📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 স্ত্রীদেরকে অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার শিক্ষা দিতেন

📄 স্ত্রীদেরকে অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার শিক্ষা দিতেন


আয়িশা (রা) বলেন, 'একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরলেন। চাঁদের দিকে ইশারা করে বললেন, "আয়িশা, এ জিনিসের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। কারণ, এটিই অন্ধকার রাতকে সমাগতকারী।"'

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাত থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়ার আদেশ দিলেন। কারণ, রাতের বেলায়ই অনিষ্টতার সয়লাব ঘটে। 'তবে রাত অনিষ্ট হওয়ার কারণ চাঁদ নয়। চাঁদ তো কেবল রাতের একটা চিহ্ন মাত্র। রাতের বেলায়-ই তো চাঁদ ওঠে।'

এ হাদিসে স্ত্রীকে শেখানোর ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতটা গুরুত্ব দিতেন, তার চিত্র উঠে এসেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে আয়িশা (রা)-এর হাত ধরলেন। এরপর উদ্দিষ্ট বস্তুর প্রতি ইঙ্গিত করে করণীয় বললেন। বললেন তার কারণ।

টিকাঃ
২৪০. সুনানুত তিরমিজি: ৩২৮৮। হাদিসের মান: সহিহ।
২৪১. তাফসিরু ইবনি কাসির: ৮/৫৩৬।

আয়িশা (রা) বলেন, 'একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরলেন। চাঁদের দিকে ইশারা করে বললেন, "আয়িশা, এ জিনিসের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। কারণ, এটিই অন্ধকার রাতকে সমাগতকারী।"'

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাত থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়ার আদেশ দিলেন। কারণ, রাতের বেলায়ই অনিষ্টতার সয়লাব ঘটে। 'তবে রাত অনিষ্ট হওয়ার কারণ চাঁদ নয়। চাঁদ তো কেবল রাতের একটা চিহ্ন মাত্র। রাতের বেলায়-ই তো চাঁদ ওঠে।'

এ হাদিসে স্ত্রীকে শেখানোর ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতটা গুরুত্ব দিতেন, তার চিত্র উঠে এসেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে আয়িশা (রা)-এর হাত ধরলেন। এরপর উদ্দিষ্ট বস্তুর প্রতি ইঙ্গিত করে করণীয় বললেন। বললেন তার কারণ।

টিকাঃ
২৪০. সুনানুত তিরমিজি: ৩২৮৮। হাদিসের মান: সহিহ।
২৪১. তাফসিরু ইবনি কাসির: ৮/৫৩৬।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 স্ত্রীদের উপকারী জিকির শেখাতেন

📄 স্ত্রীদের উপকারী জিকির শেখাতেন


জুয়াইরিয়া (রা) বলেন, 'ফজরের সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছ থেকে বেরিয়ে গেলেন। এরপর চাশতের সময় ফিরে এসে দেখলেন, তিনি বসে আছেন নামাজের জায়গায়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তোমাকে ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তুমি এভাবেই বসে আছ?" জুয়াইরিয়া (রা) বললেন, "হাঁ।” এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তোমাকে ছেড়ে যাওয়ার পর আমি চারটি বাক্য তিনবার করে বলেছি। যদি আমার সে জিকির আজকের দিনে তোমার পঠিত জিকিরের সাথে ওজন দেওয়া হয়, তবে এ কালিমা চারটির জিকিরের সমান হবে। জিকিরটি হচ্ছে-

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ، عَدَدَ خَلْقِهِ وَرِضَا نَفْسِهِ وَزِنَةَ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ

"আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি-তাঁর সৃষ্ট বস্তুসমূহের সংখ্যার সমান, তাঁর নিজের সন্তোষের সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান এবং তাঁর বাণীসমূহ লেখার কালি পরিমাণ (অগণিত অসংখ্য)।"'

'কিছু জিকির আছে বিশেষ মাহাত্ম্যবিশিষ্ট। ব্যাপকতা এবং রবের নাম ও গুণের সমাহারে এ জিকিরগুলোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকে। তাই অন্যান্য জিকির অনেক সময় ধরে করা হলেও সেগুলোর তুলনায় এ জিকিরের কয়েকবার পাঠই উত্তম হয়।'

টিকাঃ
২৪২. সহিহু মুসলিম: ২৭২৬।
২৪৩. হাশিয়াতুস সুযুতি ওয়াস সিনদি আলা সুনানিন নাসায়ি: ৩/৭৮।

জুয়াইরিয়া (রা) বলেন, 'ফজরের সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছ থেকে বেরিয়ে গেলেন। এরপর চাশতের সময় ফিরে এসে দেখলেন, তিনি বসে আছেন নামাজের জায়গায়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তোমাকে ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তুমি এভাবেই বসে আছ?" জুয়াইরিয়া (রা) বললেন, "হাঁ।” এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তোমাকে ছেড়ে যাওয়ার পর আমি চারটি বাক্য তিনবার করে বলেছি। যদি আমার সে জিকির আজকের দিনে তোমার পঠিত জিকিরের সাথে ওজন দেওয়া হয়, তবে এ কালিমা চারটির জিকিরের সমান হবে। জিকিরটি হচ্ছে-

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ، عَدَدَ خَلْقِهِ وَرِضَا نَفْسِهِ وَزِنَةَ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ

"আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি-তাঁর সৃষ্ট বস্তুসমূহের সংখ্যার সমান, তাঁর নিজের সন্তোষের সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান এবং তাঁর বাণীসমূহ লেখার কালি পরিমাণ (অগণিত অসংখ্য)।"'

