📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 সারা রাত নিজস্ব ইবাদতের কথা শুনে অপছন্দ করলেন

📄 সারা রাত নিজস্ব ইবাদতের কথা শুনে অপছন্দ করলেন


আয়িশা (রা) হতে বর্ণিত, 'হাওলা বিনতে তুয়াইত (রা) নামের এক নারী এলেন আয়িশা (রা)-এর কাছে। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশার (রা) ঘরে। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানালেন, "এ হাওলা (রা)। লোকেরা ধারণা করে সে রাতে ঘুমায় না। পুরো রাত ইবাদতে কাটিয়ে দেয়।" এ শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "সে রাতেও ঘুমায় না?! তোমরা সামর্থ্য অনুযায়ী ইবাদত করো। আল্লাহর কসম, তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত হবে না, ততক্ষণ আল্লাহ সাওয়াব দিতে থাকবেন।"'

'সে রাতেও ঘুমায় না?'-এই প্রশ্ন থেকে বোঝা গেল, এ রকম সারা রাত নির্ঘুম কাটিয়ে দেওয়া তাঁর পছন্দ নয়। এটি ইবাদতে বাড়াবাড়ির নামান্তর।

টিকাঃ
২৪৭. সহিহুল বুখারি: ৪৩, সহিহু মুসলিম: ৭৮৫। শব্দউৎস: সহিহু মুসলিম।

আয়িশা (রা) হতে বর্ণিত, 'হাওলা বিনতে তুয়াইত (রা) নামের এক নারী এলেন আয়িশা (রা)-এর কাছে। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশার (রা) ঘরে। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানালেন, "এ হাওলা (রা)। লোকেরা ধারণা করে সে রাতে ঘুমায় না। পুরো রাত ইবাদতে কাটিয়ে দেয়।" এ শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "সে রাতেও ঘুমায় না?! তোমরা সামর্থ্য অনুযায়ী ইবাদত করো। আল্লাহর কসম, তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত হবে না, ততক্ষণ আল্লাহ সাওয়াব দিতে থাকবেন।"'

'সে রাতেও ঘুমায় না?'-এই প্রশ্ন থেকে বোঝা গেল, এ রকম সারা রাত নির্ঘুম কাটিয়ে দেওয়া তাঁর পছন্দ নয়। এটি ইবাদতে বাড়াবাড়ির নামান্তর।

টিকাঃ
২৪৭. সহিহুল বুখারি: ৪৩, সহিহু মুসলিম: ৭৮৫। শব্দউৎস: সহিহু মুসলিম।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 আমল কম হলেও নিয়মিত করার প্রতি উৎসাহ দিতেন

📄 আমল কম হলেও নিয়মিত করার প্রতি উৎসাহ দিতেন


আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল হচ্ছে নিয়মিত কৃত আমল; যদিও তা কম হয়।"

কাসিম বিন মুহাম্মাদ (রহ) বলেন, 'আয়িশা (রা) কোনো আমল করলে সে আমলটা অবধারিত করে নিতেন নিজের জন্য।'

ইবনুল জাওজি (রহ) বলেন, 'দুই কারণে নিয়মিত আমল পছন্দনীয়:

এক. কোনো আমল ছেড়ে দেওয়া সে আমল থেকে বিমুখ হওয়ার মতো।

দুই. কোনো আমল নিয়মিত করা মনিবের সেবায় প্রতিটি সময় লেগে থাকার মতো। এক লোক মনিবের সেবার উদ্দেশ্যে দরোজার পাশে দিনের একটি অংশ দাঁড়িয়ে থাকল। দ্বিতীয় আরেক ব্যক্তি মনিবের সেবার উদ্দেশ্যে দরোজার পাশে সারা দিন দাঁড়িয়ে থাকল। এখানে দ্বিতীয় ব্যক্তিটিই উত্তম প্রথম ব্যক্তির তুলনায়। দ্বিতীয় ব্যক্তির সাদৃশ্য নিয়মিত আমলকারীর সাথে।'

