📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কোন গোলাম বা যার পেছনে অগ্রিম টাকা খরচ করে চুক্তিভিত্তিক কাজের জন্য আনা হয়েছে চুক্তি শেষ না হতেই তার পলায়ন

📄 কোন গোলাম বা যার পেছনে অগ্রিম টাকা খরচ করে চুক্তিভিত্তিক কাজের জন্য আনা হয়েছে চুক্তি শেষ না হতেই তার পলায়ন


কোন গোলাম বা যার পেছনে অগ্রিম টাকা খরচ করে চুক্তিভিত্তিক কাজের জন্য আনা হয়েছে চুক্তি শেষ না হতেই তার পলায়ন হারাম বা কবীরা গুনাহ্।
হযরত জারীর থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
أَيُّمَا عَبْدِ أَبَقَ مِنْ مَوَالِيْهِ فَقَدْ كَفَرَ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْهِمْ (মুসলিম, হাদীস ৬৮)
অর্থাৎ কোন গোলাম নিজ মনিব থেকে পলায়ন করলে সে কাফির হয়ে যাবে যতক্ষণ না তার মনিবের কাছে ফিরে আসে।
হযরত জারীর থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
إِذَا أَبَقَ الْعَبْدُ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ (মুসলিম, হাদীস ৭০)
অর্থাৎ কোন গোলাম তার মনিবের কাছ থেকে পলায়ন করলে তার কোন নামাযই কবুল করা হবে না।
হযরত জাবির থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
ثَلَاثَةٌ لَا يَقْبَلُ اللهُ لَهُمْ صَلَاةً ، وَ لَا تَصْعَدُ لَهُمْ حَسَنَةٌ : الْعَبْدُ الْآبِقُ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى مَوَالَيْهِ ، وَ الْمَرأَةُ السَّاخِطُ عَلَيْهَا زَوْجُهَا حَتَّى يَرْضَى ، وَ السَّكْرَانُ حَتَّى يَصْحُو (ইব্বু হিব্বান/ইহসান, হাদীস ৫৩৩১ কানযুল্ ‘উম্মাল, হাদীস ৪৩৯২৭)
অর্থাৎ তিন ব্যক্তির নামায আল্লাহ্ তা'আলা গ্রহণ করেন না এবং তাদের কোন সাওয়াবও আল্লাহ্ তা'আলার নিকট উঠবে না। তারা হচ্ছে, নিজ মনিবের কাছ থেকে পলায়নকারী গোলাম যতক্ষণ না সে তাদের কাছে ফিরে আসে। সে মহিলা যার উপর তার স্বামী অসন্তুষ্ট যতক্ষণ না সে তার উপর সন্তুষ্ট হয় এবং কোন নেশাখোর মাতাল ব্যক্তি যতক্ষণ না সে সুস্থ হয়।
হযরত ফাযালাহ্ বিন্ ‘উবাইদ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
ثَلَاثَةٌ لَا تَسْأَلْ عَنْهُمْ : رَجُلٌ فَارَقَ الْجَمَاعَةَ وَ عَصَى إِمَامَهُ فَمَاتَ عَاصِيًا ، وَعَبْدٌ أَبَقَ فَمَاتَ ، وَ امْرَأَةٌ غَابَ عَنْهَا زَوْجُهَا وَ قَدْ كَفَاهَا الْمُؤْنَةَ فَتَبَرَّجَتْ (বুখারী/আদাবুল মুফ্রাদ, হাদীস ৫৯০ ইবনু হিব্বান, হাদীস ৪৫৫৯ বায্যার, হাদীস ৮৪ বায়হাক্বী/শু'আবুল ঈমান, হাদীস ৭৭৯৭ ‘হাকিম ১/১১৯)
অর্থাৎ তিন ব্যক্তি সম্পর্কে কাউকে কিছু জিজ্ঞাসাই করো না। তারা হচ্ছে, মুসলিম জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি যে নিজ প্রশাসকের অবাধ্য এবং এমতাবস্থায়ই তার মৃত্যু হয়। নিজ মনিব থেকে পলায়নকারী গোলাম এবং এমতাবস্থায়ই তার মৃত্যু হয়। এমন এক মহিলা যার স্বামী বাড়িতে নেই এবং সে তার স্ত্রীর খরচাদি দিয়েই বাড়ি থেকে বিদায় নিয়েছে অথবা নিয়মিত চালিয়ে যাচ্ছে অথচ সে মহিলা বেপর্দা অবস্থায় ঘর থেকে বের হয়।
হযরত ‘আলী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَعَنَ اللَّهُ مَنْ تَوَلَّى غَيْرَ مَوَالَيْهِ (আহমাদ, হাদীস ২৯১৩ ‘হা'কিম ৪/১৫৩)
অর্থাৎ আল্লাহ্ তা'আলার লা'নত ওই ব্যক্তির উপর যে নিজ মনিব ছেড়ে অন্য কাউকে মনিব হিসেবে গ্রহণ করলো।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 নিশ্চিতভাবে জানা সত্ত্বেও নিজ পিতাকে ছেড়ে অন্য কাউকে নিজ পিতা হিসেবে গ্রহণ করা বা পরিচয় দেয়া

