📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 সবচেয়ে আদায়যোগ্য উত্তম ইবাদতের নির্দেশনা দিতেন

📄 সবচেয়ে আদায়যোগ্য উত্তম ইবাদতের নির্দেশনা দিতেন


আয়িশা (রা) বলেন, 'আমার প্রবল ইচ্ছে ছিল বাইতুল্লাহর ভেতরে গিয়ে নামাজ পড়ব। একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরে এগিয়ে গেলেন। হিজরে নিয়ে দাঁড় করালেন আমাকে। বললেন, "যখন বাইতুল্লাহয় নামাজ পড়ার ইচ্ছে জাগবে, তখন হিজরে নামাজ পড়ে নেবে। কারণ, এটি বাইতুল্লাহরই অংশ।"

টিকাঃ
২৪৪. সুনানুত তিরমিজি: ৮০২, সুনানুন নাসায়ি ২৯১২। হাদিসের মান: সহিহ।

আয়িশা (রা) বলেন, 'আমার প্রবল ইচ্ছে ছিল বাইতুল্লাহর ভেতরে গিয়ে নামাজ পড়ব। একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরে এগিয়ে গেলেন। হিজরে নিয়ে দাঁড় করালেন আমাকে। বললেন, "যখন বাইতুল্লাহয় নামাজ পড়ার ইচ্ছে জাগবে, তখন হিজরে নামাজ পড়ে নেবে। কারণ, এটি বাইতুল্লাহরই অংশ।"

টিকাঃ
২৪৪. সুনানুত তিরমিজি: ৮০২, সুনানুন নাসায়ি ২৯১২। হাদিসের মান: সহিহ।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 ইবাদতে মধ্যমপন্থা অবলম্বনের আদেশ দিতেন

📄 ইবাদতে মধ্যমপন্থা অবলম্বনের আদেশ দিতেন


আনাস (রা) বলেন, 'একদিনের কথা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে এসে দেখলেন, মসজিদে দুটি সারির মাঝে রশি বাঁধা। তিনি বললেন, "এ রশি কেন?" সাহাবিরা (রা) বললেন, "এটি জাইনাবের (রা) রশি। তিনি নামাজ পড়তে থাকেন। যখন অলসতা আসে বা শরীর অবসন্ন হয়, তখন এর সাহায্য নেন।" রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "এ রশি খুলে ফেলো। তোমরা যতক্ষণ শরীরে উদ্যম অনুভব করবে, ততক্ষণ নামাজ পড়বে। যখন শরীর ক্লান্ত বা অবসন্ন হয়ে পড়ে, তখন বসে পড়বে।"'

ইমাম নববি (রহ) বলেন, 'এ হাদিস থেকে প্রমাণিত হচ্ছে, ইবাদতে মধ্যমপন্থা অনুসরণ করতে হবে। ইবাদতের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি নিষিদ্ধ। ইবাদত করতে হবে উদ্যম ও প্রাণবন্ততার সাথে। কিন্তু ইবাদত করতে করতে যখন শরীর অবসন্ন হয়ে পড়ে, তখন আরাম করতে হবে যতক্ষণ না অবসন্নতা কেটে যায়।'

টিকাঃ
২৪৫. সহিহুল বুখারি: ১১৫০, সহিহু মুসলিম: ৭৮৪।
২৪৬. ইমাম নববি (রহ) কৃত শারহু সহিহি মুসলিম: ৬/৭৩।

আনাস (রা) বলেন, 'একদিনের কথা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে এসে দেখলেন, মসজিদে দুটি সারির মাঝে রশি বাঁধা। তিনি বললেন, "এ রশি কেন?" সাহাবিরা (রা) বললেন, "এটি জাইনাবের (রা) রশি। তিনি নামাজ পড়তে থাকেন। যখন অলসতা আসে বা শরীর অবসন্ন হয়, তখন এর সাহায্য নেন।" রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "এ রশি খুলে ফেলো। তোমরা যতক্ষণ শরীরে উদ্যম অনুভব করবে, ততক্ষণ নামাজ পড়বে। যখন শরীর ক্লান্ত বা অবসন্ন হয়ে পড়ে, তখন বসে পড়বে।"'

ইমাম নববি (রহ) বলেন, 'এ হাদিস থেকে প্রমাণিত হচ্ছে, ইবাদতে মধ্যমপন্থা অনুসরণ করতে হবে। ইবাদতের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি নিষিদ্ধ। ইবাদত করতে হবে উদ্যম ও প্রাণবন্ততার সাথে। কিন্তু ইবাদত করতে করতে যখন শরীর অবসন্ন হয়ে পড়ে, তখন আরাম করতে হবে যতক্ষণ না অবসন্নতা কেটে যায়।'

টিকাঃ
২৪৫. সহিহুল বুখারি: ১১৫০, সহিহু মুসলিম: ৭৮৪।
২৪৬. ইমাম নববি (রহ) কৃত শারহু সহিহি মুসলিম: ৬/৭৩।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 সারা রাত নিজস্ব ইবাদতের কথা শুনে অপছন্দ করলেন