টিকাঃ
২৪৮. সহিহুল বুখারি: ৬৪৬৫, সহিহু মুসলিম ৭৮৩। শব্দউৎস: সহিহু মুসলিম।
২৪৯. ফাতহুল বারি: ১/১০৩।

আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল হচ্ছে নিয়মিত কৃত আমল; যদিও তা কম হয়।"

কাসিম বিন মুহাম্মাদ (রহ) বলেন, 'আয়িশা (রা) কোনো আমল করলে সে আমলটা অবধারিত করে নিতেন নিজের জন্য।'

ইবনুল জাওজি (রহ) বলেন, 'দুই কারণে নিয়মিত আমল পছন্দনীয়:

এক. কোনো আমল ছেড়ে দেওয়া সে আমল থেকে বিমুখ হওয়ার মতো।

দুই. কোনো আমল নিয়মিত করা মনিবের সেবায় প্রতিটি সময় লেগে থাকার মতো। এক লোক মনিবের সেবার উদ্দেশ্যে দরোজার পাশে দিনের একটি অংশ দাঁড়িয়ে থাকল। দ্বিতীয় আরেক ব্যক্তি মনিবের সেবার উদ্দেশ্যে দরোজার পাশে সারা দিন দাঁড়িয়ে থাকল। এখানে দ্বিতীয় ব্যক্তিটিই উত্তম প্রথম ব্যক্তির তুলনায়। দ্বিতীয় ব্যক্তির সাদৃশ্য নিয়মিত আমলকারীর সাথে।'

টিকাঃ
২৪৮. সহিহুল বুখারি: ৬৪৬৫, সহিহু মুসলিম ৭৮৩। শব্দউৎস: সহিহু মুসলিম।
২৪৯. ফাতহুল বারি: ১/১০৩।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 সাদাকা ও কল্যাণের পথে ব্যয় করার প্রতি স্ত্রীদের উৎসাহ দিতেন

📄 সাদাকা ও কল্যাণের পথে ব্যয় করার প্রতি স্ত্রীদের উৎসাহ দিতেন


আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেন, "আয়িশা, এক ফালি খেজুর সাদাকা করে হলেও জাহান্নাম থেকে নিজেকে রক্ষা করো। কেননা, এক ফালি খেজুরও ক্ষুধার্তের তৃপ্তির কারণ হয়।"'

এক ফালি খেজুর বলে এখানে খুব অল্প জিনিস বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ সামান্য পরিমাণ হলেও সাদাকা করো।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশা (রা)-কে সাদাকা ও নেক আমলের মাধ্যমে নিজেকে জাহান্নাম থেকে আড়াল করতে বলেছেন। যদিও সেই সাদাকা ও নেক আমলের পরিমাণ খুবই অল্প হয়। সামান্য সাদাকাও মানুষকে জাহান্নাম থেকে আড়াল করে ফেলে।

আয়িশা (রা) আরও বলেন, 'এক ফকির আমার কাছে এল। তখন আমার ঘরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন। তাকে কিছু দেওয়ার জন্য (খাদিমাকে) আদেশ দিলাম আমি। এরপর সাদাকার বস্তুটা নিয়ে আসার জন্য বললাম। সেটার প্রতি তাকালাম। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তুমি কি চাও না যে তোমার অগোচরে ঘরে কোনো কিছু প্রবেশ করুক বা বের হোক?" আমি বললাম, "হাঁ।" রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "যেতে দাও, আয়িশা, হিসেব কোরো না, তুমি হিসেব করলে আল্লাহও তোমায় হিসেব করে দেবেন।"

