📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 রাসূলুল্লাহ ﷺ স্ত্রীদের ইবাদত ও নফল আদায়ের শিক্ষা দিতেন

📄 রাসূলুল্লাহ ﷺ স্ত্রীদের ইবাদত ও নফল আদায়ের শিক্ষা দিতেন


উম্মে সালামা (রা) বলেন, 'একরাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভীত অবস্থায় ঘুম থেকে জেগে উঠলেন। বললেন, “পবিত্রতা বর্ণনা করছি আল্লাহ তাআলার। কত পুণ্যভান্ডার তিনি নাজিল করলেন! নাজিল করলেন কত ফিতনা! কে অন্তঃপুরবাসিনীদের জাগিয়ে দেবে নামাজ পড়ার জন্য? দুনিয়ার কত বস্ত্রাবৃতা আখিরাতে বিবস্ত্র হয়ে থাকবে।”'

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানলেন, একদিনেই অগণিত পুণ্যের ধারা ও ফিতনার দ্বার উন্মুক্ত হওয়ার কথা, তিনি ভীত ও বিস্মিত হলেন। এই অবস্থায় তিনি ঘুম থেকে জেগে উঠলেন। আশ্চর্য হলেন এ বিষয়ে মানুষের অমনোযোগিতা দেখে। পুণ্যের আধিক্য দেখে তাদের ইবাদতে মনোযোগী হওয়া উচিত; আর ফিতনার প্রাচুর্য দেখে তাদের ভীত হওয়া উচিত। তাই তিনি নামাজ আদায়ের জন্য স্ত্রীদের জাগানোর আদেশ দিলেন।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'অগণিত পুণ্যের ধারা ও ফিতনার দ্বার' উন্মুক্ত হওয়ার কথা বলে স্ত্রীদের সাবধান করে দিলেন, তারা যেন ইবাদতে গাফিলতি না করেন; রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী হওয়ার ওপর নির্ভর করে ইবাদত পরিত্যাগ না করেন।

এ হাদিস থেকে আমরা শিখতে পাই, পুরুষদের উচিত রাতের ইবাদতের জন্য স্ত্রীদের জাগিয়ে দেওয়া। বিশেষ করে দুর্যোগের সময়।

টিকাঃ
২৩৩. সহিহুল বুখারি: ৭০৬৯।

উম্মে সালামা (রা) বলেন, 'একরাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভীত অবস্থায় ঘুম থেকে জেগে উঠলেন। বললেন, “পবিত্রতা বর্ণনা করছি আল্লাহ তাআলার। কত পুণ্যভান্ডার তিনি নাজিল করলেন! নাজিল করলেন কত ফিতনা! কে অন্তঃপুরবাসিনীদের জাগিয়ে দেবে নামাজ পড়ার জন্য? দুনিয়ার কত বস্ত্রাবৃতা আখিরাতে বিবস্ত্র হয়ে থাকবে।”'

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানলেন, একদিনেই অগণিত পুণ্যের ধারা ও ফিতনার দ্বার উন্মুক্ত হওয়ার কথা, তিনি ভীত ও বিস্মিত হলেন। এই অবস্থায় তিনি ঘুম থেকে জেগে উঠলেন। আশ্চর্য হলেন এ বিষয়ে মানুষের অমনোযোগিতা দেখে। পুণ্যের আধিক্য দেখে তাদের ইবাদতে মনোযোগী হওয়া উচিত; আর ফিতনার প্রাচুর্য দেখে তাদের ভীত হওয়া উচিত। তাই তিনি নামাজ আদায়ের জন্য স্ত্রীদের জাগানোর আদেশ দিলেন।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'অগণিত পুণ্যের ধারা ও ফিতনার দ্বার' উন্মুক্ত হওয়ার কথা বলে স্ত্রীদের সাবধান করে দিলেন, তারা যেন ইবাদতে গাফিলতি না করেন; রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী হওয়ার ওপর নির্ভর করে ইবাদত পরিত্যাগ না করেন।

এ হাদিস থেকে আমরা শিখতে পাই, পুরুষদের উচিত রাতের ইবাদতের জন্য স্ত্রীদের জাগিয়ে দেওয়া। বিশেষ করে দুর্যোগের সময়।