'কিছু জিকির আছে বিশেষ মাহাত্ম্যবিশিষ্ট। ব্যাপকতা এবং রবের নাম ও গুণের সমাহারে এ জিকিরগুলোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকে। তাই অন্যান্য জিকির অনেক সময় ধরে করা হলেও সেগুলোর তুলনায় এ জিকিরের কয়েকবার পাঠই উত্তম হয়।'

টিকাঃ
২৪২. সহিহু মুসলিম: ২৭২৬।
২৪৩. হাশিয়াতুস সুযুতি ওয়াস সিনদি আলা সুনানিন নাসায়ি: ৩/৭৮।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 সবচেয়ে আদায়যোগ্য উত্তম ইবাদতের নির্দেশনা দিতেন

📄 সবচেয়ে আদায়যোগ্য উত্তম ইবাদতের নির্দেশনা দিতেন


আয়িশা (রা) বলেন, 'আমার প্রবল ইচ্ছে ছিল বাইতুল্লাহর ভেতরে গিয়ে নামাজ পড়ব। একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরে এগিয়ে গেলেন। হিজরে নিয়ে দাঁড় করালেন আমাকে। বললেন, "যখন বাইতুল্লাহয় নামাজ পড়ার ইচ্ছে জাগবে, তখন হিজরে নামাজ পড়ে নেবে। কারণ, এটি বাইতুল্লাহরই অংশ।"

টিকাঃ
২৪৪. সুনানুত তিরমিজি: ৮০২, সুনানুন নাসায়ি ২৯১২। হাদিসের মান: সহিহ।

আয়িশা (রা) বলেন, 'আমার প্রবল ইচ্ছে ছিল বাইতুল্লাহর ভেতরে গিয়ে নামাজ পড়ব। একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরে এগিয়ে গেলেন। হিজরে নিয়ে দাঁড় করালেন আমাকে। বললেন, "যখন বাইতুল্লাহয় নামাজ পড়ার ইচ্ছে জাগবে, তখন হিজরে নামাজ পড়ে নেবে। কারণ, এটি বাইতুল্লাহরই অংশ।"

টিকাঃ
২৪৪. সুনানুত তিরমিজি: ৮০২, সুনানুন নাসায়ি ২৯১২। হাদিসের মান: সহিহ।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 ইবাদতে মধ্যমপন্থা অবলম্বনের আদেশ দিতেন

📄 ইবাদতে মধ্যমপন্থা অবলম্বনের আদেশ দিতেন


আনাস (রা) বলেন, 'একদিনের কথা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে এসে দেখলেন, মসজিদে দুটি সারির মাঝে রশি বাঁধা। তিনি বললেন, "এ রশি কেন?" সাহাবিরা (রা) বললেন, "এটি জাইনাবের (রা) রশি। তিনি নামাজ পড়তে থাকেন। যখন অলসতা আসে বা শরীর অবসন্ন হয়, তখন এর সাহায্য নেন।" রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "এ রশি খুলে ফেলো। তোমরা যতক্ষণ শরীরে উদ্যম অনুভব করবে, ততক্ষণ নামাজ পড়বে। যখন শরীর ক্লান্ত বা অবসন্ন হয়ে পড়ে, তখন বসে পড়বে।"'

ইমাম নববি (রহ) বলেন, 'এ হাদিস থেকে প্রমাণিত হচ্ছে, ইবাদতে মধ্যমপন্থা অনুসরণ করতে হবে। ইবাদতের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি নিষিদ্ধ। ইবাদত করতে হবে উদ্যম ও প্রাণবন্ততার সাথে। কিন্তু ইবাদত করতে করতে যখন শরীর অবসন্ন হয়ে পড়ে, তখন আরাম করতে হবে যতক্ষণ না অবসন্নতা কেটে যায়।'

টিকাঃ
২৪৫. সহিহুল বুখারি: ১১৫০, সহিহু মুসলিম: ৭৮৪।
২৪৬. ইমাম নববি (রহ) কৃত শারহু সহিহি মুসলিম: ৬/৭৩।

আনাস (রা) বলেন, 'একদিনের কথা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে এসে দেখলেন, মসজিদে দুটি সারির মাঝে রশি বাঁধা। তিনি বললেন, "এ রশি কেন?" সাহাবিরা (রা) বললেন, "এটি জাইনাবের (রা) রশি। তিনি নামাজ পড়তে থাকেন। যখন অলসতা আসে বা শরীর অবসন্ন হয়, তখন এর সাহায্য নেন।" রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "এ রশি খুলে ফেলো। তোমরা যতক্ষণ শরীরে উদ্যম অনুভব করবে, ততক্ষণ নামাজ পড়বে। যখন শরীর ক্লান্ত বা অবসন্ন হয়ে পড়ে, তখন বসে পড়বে।"'

ইমাম নববি (রহ) বলেন, 'এ হাদিস থেকে প্রমাণিত হচ্ছে, ইবাদতে মধ্যমপন্থা অনুসরণ করতে হবে। ইবাদতের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি নিষিদ্ধ। ইবাদত করতে হবে উদ্যম ও প্রাণবন্ততার সাথে। কিন্তু ইবাদত করতে করতে যখন শরীর অবসন্ন হয়ে পড়ে, তখন আরাম করতে হবে যতক্ষণ না অবসন্নতা কেটে যায়।'

টিকাঃ
২৪৫. সহিহুল বুখারি: ১১৫০, সহিহু মুসলিম: ৭৮৪।
২৪৬. ইমাম নববি (রহ) কৃত শারহু সহিহি মুসলিম: ৬/৭৩।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00