ইবনে হাজার (রহ) বলেন, 'হিসেব করে দেওয়ার অর্থ-কোনো কিছুর নির্দিষ্ট ওজন বা সংখ্যা জানা। আর অনেকে সম্পদ শেষ হয়ে যাওয়ার ভয়ে সাদাকা করে না। সাদাকা না করার এ মনোবৃত্তি নিষিদ্ধ হয়েছে এ হাদিসে। এমন মনোবৃত্তি সম্পদ থেকে বরকত রহিত হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। কেননা, আল্লাহ তাআলা দানের প্রতিদানে অনেক সাওয়াব দিয়ে থাকেন। তাই যে ব্যক্তি অগণিত পুরস্কার পেতে চায়, সে যেন দানের সময় হিসেবি না হয়, কৃপণতা না করে। আর যে ব্যক্তি বিশ্বাস করে আল্লাহ তাআলা অগণিত রিজিক দিতে পারেন, তার ওপর কর্তব্য হচ্ছে, বিনা হিসেবে দান করা।'

'পরিবারের লোকেরা যখন ছাগল জবাই করতেন, তখন তিনি জিজ্ঞেস করতেন, "সাদাকা দেওয়ার পর কতটুকু আর বাকি আছে?" আয়িশা (রা) বললেন, "কাঁধের গোশতটুকু।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তবে তো কাঁধের গোশত ছাড়া আর সবটাই অক্ষত আছে (সাদাকা দিয়ে)।"'

'অর্থাৎ তোমার কাছে কাঁধের যে গোশতটুকু আছে, সেটা অক্ষত নেই। বরং সাদাকা যা দিয়েছ, তা অক্ষত আছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ কথা এ আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে, আল্লাহ তাআলা বলেন : مَا عِندَكُمْ يَنفَدُ وَمَا عِندَ اللهِ بَاقٍ "তোমাদের কাছে যা আছে, তা শেষ হয়ে যাবে; আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা টিকে থাকবে।" (সুরা আন-নাহল, ১৬: ৯৬)'

টিকাঃ
২৫০. মুসনাদু আহমাদ: ২৩৯৮০; ইবনে হাজার (রহ) এ হাদিসকে হাসান বলেছেন: ৩/৩৩৪। আলবানি (রহ) ২১ এ হাদিসকে সহিহ বলেছেন (আত-তারগিব ওয়াত তারহিব ৮৬৫)।
২৫১. সুনানু আবি দাউদ: ১৭০০, সুনানুন নাসায়ি ২৫৪৯। শব্দউৎস: সুনানুন নাসায়ি। হাদিসের মান: হাসান।
২৫২. ফাতহুল বারি: ৩/৩০০। ঈষৎ পরিমার্জিত।
২৫৩. সুনানুত তিরমিজি: ২৩৯৪। হাদিসের মান সহিহ।
২৫৪. তুহফাতুল আহওয়াজি: ৭/১৪২।

আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেন, "আয়িশা, এক ফালি খেজুর সাদাকা করে হলেও জাহান্নাম থেকে নিজেকে রক্ষা করো। কেননা, এক ফালি খেজুরও ক্ষুধার্তের তৃপ্তির কারণ হয়।"'

এক ফালি খেজুর বলে এখানে খুব অল্প জিনিস বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ সামান্য পরিমাণ হলেও সাদাকা করো।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশা (রা)-কে সাদাকা ও নেক আমলের মাধ্যমে নিজেকে জাহান্নাম থেকে আড়াল করতে বলেছেন। যদিও সেই সাদাকা ও নেক আমলের পরিমাণ খুবই অল্প হয়। সামান্য সাদাকাও মানুষকে জাহান্নাম থেকে আড়াল করে ফেলে।

আয়িশা (রা) আরও বলেন, 'এক ফকির আমার কাছে এল। তখন আমার ঘরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন। তাকে কিছু দেওয়ার জন্য (খাদিমাকে) আদেশ দিলাম আমি। এরপর সাদাকার বস্তুটা নিয়ে আসার জন্য বললাম। সেটার প্রতি তাকালাম। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তুমি কি চাও না যে তোমার অগোচরে ঘরে কোনো কিছু প্রবেশ করুক বা বের হোক?" আমি বললাম, "হাঁ।" রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "যেতে দাও, আয়িশা, হিসেব কোরো না, তুমি হিসেব করলে আল্লাহও তোমায় হিসেব করে দেবেন।"

