📄 কোন দণ্ডবিধি মসজিদে প্রয়োগ করা যাবে না
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا تُقَامُ الْحُدُوْدُ فِي الْمَسَاجِدِ (ইবনু মাজাহ, হাদীس ২৬৪৮)
অর্থাৎ মসজিদে কোন দণ্ডবিধি কায়েম করা যাবে না।
হযরত ‘হাকীম বিন্ ‘হিযাম থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
نَهَى رَسُولُ اللَّهِ أَنْ يُسْتَقَادَ فِي الْمَسْجِدِ ، وَ أَنْ تُنْشَدَ فِيْهِ الْأَشْعَارُ ، وَ أَنْ تُقَامَ فِيْهِ الْحُدُوْدُ (আবু দাউদ, হাদীس ৪৪৯০)
অর্থাৎ রাসূল মসজিদে কারোর থেকে প্রতিশোধ নিতে, কবিতা আবৃত্তি করতে ও দণ্ডবিধি কায়েম করতে নিষেধ করেছেন।
দুনিয়াতে কারোর উপর শরীয়তের কোন দণ্ডবিধি কায়েম করা হলে তা তার জন্য কাফ্ফারা হয়ে যায় তথা তার অপরাধটি ক্ষমা করে দেয়া হয়। পরকালে এ জন্য তাকে কোন শাস্তি দেয়া হবে না।
হযরত ‘উবা'দাহ্ বিন্ স্বা'মিত থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
مَنْ أَصَابَ مِنْكُمْ حَدًّا ، فَعُجَلَتْ لَهُ عُقُوبَتُهُ ، فَهُوَ كَفَّارَتُهُ ، وَ إِلَّا فَأَمْرُهُ إِلَى الله، إِنْ شَاءَ عَذْبَهُ ، وَ إِنْ شَاءَ غَفَرَ لَهُ (তিরমিযী, হাদীস ১৪৩৯ ইন্নু মাজাহ, হাদীস ২৬৫২)
অর্থাৎ যে ব্যক্তি (শয়তানের ধোকায় পড়ে) এমন কোন হারাম কাজ করে ফেলেছে যাতে শরীয়তের নির্দিষ্ট কোন দণ্ডবিধি রয়েছে। অতঃপর তাকে দুনিয়াতেই সে দণ্ড দেয়া হয়েছে। তখন তা তার জন্য কাফ্ফারা হয়ে যাবে। আর যদি তা তার উপর প্রয়োগ না করা হয় তা হলে সে ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলাই ভালো জানেন। চায়তো আল্লাহ্ তা'আলা তাকে পরকালে শাস্তি দিবেন নয়তো বা ক্ষমা করে দিবেন।
কোন এলাকায় ইসলামের যে কোন দণ্ডবিধি একবার প্রয়োগ করা সে এলাকায় চল্লিশ দিন যাবৎ বারি বর্ষণ থেকেও অনেক উত্তম।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
حَدٌ يُعْمَلُ بِهِ فِي الْأَرْضِ خَيْرٌ لأَهْلِ الْأَرْضِ مِنْ أَنْ يُمْطَرُوا أَرْبَعِيْنَ صَبَاحًا (ইন্নু মাজাহ, হাদীস ২৫৮৬)
অর্থাৎ বিশ্বের বুকে ধর্মীয় কোন দণ্ডবিধি প্রয়োগ করা বিশ্ববাসীদের জন্য অনেক উত্তম চল্লিশ দিন লাগাতার বারি বর্ষণ থেকেও।