টিকাঃ
২৩৩. সহিহুল বুখারি: ৭০৬৯।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 রমাজানের শেষ দশ রাতে কিয়ামুল লাইল ও অন্যান্য ইবাদতের জন্য স্ত্রীদের জাগিয়ে দিতেন

📄 রমাজানের শেষ দশ রাতে কিয়ামুল লাইল ও অন্যান্য ইবাদতের জন্য স্ত্রীদের জাগিয়ে দিতেন


আয়িশা (রা) বলেন, 'রমাজানের শেষ দশক এলে বেশি বেশি ইবাদতের প্রস্তুতি নিতেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। রাত জেগে নিজে ইবাদত করতেন। স্ত্রীদেরও জাগিয়ে দিতেন।'

আলি (রা) বলেছেন, 'রমাজান মাসের শেষ দশকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের জাগিয়ে তুলতেন ইবাদত করার জন্য।'

ইবনে হাজার (রহ) বলেন, 'রমাজানের শেষ দশকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের জাগিয়ে দিতেন কিয়ামুল লাইল, জিকির ও দোয়া করার জন্য। আর সারা বছর বিশেষ করে বিতরের জন্য জাগিয়ে তুলতেন। কারণ, বিতর ধারাবাহিক ও অবশ্যপালনীয় বিধানগুলোর একটি।'

সারা বছর স্ত্রীদের বিতরের জন্য জাগিয়ে দেওয়ার কথা বর্ণনা করে আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের একটা সময়ব্যাপী নামাজ পড়তেন। যখন তিনি বিতর আদায় করতেন, তখন বলতেন, "ওঠো। বিতর আদায় করো, আয়িশা (রা)।"'

টিকাঃ
২৩৪. সহিহুল বুখারি: ২০২৪, সহিহু মুসলিম: ১১৭৪।
২৩৫. সুনানুত তিরমিজি: ৭২৫। হাদিসের মান: সহিহ।
২৩৬. ফাতহুল বারি: ৬/২৫১। ঈষৎ পরিমার্জিত।
২৩৭. সহিহুল বুখারি ৫১২, সহিহু মুসলিম: ৭৪৪।

আয়িশা (রা) বলেন, 'রমাজানের শেষ দশক এলে বেশি বেশি ইবাদতের প্রস্তুতি নিতেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। রাত জেগে নিজে ইবাদত করতেন। স্ত্রীদেরও জাগিয়ে দিতেন।'

আলি (রা) বলেছেন, 'রমাজান মাসের শেষ দশকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের জাগিয়ে তুলতেন ইবাদত করার জন্য।'

ইবনে হাজার (রহ) বলেন, 'রমাজানের শেষ দশকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের জাগিয়ে দিতেন কিয়ামুল লাইল, জিকির ও দোয়া করার জন্য। আর সারা বছর বিশেষ করে বিতরের জন্য জাগিয়ে তুলতেন। কারণ, বিতর ধারাবাহিক ও অবশ্যপালনীয় বিধানগুলোর একটি।'

সারা বছর স্ত্রীদের বিতরের জন্য জাগিয়ে দেওয়ার কথা বর্ণনা করে আয়িশা (রা) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের একটা সময়ব্যাপী নামাজ পড়তেন। যখন তিনি বিতর আদায় করতেন, তখন বলতেন, "ওঠো। বিতর আদায় করো, আয়িশা (রা)।"'

টিকাঃ
২৩৪. সহিহুল বুখারি: ২০২৪, সহিহু মুসলিম: ১১৭৪।
২৩৫. সুনানুত তিরমিজি: ৭২৫। হাদিসের মান: সহিহ।
২৩৬. ফাতহুল বারি: ৬/২৫১। ঈষৎ পরিমার্জিত।
২৩৭. সহিহুল বুখারি ৫১২, সহিহু মুসলিম: ৭৪৪।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 স্ত্রীদের ইখলাসের শিক্ষা দিতেন