ইবনে হাজার (রহ) বলেন, 'হিসেব করে দেওয়ার অর্থ-কোনো কিছুর নির্দিষ্ট ওজন বা সংখ্যা জানা। আর অনেকে সম্পদ শেষ হয়ে যাওয়ার ভয়ে সাদাকা করে না। সাদাকা না করার এ মনোবৃত্তি নিষিদ্ধ হয়েছে এ হাদিসে। এমন মনোবৃত্তি সম্পদ থেকে বরকত রহিত হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। কেননা, আল্লাহ তাআলা দানের প্রতিদানে অনেক সাওয়াব দিয়ে থাকেন। তাই যে ব্যক্তি অগণিত পুরস্কার পেতে চায়, সে যেন দানের সময় হিসেবি না হয়, কৃপণতা না করে। আর যে ব্যক্তি বিশ্বাস করে আল্লাহ তাআলা অগণিত রিজিক দিতে পারেন, তার ওপর কর্তব্য হচ্ছে, বিনা হিসেবে দান করা।'

'পরিবারের লোকেরা যখন ছাগল জবাই করতেন, তখন তিনি জিজ্ঞেস করতেন, "সাদাকা দেওয়ার পর কতটুকু আর বাকি আছে?" আয়িশা (রা) বললেন, "কাঁধের গোশতটুকু।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তবে তো কাঁধের গোশত ছাড়া আর সবটাই অক্ষত আছে (সাদাকা দিয়ে)।"'

'অর্থাৎ তোমার কাছে কাঁধের যে গোশতটুকু আছে, সেটা অক্ষত নেই। বরং সাদাকা যা দিয়েছ, তা অক্ষত আছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ কথা এ আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে, আল্লাহ তাআলা বলেন : مَا عِندَكُمْ يَنفَدُ وَمَا عِندَ اللهِ بَاقٍ "তোমাদের কাছে যা আছে, তা শেষ হয়ে যাবে; আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা টিকে থাকবে।" (সুরা আন-নাহল, ১৬: ৯৬)'

টিকাঃ
২৫০. মুসনাদু আহমাদ: ২৩৯৮০; ইবনে হাজার (রহ) এ হাদিসকে হাসান বলেছেন: ৩/৩৩৪। আলবানি (রহ) ২১ এ হাদিসকে সহিহ বলেছেন (আত-তারগিব ওয়াত তারহিব ৮৬৫)।
২৫১. সুনানু আবি দাউদ: ১৭০০, সুনানুন নাসায়ি ২৫৪৯। শব্দউৎস: সুনানুন নাসায়ি। হাদিসের মান: হাসান।
২৫২. ফাতহুল বারি: ৩/৩০০। ঈষৎ পরিমার্জিত।
২৫৩. সুনানুত তিরমিজি: ২৩৯৪। হাদিসের মান সহিহ।
২৫৪. তুহফাতুল আহওয়াজি: ৭/১৪২।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 স্ত্রীদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশি সাদাকা করবে, সে সবার আগে রাসূল ﷺ-এর সঙ্গে মিলিত হবে

📄 স্ত্রীদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশি সাদাকা করবে, সে সবার আগে রাসূল ﷺ-এর সঙ্গে মিলিত হবে


আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার বললেন, "তোমাদের মধ্যে যার হাত সবচেয়ে লম্বা, সে-ই মৃত্যুর পর আমার সাথে সবার আগে মিলিত হবে।"' আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা শুনে আমরা নিজেদের হাত মাপ দিতে থাকলাম। (সবার মাঝে সাওদার (রা) হাতই লম্বা ছিল। কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যুর পর তাঁর কাছে প্রথম জাইনাবই (রা) যায়।) আসলে আমাদের মাঝে সবচেয়ে লম্বা হাতের অধিকারী ছিল জাইনাব (রা)। জাইনাব (রা) হাতে কাজ করত এবং সাদাকা করত।'

