📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 পুরুষদের মহিলাদের সাথে অথবা মহিলাদের পুরুষদের সাথে যে কোনভাবে সাদৃশ্য বজায় রাখা

📄 পুরুষদের মহিলাদের সাথে অথবা মহিলাদের পুরুষদের সাথে যে কোনভাবে সাদৃশ্য বজায় রাখা


পুরুষদের মহিলার সাথে অথবা মহিলাদের পুরুষের সাথে যে কোনভাবে সাদৃশ্য বজায় রাখাও আরেকটি বড় গুনাহ্ এবং হারাম কাজ। চাই তা পোশাক-আশাকে হোক অথবা চাল-চলনে। উঠা-বসায় হোক অথবা কথা- বার্তায়। সুতরাং পুরুষরা মহিলাদের স্বর্ণের চেইন, গলার হার, হাতের চুড়ি, কানের দুল, পায়ের খাড়ু ইত্যাদি এবং মহিলারা পুরুষের পেন্ট, শার্ট, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, জুব্বা, পাজামা, টুপি ইত্যাদি পরতে পারে না। তাই তো রাসূল এ জাতীয় পুরুষ ও মহিলাকে অভিসম্পাত করেন।
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ الْمُتَشَبِّهِيْنَ مِنَ الرِّجَالِ بِالنِّسَاءِ ، وَ الْمُتَشَبِّهَاتِ مِنَ النِّسَاءِ بالرجال (বুখারী, হাদীস ৫৮৮৫, ৫৮৮৬)
অর্থাৎ আল্লাহ্'র রাসূল লা'নত করেন এমন পুরুষকে যারা মহিলাদের সাথে যে কোন ভাবে (পোশাকে, চলনে ইত্যাদি) সামঞ্জস্য বজায় রাখতে উৎসাহী এবং সে মহিলাদেরকে যারা পুরুষদের সাথে যে কোন ভাবে (পোশাকে, চলনে ইত্যাদি) সামঞ্জস্য বজায় রাখতে উৎসাহী।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ الرَّجُلَ يَلْبَسُ لِبْسَةَ الْمَرْأَةِ ، وَ الْمَرْأَةَ تَلْبَسُ لِبْسَةَ الرَّجُلِ (আবু দাউদ, হাদীস ৪০৯৮ ইন্নু হিব্বান, হাদীس ৫৭৫১, ৫৭৫২ হা'কিম ৪/১৯৪ আহমاد ২/৩২৫)
অর্থাৎ রাসূল এমন পুরুষকে লা'নত করেন যে পুরুষ মহিলার ঢঙে পোশাক পরে এবং এমন মহিলাকে লা'نত করেন যে মহিলা পুরুষের ঢঙে পোশাক পরে।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 প্রস্রাব থেকে ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জন না করা

