📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 আত্মীয়দের ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার ব্যাপারে বেশ আগ্রহী ছিলেন

📄 আত্মীয়দের ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার ব্যাপারে বেশ আগ্রহী ছিলেন


আবু হুরাইরা (রা) বলেন, 'যখন আল্লাহ নাজিল করলেন : وَأَنذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ - আপনি নিকটতম আত্মীয়দের সতর্ক করে দিন। (সুরা আশ-শুআরা, ২৬: ২১৪)। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে দাঁড়ালেন। নিজ পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনদের উদ্দেশে বললেন, "কুরাইশ সম্প্রদায়, তোমরা নিজেদের আজাব থেকে রক্ষা করো। আমি আল্লাহর আজাব থেকে তোমাদের বাঁচাতে পারব না। আব্দে মানাফের বংশধরেরা, আমি আল্লাহর আজাব থেকে তোমাদের বাঁচাতে পারব না।"

হে আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব (রা), আমি আল্লাহর আজাব থেকে তোমাদের বাঁচাতে পারব না। হে রাসূলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফুফু সাফিয়্যা (রা), আমি আল্লাহর আজাব থেকে তোমাদের বাঁচাতে পারব না। হে মুহাম্মাদের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কন্যা ফাতিমা (রা), তুমি আমার সম্পদ থেকে যা দরকার চেয়ে নাও; কিন্তু আমি আল্লাহর আজাব থেকে তোমাদের বাঁচাতে পারব না।"'

মুসলিমের (রহ) এক রিওয়ায়াতে (হাদিস: ২০৪) এসেছে, এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'তবে আমি তোমাদের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করব।'

ইবনে হাজার (রহ) বলেন, 'প্রথমেই নিকটাত্মীয়দের দাওয়াত দেওয়ার আদেশের মর্ম হচ্ছে, যদি ইসলামের সত্যতা আত্মীয়দের ওপর প্রতিষ্ঠা পায়, তবে অন্যদের ওপরও এটি অনায়াসে কার্যকর হবে।'

টিকাঃ
৪২৩. সহিহুল বুখারি: ২৭৫৪, সহিহু মুসলিম: ২০৬।
৪২৪. ফাতহুল বারি: ৮/৫০৩।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 আত্মীয়দের দাওয়াত প্রদানে

📄 আত্মীয়দের দাওয়াত প্রদানে


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকটাত্মীয়দের অন্যতম আলি (রা)-কে ইসলামের দাওয়াত দিলেন। তিনি তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে মুসলিম হয়ে গেলেন। আলি (রা) ছিলেন ইসলাম গ্রহণকারী প্রথম কিশোর।

তিরমিজি (রহ) বলেন, 'কতক আলিম (রহ) বলেন, পুরুষদের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী আবু বকর (রা)। আলি (রা) আট বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেন। নারীদের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন খাদিজা (রা)।'

চাচা আবু তালিবের (রহ) ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে বেশ সচেষ্ট ছিলেন
সাইদ বিন মুসাইয়িব (রহ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, 'যখন আবু তালিবের (রহ) মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন তার কাছে। এসে দেখলেন, আবু তালিবের (রহ) পাশে আবু জাহেল (রহ) ও আব্দুল্লাহ বিন আবু উমাইয়া বিন মুগিরা (রহ) বসা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর চাচার উদ্দেশে বললেন, "চাচা, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়ুন। এ বাক্যটি পড়ুন। আমি এর মাধ্যমে আল্লাহর সামনে প্রমাণ পেশ করব।” অন্য বর্ণনায় এসেছে, "এর মাধ্যমে আমি আল্লাহর সামনে সাক্ষ্য পেশ করব।"

আবু জাহেল (রহ) ও ইবনে আবু উমাইয়া (রহ) আবু তালিবের (রহ) উদ্দেশে বলতে লাগল, "তুমি কি আব্দুল মুত্তালিবের (রহ) ধর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে?"