'হাদিসের মর্মার্থ হচ্ছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা শুনে উম্মুল মুমিনিনদের ধারণা হলো বাহ্যিকভাবে হাত লম্বা হওয়ার কথাই তিনি বলেছেন। তাই তারা বাঁশের কাঠি নিয়ে তাদের হাত মাপতে লাগলেন। দেখা গেল, সবার মাঝে সাওদা (রা)-এর হাত বেশি লম্বা। অন্যদিকে জাইনাব (রা) কল্যাণের কাজ ও সাদাকার দিক থেকে সবার চেয়ে বেশি অগ্রসর ছিলেন। জাইনাব (রা)-ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীদের মধ্যে সবার আগে মৃত্যুবরণ করেন। ফলে তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথার মর্মার্থ বুঝতে পারলেন যে, হাত লম্বার অর্থ সাদাকা ও উদারতায় এগিয়ে থাকা।'

ইবনে হাজার (রহ) বলেন, 'এ হাদিসে প্রমাণিত হচ্ছে, সক্ষমতা থাকাকালীন কেউ অধিক পরিমাণে দান করলে সে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে জান্নাতে মিলিত হবে। আর এ তো সৌভাগ্যের সর্বোচ্চ চূড়া।'

টিকাঃ
২৫৫. সহিহুল বুখারি: ১৪২০, সহিহু মুসলিম: ২৪৫২।
২৫৬. ইমাম নববি (রহ) ২৪ কৃত শারহু সহিহি মুসলিম: ১৬/৮।
২৫৭. ফাতহুল বারি: ৩/২৮৬।

আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার বললেন, "তোমাদের মধ্যে যার হাত সবচেয়ে লম্বা, সে-ই মৃত্যুর পর আমার সাথে সবার আগে মিলিত হবে।"' আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা শুনে আমরা নিজেদের হাত মাপ দিতে থাকলাম। (সবার মাঝে সাওদার (রা) হাতই লম্বা ছিল। কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যুর পর তাঁর কাছে প্রথম জাইনাবই (রা) যায়।) আসলে আমাদের মাঝে সবচেয়ে লম্বা হাতের অধিকারী ছিল জাইনাব (রা)। জাইনাব (রা) হাতে কাজ করত এবং সাদাকা করত।'

'হাদিসের মর্মার্থ হচ্ছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা শুনে উম্মুল মুমিনিনদের ধারণা হলো বাহ্যিকভাবে হাত লম্বা হওয়ার কথাই তিনি বলেছেন। তাই তারা বাঁশের কাঠি নিয়ে তাদের হাত মাপতে লাগলেন। দেখা গেল, সবার মাঝে সাওদা (রা)-এর হাত বেশি লম্বা। অন্যদিকে জাইনাব (রা) কল্যাণের কাজ ও সাদাকার দিক থেকে সবার চেয়ে বেশি অগ্রসর ছিলেন। জাইনাব (রা)-ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীদের মধ্যে সবার আগে মৃত্যুবরণ করেন। ফলে তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথার মর্মার্থ বুঝতে পারলেন যে, হাত লম্বার অর্থ সাদাকা ও উদারতায় এগিয়ে থাকা।'

ইবনে হাজার (রহ) বলেন, 'এ হাদিসে প্রমাণিত হচ্ছে, সক্ষমতা থাকাকালীন কেউ অধিক পরিমাণে দান করলে সে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে জান্নাতে মিলিত হবে। আর এ তো সৌভাগ্যের সর্বোচ্চ চূড়া।'

টিকাঃ
২৫৫. সহিহুল বুখারি: ১৪২০, সহিহু মুসলিম: ২৪৫২।
২৫৬. ইমাম নববি (রহ) ২৪ কৃত শারহু সহিহি মুসলিম: ১৬/৮।
২৫৭. ফাতহুল বারি: ৩/২৮৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00