📄 প্রস্রাব থেকে ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জন না করা


প্রস্রাব থেকে ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জন না করাও আরেকটি কবীরা গুনাহ্। যা খ্রিস্টানদের একান্ত বৈশিষ্ট্য এবং যে কারণে কবরে শাস্তি পেতে হয়।
হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ (রাזিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
مَرَّ النَّبِيُّ بِقَبْرَيْنِ ، فَقَالَ : إِنَّهُمَا لَيُعَذِّبَانِ ، وَ مَا يُعَذِّبَانِ فِي كَبِيرٍ ، وَ فِي روَايَةِ : بَلَى إِنَّهُ كَبِيرٌ ، أَمَّا أَحَدُهُمَا فَكَانَ لَا يَسْتَتِرُ مِنَ الْبَوْلِ ، وَ أَمَّا الْآخَرُ فَكَانَ يَمْشِي بِالنَّمِيمَةِ، ثُمَّ أَخَذَ جَرِيدَةً رَطْبَةً فَشَقَّهَا نِصْفَيْنِ ، فَغَرَزَ فِي كُلِّ قَبْرٍ وَاحِدَةً، قَالُوْا : يَا رَسُوْلَ اللهِ! لِمَ فَعَلْتَ هَذَا ؟ قَالَ : لَعَلَّهُ يُخَفِّفُ عَنْهُمَا مَا لَمْ يَيْبَسَا (বুখারী, হাদীস ২১৮ মুসলিম, হাদীس ২৯২)
অর্থাৎ একদা নবী ﷺ দু'টি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন: এ দু' জন কবরবাসীকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। তবে তা আপাত দৃষ্টিতে কোন বড় অপরাধের জন্য নয়। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, বাস্তবে তা সত্যিই বড় অপরাধ অথবা বস্তুতঃ উক্ত দু'টি গুনাহ্ থেকে রক্ষা পাওয়া তাদের জন্য কোন কষ্টকরই ছিলো না। তাদের এক জন নিজ প্রস্রাব থেকে ভালোভাবে পবিত্রতার্জন করতো না আর অপর জন মানুষের মাঝে চুগলি করে বেড়াতো।
অতঃপর রাসূল ﷺ খেজুর গাছের একটি তাজা ডালকে দু' ভাগ করে প্রত্যেক কবরে একটি করে গেড়ে দিলেন। সাহাবারা জিজ্ঞাসা করলেন: হে আল্লাহ্'র রাসূল ﷺ! আপনি কেন এমন করলেন? রাসূল ﷺ বললেন: হয়তো বা তাদের শাস্তি হালকা করে দেয়া হবে যতক্ষণ না ডাল দু'টি শুকাবে।
প্রস্রাব থেকে ভালোভাবে পবিত্রতার্জন না করার মধ্যে এটিও যে, আপনি প্রস্রাব শেষেই দ্রুত উঠে গেলেন অথচ প্রস্রাবের কয়েক ফোঁটা এখনো থেকে গেছে যা পরবর্তীতে আপনার কাপড়কে নাপাক করে দিচ্ছে অথবা প্রস্রাবের পর আপনি পানি বা ঢিলা কিছুই ব্যবহার করেননি। তাই প্রস্রাবের ফোঁটায় আপনার কাপড় নাপাক হয়ে যাচ্ছে।
এর চাইতেও আরো কঠিন অপরাধ এই যে, অনেক খ্রিস্টান মার্কা ভদ্রলোক দেয়ালে ফিট করা ইংলিশ প্রস্রাব খানায় অর্ধ উলঙ্গ হয়ে প্রস্রাব করে সাথে সাথেই কাপড় পরে নেয় অথচ সে ঢিলা বা পানি কিছুই ব্যবহার করেনি। এমতাবস্থায় দু'টি দোষ একত্রে পাওয়া যায়। খোলা জায়গায় অর্ধ উলঙ্গ হওয়া এবং পবিত্রতার্জন না করা। কখনো কখনো এ সব প্রস্রাব খানায় প্রস্রাবের পর পানি ছাড়তে গেলে প্রস্রাব গায়ে আসে। এমন অনেক কাণ্ড আমাদের স্বচক্ষে দেখা। যা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কোন পশুর চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয়া

📄 কোন পশুর চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয়া


কোন পশুর চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয়াও কবীরা গুনাহ্'র অন্যতম। তাই তো রাসূল এ জাতীয় মানুষকে লা'নত ও অভিসম্পাত এবং এ জাতীয় কাজ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।
হযরত জাবির থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
نَهَى رَسُوْلُ اللَّهِ ﷺ عَنِ الضَّرْبِ فِي الْوَجْهِ وَ عَنِ الْوَسْمِ فِي الْوَجْهِ (মুসলিম, হাদীস ২১১৬ ইন্নু খুযাইমাহ, হাদীস ২৫৫১)
অর্থাৎ রাসূল চেহারায় প্রহার করা এবং চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয়া থেকে নিষেধ করেন।
হযরত জাবির থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন:
مَرَّ عَلَى النَّبِيِّ حِمَارٌ قَدْ وُسمَ فِي وَجْهِهِ ، فَقَالَ: لَعَنَ اللَّهُ الَّذِي وَسَمَهُ ، وَفِي رِوَايَةٍ أَبِي دَاوُدَ: أَمَا بَلَغَكُمْ أَنِّي قَدْ لَعَنْتُ مَنْ وَسَمَ الْبَهِيمَةَ فِي وَجْهِهَا أَوْ ضَرَبَهَا فِي وَجْهِهَا (মুসলিম, হাদীস ২১১৭ আবু দাউদ, হাদীস ২৫৬৪)
অর্থাৎ একদা নবী একটি গাধার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যার চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয়া হয়েছিলো। তখন রাসূল বললেন: আল্লাহ্ তা'আলা লা'نত করুক সে ব্যক্তিকে যে গাধাটির চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দিলো। আবু দাউদের বর্ণনায় রয়েছে, তোমাদের নিকট কি এ কথা পৌঁছায়নি যে, আমি সে ব্যক্তিকে লা'نত করেছি যে কোন পশুর চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয় অথবা চেহারায় মারে।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 যে কোন প্রাণীর চিত্রাঙ্কন