ওদিকে আবু তালিবের (রহ) শেষ কথা বলা পর্যন্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে কথাটি বলতে থাকলেন তার সামনে। আবু তালিবের (রহ) শেষ কথা ছিল, তিনি আব্দুল মুত্তালিবের (রহ) ধর্মের ওপর থাকবেন। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতে তিনি অস্বীকার করলেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, "আল্লাহর কসম, যতক্ষণ পর্যন্ত আমাকে নিষেধ না করা হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে যাব।"

مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَالَّذِينَ آمَنُوا أَن يَسْتَغْفِرُوا لِلْمُشْرِكِينَ "নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুমিনদের জন্য সংগত নয় মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা। (সুরা আত-তাওবা, ৯ ১১৩)" আল্লাহ তাআলা إِنَّكَ لَا تَهْدِي مَنْ أَحْبَبْتَ وَلَكِنَّ اللَّهَ يَهْدِي مَن يَشَاءُ - "আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে সৎপথে আনতে পারবেন না, তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সৎপথে আনয়ন করেন। (সুরা আল-কাসাস, ২৮: ৫৬)"'

ইমাম আহমাদের (রহ) বর্ণনায় আছে, 'আবু তালিব (রহ) তার শেষ কথায় বলেছিলেন, "মৃত্যুর ভয়ে আমি ইসলাম গ্রহণ করছি" এ কথা বলে কুরাইশরা আমাকে লজ্জা দেওয়ার আশঙ্কা না থাকলে আমি এ কালিমা পাঠ করে তোমার অন্তর শীতল করতাম।"'

যদিও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চাচা কাফির অবস্থায় মারা গেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনবরত তার জন্য শাফাআত করতে থাকার কারণে আল্লাহ তার আজাব কম করে দিয়েছেন।

আবু তালিব (রহ) সবচেয়ে নিম্ন পর্যায়ের আজাব পাবে। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য সুপারিশ করেছেন। ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "জাহান্নামের সর্বনিম্ন আজাব হবে আবু তালিবের (রহ)। আগুনের দুটি জুতো পরিয়ে দেওয়া হবে তাকে। এতে তার মস্তিষ্ক ফুটতে থাকবে।"'

'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আরেক চাচা আব্বাস (রা) জিজ্ঞেস করলেন, "আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আপনি কি আবু তালিবের (রহ) কোনো উপকার করতে পেরেছেন? সে তো আপনার হিফাজত করেছেন, আপনার হয়ে অন্যদের বিরোধিতা করেছেন।"

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন, "হাঁ, তার পায়ের গোছা পর্যন্ত আগুনে রয়েছে। যদি আমি উপকারে না আসতাম, তবে জাহান্নামের নিম্নস্থলে জায়গা হতো তার।"'

টিকাঃ
৪২৫. সুনানুত তিরমিজি: ৫/৬৪২।
৪২৬. সহিহুল বুখারি: ৩৮৮৮৪, সহিহু মুসলিম: ২৪।
৪২৭. মুসনাদু আহমাদ: ৯৩২৭।
৪২৮. সহিহু মুসলিম: ২১১।
৪২৯. সহিহু মুসলিম: ২০৯।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 চাচা আবু তালিবের ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে বেশ সচেষ্ট ছিলেন

📄 চাচা আবু তালিবের ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে বেশ সচেষ্ট ছিলেন


সাইদ বিন মুসাইয়িব (রহ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, 'যখন আবু তালিবের (রহ) মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন তার কাছে। এসে দেখলেন, আবু তালিবের (রহ) পাশে আবু জাহেল (রহ) ও আব্দুল্লাহ বিন আবু উমাইয়া বিন মুগিরা (রহ) বসা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর চাচার উদ্দেশে বললেন, "চাচা, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়ুন। এ বাক্যটি পড়ুন। আমি এর মাধ্যমে আল্লাহর সামনে প্রমাণ পেশ করব।” অন্য বর্ণনায় এসেছে, "এর মাধ্যমে আমি আল্লাহর সামনে সাক্ষ্য পেশ করব।"

আবু জাহেল (রহ) ও ইবনে আবু উমাইয়া (রহ) আবু তালিবের (রহ) উদ্দেশে বলতে লাগল, "তুমি কি আব্দুল মুত্তালিবের (রহ) ধর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে?"

ওদিকে আবু তালিবের (রহ) শেষ কথা বলা পর্যন্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে কথাটি বলতে থাকলেন তার সামনে। আবু তালিবের (রহ) শেষ কথা ছিল, তিনি আব্দুল মুত্তালিবের (রহ) ধর্মের ওপর থাকবেন। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতে তিনি অস্বীকার করলেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, "আল্লাহর কসম, যতক্ষণ পর্যন্ত আমাকে নিষেধ না করা হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে যাব।"

مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَالَّذِينَ آمَنُوا أَن يَسْتَغْفِرُوا لِلْمُشْرِكِينَ "নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুমিনদের জন্য সংগত নয় মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা। (সুরা আত-তাওবা, ৯ ১১৩)" আল্লাহ তাআলা إِنَّكَ لَا تَهْدِي مَنْ أَحْبَبْتَ وَلَكِنَّ اللَّهَ يَهْدِي مَن يَشَاءُ - "আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে সৎপথে আনতে পারবেন না, তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সৎপথে আনয়ন করেন। (সুরা আল-কাসাস, ২৮: ৫৬)"'

ইমাম আহমাদের (রহ) বর্ণনায় আছে, 'আবু তালিব (রহ) তার শেষ কথায় বলেছিলেন, "মৃত্যুর ভয়ে আমি ইসলাম গ্রহণ করছি" এ কথা বলে কুরাইশরা আমাকে লজ্জা দেওয়ার আশঙ্কা না থাকলে আমি এ কালিমা পাঠ করে তোমার অন্তর শীতল করতাম।"'

যদিও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চাচা কাফির অবস্থায় মারা গেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনবরত তার জন্য শাফাআত করতে থাকার কারণে আল্লাহ তার আজাব কম করে দিয়েছেন।

আবু তালিব (রহ) সবচেয়ে নিম্ন পর্যায়ের আজাব পাবে। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য সুপারিশ করেছেন। ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "জাহান্নামের সর্বনিম্ন আজাব হবে আবু তালিবের (রহ)। আগুনের দুটি জুতো পরিয়ে দেওয়া হবে তাকে। এতে তার মস্তিষ্ক ফুটতে থাকবে।"'

'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আরেক চাচা আব্বাস (রা) জিজ্ঞেস করলেন, "আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আপনি কি আবু তালিবের (রহ) কোনো উপকার করতে পেরেছেন? সে তো আপনার হিফাজত করেছেন, আপনার হয়ে অন্যদের বিরোধিতা করেছেন।"

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন, "হাঁ, তার পায়ের গোছা পর্যন্ত আগুনে রয়েছে। যদি আমি উপকারে না আসতাম, তবে জাহান্নামের নিম্নস্থলে জায়গা হতো তার।"'

টিকাঃ
৪২৬. সহিহুল বুখারি: ৩৮৮৮৪, সহিহু মুসলিম: ২৪।
৪২৭. মুসনাদু আহমাদ: ৯৩২৭।
৪২৮. সহিহু মুসলিম: ২১১।
৪২৯. সহিহু মুসলিম: ২০৯।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 রাসূল ﷺ তাঁর আত্মীয়তার প্রশংসা ও মূল্যায়ন করতেন

📄 রাসূল ﷺ তাঁর আত্মীয়তার প্রশংসা ও মূল্যায়ন করতেন


মুত্তালিব বিন আবু বিদাআ (রহ) বলেন, 'কারও মুখে কিছু একটা শুনে আব্বাস (রা) এলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে উঠে সবার উদ্দেশে বললেন, "আমি কে?” সবাই বলল, "আপনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।"

এরপর তিনি বললেন, "আমি মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুত্তালিব। আল্লাহ তাআলা মাখলুককে সৃষ্টি করলেন। তাদের মধ্যকার উত্তম দলে আমাকে রাখলেন। এরপর এ দলকে তিনি দুটি ভাগে বিভক্ত করলেন। সবচেয়ে উত্তম দলে আমাকে রাখলেন। এরপর এ দলটিকে তিনি অনেকগুলো গোত্রে বিভক্ত করলেন। আমাকে রাখলেন সর্বোত্তম গোত্রে। এরপর সে গোত্রকে অনেকগুলো ঘরে বিভক্ত করলেন। আমাকে রাখলেন সবচেয়ে উত্তম ঘর ও সবচেয়ে উত্তম বংশে।"'

"কারও মুখে কিছু একটা শুনে আব্বাস (রা) এলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে"-অর্থাৎ কোনো কাফিরের মুখে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিন্দা শুনে তাঁর কাছে এলেন আব্বাস (রা)। আর এ হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আত্মীয়দের সর্বোচ্চ প্রশংসা বর্ণিত হয়েছে।

সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্বাসের (রা) উদ্দেশে বললেন, "এ হচ্ছে আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব (রা), কুরাইশদের মাঝে সবচেয়ে মহানুভব ও সবচেয়ে বেশি আত্মীয়তা রক্ষাকারী।"'

টিকাঃ
৪৩০. সুনানুত তিরমিজি: ৩৪৫৫। হাদিসের মান: সহিহ।
৪৩১. মুসনাদু আহমাদ: ১৬১৩। হাদিসের মান: সহিহ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00