📄 সারা রাত নিজস্ব ইবাদতের কথা শুনে অপছন্দ করলেন


আয়িশা (রা) হতে বর্ণিত, 'হাওলা বিনতে তুয়াইত (রা) নামের এক নারী এলেন আয়িশা (রা)-এর কাছে। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশার (রা) ঘরে। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানালেন, "এ হাওলা (রা)। লোকেরা ধারণা করে সে রাতে ঘুমায় না। পুরো রাত ইবাদতে কাটিয়ে দেয়।" এ শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "সে রাতেও ঘুমায় না?! তোমরা সামর্থ্য অনুযায়ী ইবাদত করো। আল্লাহর কসম, তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত হবে না, ততক্ষণ আল্লাহ সাওয়াব দিতে থাকবেন।"'

'সে রাতেও ঘুমায় না?'-এই প্রশ্ন থেকে বোঝা গেল, এ রকম সারা রাত নির্ঘুম কাটিয়ে দেওয়া তাঁর পছন্দ নয়। এটি ইবাদতে বাড়াবাড়ির নামান্তর।

টিকাঃ
২৪৭. সহিহুল বুখারি: ৪৩, সহিহু মুসলিম: ৭৮৫। শব্দউৎস: সহিহু মুসলিম।

আয়িশা (রা) হতে বর্ণিত, 'হাওলা বিনতে তুয়াইত (রা) নামের এক নারী এলেন আয়িশা (রা)-এর কাছে। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশার (রা) ঘরে। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানালেন, "এ হাওলা (রা)। লোকেরা ধারণা করে সে রাতে ঘুমায় না। পুরো রাত ইবাদতে কাটিয়ে দেয়।" এ শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "সে রাতেও ঘুমায় না?! তোমরা সামর্থ্য অনুযায়ী ইবাদত করো। আল্লাহর কসম, তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত হবে না, ততক্ষণ আল্লাহ সাওয়াব দিতে থাকবেন।"'

'সে রাতেও ঘুমায় না?'-এই প্রশ্ন থেকে বোঝা গেল, এ রকম সারা রাত নির্ঘুম কাটিয়ে দেওয়া তাঁর পছন্দ নয়। এটি ইবাদতে বাড়াবাড়ির নামান্তর।

টিকাঃ
২৪৭. সহিহুল বুখারি: ৪৩, সহিহু মুসলিম: ৭৮৫। শব্দউৎস: সহিহু মুসলিম।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 আমল কম হলেও নিয়মিত করার প্রতি উৎসাহ দিতেন

📄 আমল কম হলেও নিয়মিত করার প্রতি উৎসাহ দিতেন


আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল হচ্ছে নিয়মিত কৃত আমল; যদিও তা কম হয়।"

কাসিম বিন মুহাম্মাদ (রহ) বলেন, 'আয়িশা (রা) কোনো আমল করলে সে আমলটা অবধারিত করে নিতেন নিজের জন্য।'

ইবনুল জাওজি (রহ) বলেন, 'দুই কারণে নিয়মিত আমল পছন্দনীয়:

এক. কোনো আমল ছেড়ে দেওয়া সে আমল থেকে বিমুখ হওয়ার মতো।

দুই. কোনো আমল নিয়মিত করা মনিবের সেবায় প্রতিটি সময় লেগে থাকার মতো। এক লোক মনিবের সেবার উদ্দেশ্যে দরোজার পাশে দিনের একটি অংশ দাঁড়িয়ে থাকল। দ্বিতীয় আরেক ব্যক্তি মনিবের সেবার উদ্দেশ্যে দরোজার পাশে সারা দিন দাঁড়িয়ে থাকল। এখানে দ্বিতীয় ব্যক্তিটিই উত্তম প্রথম ব্যক্তির তুলনায়। দ্বিতীয় ব্যক্তির সাদৃশ্য নিয়মিত আমলকারীর সাথে।'

টিকাঃ
২৪৮. সহিহুল বুখারি: ৬৪৬৫, সহিহু মুসলিম ৭৮৩। শব্দউৎস: সহিহু মুসলিম।
২৪৯. ফাতহুল বারি: ১/১০৩।

আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল হচ্ছে নিয়মিত কৃত আমল; যদিও তা কম হয়।"

কাসিম বিন মুহাম্মাদ (রহ) বলেন, 'আয়িশা (রা) কোনো আমল করলে সে আমলটা অবধারিত করে নিতেন নিজের জন্য।'

ইবনুল জাওজি (রহ) বলেন, 'দুই কারণে নিয়মিত আমল পছন্দনীয়:

এক. কোনো আমল ছেড়ে দেওয়া সে আমল থেকে বিমুখ হওয়ার মতো।

দুই. কোনো আমল নিয়মিত করা মনিবের সেবায় প্রতিটি সময় লেগে থাকার মতো। এক লোক মনিবের সেবার উদ্দেশ্যে দরোজার পাশে দিনের একটি অংশ দাঁড়িয়ে থাকল। দ্বিতীয় আরেক ব্যক্তি মনিবের সেবার উদ্দেশ্যে দরোজার পাশে সারা দিন দাঁড়িয়ে থাকল। এখানে দ্বিতীয় ব্যক্তিটিই উত্তম প্রথম ব্যক্তির তুলনায়। দ্বিতীয় ব্যক্তির সাদৃশ্য নিয়মিত আমলকারীর সাথে।'

টিকাঃ
২৪৮. সহিহুল বুখারি: ৬৪৬৫, সহিহু মুসলিম ৭৮৩। শব্দউৎস: সহিহু মুসলিম।
২৪৯. ফাতহুল বারি: ১/১০৩।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00