📄 যে কোন প্রাণীর চিত্রাঙ্কন


যে কোন প্রাণীর চিত্রাঙ্কন করাও কবীরা গুনাহ্'র অন্যতম। কিয়ামতের দিন এ জাতীয় চিত্রাঙ্কনকারীরা কঠিন শাস্তি ভোগ করবে।
হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস'উদ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি নবী কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন:
إِنْ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا عِنْدَ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الْمُصَوِّرُوْنَ (বুখারী, হাদীস ৫৯৫০ মুসলিম, হাদীس ২১০৯)
অর্থাৎ নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'আলার নিকট সর্ব কঠিন শাস্তির অধিকারী হবে ওরা যারা (বিনা প্রয়োজনে) ছবি তোলে বা তৈরি করে।
হযরত ‘আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সফর থেকে ফিরে এসে দেখলেন, আমি আমার বৈঠকখানা তথা খেলনাপাতি রাখার জায়গাকে এমন একটি পর্দা দিয়ে ঢেকে দিয়েছি যার উপর কিছু ছবি অঙ্কিত ছিলো। তখন রাসূল ﷺ তা ছিঁড়ে ফেললেন এবং বললেন:
أَشَدُّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الَّذِينَ يُضَاهُوْنَ بِخَلْقِ اللَّهِ (বুখারী, হাদীস ৫৯৫৪ মুসলিম, হাদীس ২১০৭ বাগাওয়ী, হাদীস ৩২১৫ নাসায়ী: ৮/২১৪ বায়হাক্বী: ২৬৯)
অর্থাৎ কিয়ামতের দিন সর্ব কঠিন শাস্তির অধিকারী হবে ওরা যারা আল্লাহ্ তা'আলার সৃষ্টির ন্যায় কোন কিছু বানাতে চায়।
হযরত ‘আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন: অতঃপর আমি সে ছিঁড়া পর্দাটি দিয়ে হেলান দেয়ার জন্য একটি বা দু'টি তাকিয়া বানিয়ে নিয়েছি।
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ (রাזিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি রাসূল ﷺ কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন:
كُلُّ مُصَوِّرٍ فِي النَّارِ ، يُجْعَلُ لَهُ بِكُلِّ صُورَةٍ صَوَّرَهَا نَفْسٌ فَتُعَذِّبُهُ فِي جَهَنَّمَ (মুসলিম, হাদীس ২১১০)
অর্থাৎ প্রত্যেক ছবিকার জাহান্নামী। প্রত্যেক ছবির পরিবর্তে তার জন্য একটি করে প্রাণী ঠিক করা হবে যে তাকে সর্বদা জাহান্নামের মধ্যে শাস্তি দিতে থাকবে।
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ (রাזিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ ﷺ কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন:
مَنْ صَوَّرَ صُورَةً فِي الدُّنْيَا كُلَّفَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنْ يَنْفُخَ فِيْهَا الرُّوْحَ ، وَ لَيْسَ بِنَافِخِ (বুখারী, হাদীস ২২২৫, ৫৯৬৩, ৭০৪২ মুসলিম, হাদীস ২১১০ বাগাওয়ী, হাদীস ৩২১৯ নাসায়ী: ৮/২১৫ ইবন্ধু আবী শাইbah: ৮/৪৮৪-৪৮৫ আহমاد: ১/২৪১, ৩৫০ ত্বাবারানী/কাবীর, হাদীس ১২৯০০)
অর্থাৎ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন ছবি এঁকেছে কিয়ামতের দিন তাকে এ ছবিগুলোতে রূহ্ দিতে বলা হবে। কিন্তু সে কখনোই তা করতে পারবে না।
হযরত ‘আয়েশা (রাזিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