📄 স্ত্রীদের ইখলাসের শিক্ষা দিতেন


আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত আছে, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইতিকাফের ইচ্ছে করতেন, ফজরের নামাজ পড়ে সে স্থানে আসতেন, যেখানে তিনি ইতিকাফের জন্য অবস্থান করবেন। একবার রমাজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করার ইচ্ছে করলেন তিনি। আদেশ করলেন তাঁবু খাটাবার। আয়িশা (রা)-ও ইতিকাফ করার অনুমতি চাইলেন তাঁর কাছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমতি দিলে তার জন্যও তাঁবু খাটানো হলো। ইতিকাফের কথা হাফসা (রা)-এর কানে এল। তিনিও তৈরি করলেন একটি তাঁবু। জাইনাব (রা) শুনে তিনিও বসালেন আরেকটি তাঁবু। সকালবেলা তিনি দেখলেন, দুটোর জায়গায় চারটি তাঁবু। জানতে চাইলেন, "এগুলো কী?” উম্মুল মুমিনদের তাঁবু খাটানোর কথা জানানো হলো তাঁকে। শুনে তিনি বললেন, "তারা কি সাওয়াবের আশায় এরূপ করেছে?"

অন্য বর্ণনায় এসেছে, "এমনটা করার কারণ কী? নেক নিয়ত?" এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁবুগুলো তুলে দেওয়ার আদেশ দিলেন। বললেন, "এগুলো তুলে ফেলো। এগুলো আমি দেখতে চাই না।"

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশমতো তাঁবুগুলো তুলে দেওয়া হলো। রমাজানে আর তিনি ইতিকাফ করেননি। শাওয়াল মাসের প্রথম দশ দিন ইতিকাফ করে নেন।'

স্ত্রীদের এ প্রতিযোগিতা ইখলাসের ওপর ভিত্তি করে নয় বলে তাঁর আশঙ্কা হয়েছিল। তিনি আশঙ্কা করেছিলেন তাঁর আশপাশে থাকা বা তাঁকে নিয়ে ঈর্ষান্বিত হয়ে স্ত্রীরা তাঁবু খাটিয়েছে। তাই তাঁবু উঠিয়ে দেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন তিনি।

ইবনে হাজার (রহ) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আশঙ্কা হয়েছিল ইতিকাফের জন্য স্ত্রীদের তাঁবু-খাটানো আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য নয়; বরং ঈর্ষা ও অহংকারের প্রতিযোগিতার বশবর্তী হয়ে এমনটা করেছে তারা। তাদের এ কাজের পেছনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে থাকার আশাই নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। ফলে তাদের ইতিকাফের উদ্দেশ্য-আল্লাহর সন্তষ্টির বদলে অন্য কিছু হয়ে যাওয়ায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁবু তুলে ফেলার নির্দেশ দিলেন।'

টিকাঃ
২৩৮. সহিহুল বুখারি: ২০৩৩, সহিহু মুসলিম: ১১৭৩।
২৩৯. ফাতহুল বারি: ৪/২৭৬।

আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত আছে, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইতিকাফের ইচ্ছে করতেন, ফজরের নামাজ পড়ে সে স্থানে আসতেন, যেখানে তিনি ইতিকাফের জন্য অবস্থান করবেন। একবার রমাজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করার ইচ্ছে করলেন তিনি। আদেশ করলেন তাঁবু খাটাবার। আয়িশা (রা)-ও ইতিকাফ করার অনুমতি চাইলেন তাঁর কাছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমতি দিলে তার জন্যও তাঁবু খাটানো হলো। ইতিকাফের কথা হাফসা (রা)-এর কানে এল। তিনিও তৈরি করলেন একটি তাঁবু। জাইনাব (রা) শুনে তিনিও বসালেন আরেকটি তাঁবু। সকালবেলা তিনি দেখলেন, দুটোর জায়গায় চারটি তাঁবু। জানতে চাইলেন, "এগুলো কী?” উম্মুল মুমিনদের তাঁবু খাটানোর কথা জানানো হলো তাঁকে। শুনে তিনি বললেন, "তারা কি সাওয়াবের আশায় এরূপ করেছে?"

