃতের সাথে তুলনা করেছেন, যার আত্মা বেরিয়ে গেছে।

সময়ের চেয়ে দেরি করার অর্থ হচ্ছে, উত্তম ওয়াক্ত থেকে দেরি করা, সালাতের ওয়াক্ত চলে যাওয়া নয়। কেননা, বর্ণিত বিষয়টি পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আমিরদের মধ্যে এভাবে প্রতিফলিত হয়েছে যে, তারা উত্তম ওয়াক্ত থেকে দেরি করে সালাত পড়তেন। তাই বাস্তবে ঘটা অবস্থার ওপর ভিত্তি করেই হাদিসের এ অংশটার অর্থ ধরতে হবে। '২১২

টিকাঃ
২১১. সহিহু মুসলিম: ৬৪৮।
২১২. ইমাম নববি শারহু সহিহি মুসলিম: ৫/১৪৭।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00