إِنْ أَصْحَابَ هَذِهِ الصُّوَرِ يُعَذِّبُوْنَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ، يُقَالُ لَهُمْ: أَحْرُوْا مَا خَلَقْتُمْ ، وَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ لَا تَدْخُلُ بَيْتًا فِيْهِ الصُّوْرَةُ (বুখারী, হাদীস ২১০৫, ৫৯৫৭ মুসলিম, হাদীس ২১০৭)
অর্থাৎ নিশ্চয়ই এ সকল ছবিকারদেরকে কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তি দেয়া হবে। তাদেরকে বলা হবে: তোমরা যা বানিয়েছো তাতে জীবন দাও। কিন্তু তারা কখনো তা করতে পারবে না। নিশ্চয়ই ফিরিস্তারা এমন ঘরে প্রবেশ করেন না যে ঘরে ছবি রয়েছে।
আল্লাহ্ তা'আলা চিত্রাঙ্কনকারীদেরকে সর্ব বৃহৎ জালিম বলে আখ্যায়িত করেছেন।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি রাসূল কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন: আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করেন:
وَ مَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ ذَهَبَ يَخْلُقُ كَخَلْقِي ، فَلَيَخْلُقُوْا حَبَّةٌ ، وَلْيَخْلُقُوْا ذَرَّةً ، وَلْيَخْلُقُوْا شَعِيْرَةً (বুখারী, হাদীস ৫৯৫৩, ৭৫৫৯ মুসলিম, হাদীس ২১১১ বায়হাক্বী: ৭/২৬৮ বাগাওয়ী, হাদীس ৩২১৭ ইব্বু আবী শাইbah: ৮/৪৮৪ আহমاد: ২/২৫৯, ৩৯১, ৪৫১, ৫২৭)
অর্থাৎ ওই ব্যক্তির ন্যায় জালিম আর কেউ হতে পারে না? যে আমার সৃষ্টির ন্যায় কোন কিছু বানাতে চায়। মূলতঃ সে কখনোই তা করতে পারবে না। যদি সে তা করতে পারবে বলে দাবি করে তাহলে সে যেন একটি দানা, একটি পিঁপড়া এবং একটি যব বানিয়ে দেখায়।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
تَخْرُجُ عُنُقَ مِنَ النَّارِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ، لَهَا عَيْنَانِ تُبْصِرَانِ ، وَ أَذْنَانِ تَسْمَعَانِ ، وَلِسَانٌ يَنْطِقُ ، يَقُولُ: إِنِّي وَكُلْتُ بِثَلَاثَةٍ: بِكُلِّ جَبَّارٍ عَنِيْدٍ ، وَ بِكُلِّ مَنْ دَعَا مَعَ اللَّهِ إِلَهَا آخَرَ ، وَ بِالْمُصَوِّرِينَ (তিরমিযী, হাদীس ২৫৭৪ আহমাদ, হাদীস ৮৪৩০)
অর্থাৎ কিয়ামতের দিন জাহান্নাম থেকে ঘাড় সহ একটি মাথা বের হবে যার দু'টি চোখ হবে যা দিয়ে সে দেখবে, দু'টি কান হবে যা দিয়ে সে শুনবে এবং একটি জিহ্বা হবে যা দিয়ে সে কথা বলবে। সে বলবে: তিন জাতীয় মানুষকে শাস্তি দেয়ার জন্য আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তারা হচ্ছে, প্রত্যেক প্রভাবশালী গাদ্দার, প্রত্যেক এমন ব্যক্তি যে আল্লাহ্ তা'আলার সাথে অন্য কাউকে শরীক করেছে এবং ছবি অঙ্কনকারীরা।
কারোর ঘরে কোন প্রাণীর ছবি থাকলে সে ঘরে রহমতের ফিরিস্তা প্রবেশ করবেন না।
হযরত আবু ত্বাল্হা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا تَدْخُلُ الْمَلَائِكَةُ بَيْتًا فِيْهِ كَلْبٌ وَ لَا تَصَاوِيْرُ (বুখারী, হাদীس ৫৯৪৯ মুসলিম, হাদীس ২১০৬)
অর্থাৎ যে ঘরে কুকুর এবং (কোন প্রাণীর) ছবি রয়েছে সে ঘরে (রহমতের) ফিরিস্তা প্রবেশ করবেন না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00