অন্য বর্ণনায় এসেছে, "এমনটা করার কারণ কী? নেক নিয়ত?" এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁবুগুলো তুলে দেওয়ার আদেশ দিলেন। বললেন, "এগুলো তুলে ফেলো। এগুলো আমি দেখতে চাই না।"

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশমতো তাঁবুগুলো তুলে দেওয়া হলো। রমাজানে আর তিনি ইতিকাফ করেননি। শাওয়াল মাসের প্রথম দশ দিন ইতিকাফ করে নেন।'

স্ত্রীদের এ প্রতিযোগিতা ইখলাসের ওপর ভিত্তি করে নয় বলে তাঁর আশঙ্কা হয়েছিল। তিনি আশঙ্কা করেছিলেন তাঁর আশপাশে থাকা বা তাঁকে নিয়ে ঈর্ষান্বিত হয়ে স্ত্রীরা তাঁবু খাটিয়েছে। তাই তাঁবু উঠিয়ে দেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন তিনি।

ইবনে হাজার (রহ) বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আশঙ্কা হয়েছিল ইতিকাফের জন্য স্ত্রীদের তাঁবু-খাটানো আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য নয়; বরং ঈর্ষা ও অহংকারের প্রতিযোগিতার বশবর্তী হয়ে এমনটা করেছে তারা। তাদের এ কাজের পেছনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে থাকার আশাই নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। ফলে তাদের ইতিকাফের উদ্দেশ্য-আল্লাহর সন্তষ্টির বদলে অন্য কিছু হয়ে যাওয়ায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁবু তুলে ফেলার নির্দেশ দিলেন।'

টিকাঃ
২৩৮. সহিহুল বুখারি: ২০৩৩, সহিহু মুসলিম: ১১৭৩।
২৩৯. ফাতহুল বারি: ৪/২৭৬।

📘 যেমন ছিলেন তিনি ﷺ > 📄 স্ত্রীদেরকে অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার শিক্ষা দিতেন

📄 স্ত্রীদেরকে অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার শিক্ষা দিতেন


আয়িশা (রা) বলেন, 'একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরলেন। চাঁদের দিকে ইশারা করে বললেন, "আয়িশা, এ জিনিসের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। কারণ, এটিই অন্ধকার রাতকে সমাগতকারী।"'

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাত থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়ার আদেশ দিলেন। কারণ, রাতের বেলায়ই অনিষ্টতার সয়লাব ঘটে। 'তবে রাত অনিষ্ট হওয়ার কারণ চাঁদ নয়। চাঁদ তো কেবল রাতের একটা চিহ্ন মাত্র। রাতের বেলায়-ই তো চাঁদ ওঠে।'

এ হাদিসে স্ত্রীকে শেখানোর ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতটা গুরুত্ব দিতেন, তার চিত্র উঠে এসেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে আয়িশা (রা)-এর হাত ধরলেন। এরপর উদ্দিষ্ট বস্তুর প্রতি ইঙ্গিত করে করণীয় বললেন। বললেন তার কারণ।

টিকাঃ
২৪০. সুনানুত তিরমিজি: ৩২৮৮। হাদিসের মান: সহিহ।
২৪১. তাফসিরু ইবনি কাসির: ৮/৫৩৬।

আয়িশা (রা) বলেন, 'একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরলেন। চাঁদের দিকে ইশারা করে বললেন, "আয়িশা, এ জিনিসের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। কারণ, এটিই অন্ধকার রাতকে সমাগতকারী।"'

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাত থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়ার আদেশ দিলেন। কারণ, রাতের বেলায়ই অনিষ্টতার সয়লাব ঘটে। 'তবে রাত অনিষ্ট হওয়ার কারণ চাঁদ নয়। চাঁদ তো কেবল রাতের একটা চিহ্ন মাত্র। রাতের বেলায়-ই তো চাঁদ ওঠে।'

এ হাদিসে স্ত্রীকে শেখানোর ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতটা গুরুত্ব দিতেন, তার চিত্র উঠে এসেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে আয়িশা (রা)-এর হাত ধরলেন। এরপর উদ্দিষ্ট বস্তুর প্রতি ইঙ্গিত করে করণীয় বললেন। বললেন তার কারণ।

টিকাঃ
২৪০. সুনানুত তিরমিজি: ৩২৮৮। হাদিসের মান: সহিহ।
২৪১. তাফসিরু ইবনি কাসির: ৮/৫৩৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00