📄 নিশ্চিতভাবে জানা সত্ত্বেও নিজ পিতাকে ছেড়ে অন্য কাউকে নিজ পিতা হিসেবে গ্রহণ করা বা পরিচয় দেয়া


নিশ্চিতভাবে জানা সত্ত্বেও নিজ পিতাকে ছেড়ে অন্য কাউকে নিজ পিতা হিসেবে গ্রহণ করা বা পরিচয় দেয়া (যদিও তা শুধু কাগজপত্রে এবং যে কোন কারণেই হোক না কেন) হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
হযরত সা'আদ্‌ বিন্ আবী ওয়াক্কাস্ব এবং হযরত আবু বাকরাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্‌হুমা) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন: নবী ইরশাদ করেন:
مَنِ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيْهِ وَ هُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ غَيْرُ أَبِيْهِ فَالْجَنَّةُ عَلَيْهِ حَرَامٌ (বুখারী, হাদীস ৪৩২৬, ৪৩২৭, ৬৭৬৬ মুসলিম, হাদীস ৬৩)
অর্থাৎ যে ব্যক্তি নিজ পিতাকে ছেড়ে অন্য কাউকে নিজ পিতা হিসেবে পরিচয় দেয় অথচ সে জানে যে, এ ব্যক্তি নিশ্চয়ই তার পিতা নয় তা হলে জান্নাত তার উপর হারাম হয়ে যাবে।
হযরত ‘আলী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
مَنِ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيْهِ أَوِ انْتَمَى إِلَى غَيْرِ مَوَالِيْهِ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَ الْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ ، لَا يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفًا وَ لَا عَدْلاً (মুসলিম, হাদীস ১৩৭০)
অর্থাৎ যে ব্যক্তি নিজ পিতাকে ছেড়ে অন্য কাউকে নিজ পিতা হিসেবে পরিচয় দেয় অথবা নিজ মনিবকে ছেড়ে অন্য কাউকে নিজ মনিব হিসেবে পরিচয় দেয় তার উপর আল্লাহ্ তা'আলা, ফিরিস্তা ও সকল মানুষের লা'নত পতিত হোক। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'আলা তার কোন নফল অথবা ফরয আমল কবুল করবেন না।
কোন কোন সন্তান তো এমনও আছে যে, ছোট বেলায় তার পিতা তার প্রতি বহু অবহেলা দেখিয়েছে। এমনকি তার কোন খবরা খবরই সে রাখেনি। তখন বড় হয়ে সে সন্তান তার পিতাকেই অস্বীকার করে বসে অথবা পরিচয় দিতে সঙ্কোচ বোধ করে। হয়তো বা সে কখনো তার সৎ বাবাকেই আপন বাবা হিসেবে পরিচয় দেয়। এমতাবস্থায় সত্যিই সে মারাত্মক অপরাধী। পিতার কৃতকর্মের জন্য সে আখিরাতে শাস্তি ভোগ করবে অবশ্যই। তবে তাতে সন্তানের নিজ পিতাকে অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لا تَرْغَبُوا عَنْ آبَائِكُمْ ، فَمَنْ رَغِبَ عَنْ أَبِيْهِ فَهُوَ كُفْرٌ (বুখারী, হাদীস ৬৭৬৮ মুসলিম, হাদীস ৬২)
অর্থাৎ তোমরা নিজ পিতার প্রতি অনীহা প্রকাশ করো না। কারণ, যে ব্যক্তি নিজ পিতার প্রতি অনীহা প্রকাশ করলো সে কুফরি করলো।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কারোর সাথে কোন বিষয় নিয়ে অমূলক ঝগড়া-ফাসাদ করা

📄 কারোর সাথে কোন বিষয় নিয়ে অমূলক ঝগড়া-ফাসাদ করা


কারোর সাথে কোন বিষয় নিয়ে অমূলক ঝগড়া-ফাসাদ করা আরেকটি কবীরা গুনাহ্। তা এভাবে যে, কোন সত্য প্রকাশ করার উদ্দেশ্য নেই বরং অন্যকে অপমান করা এবং নিজের কৃতিত্ব প্রকাশ করার উদ্দেশ্যেই কারোর কথায় দোষ-ত্রুটি বের করার চেষ্টা করা।
আল্লাহ্ তা'আলা কোর'আন মাজীদে এ জাতীয় লোকদের লুক্কায়িত উদ্দেশ্য প্রকাশ করে দেন। আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
إِنَّ الَّذِينَ يُجَادِلُوْنَ فِي آيَاتِ اللَّهِ بِغَيْرِ سُلْطَانٍ أَتَاهُمْ ، إِنْ فِي صُدُوْرِهِمْ إِلَّا كِبْرٌ ، مَا هُمْ بِبَالِغَيْهِ ، فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ ، إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ ) (গাফির/মু'মিন: ৫৬)
অর্থাৎ নিশ্চয়ই যারা কোন দলীল ছাড়াই আল্লাহ্ তা'আলার নিদর্শন সমূহ নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয় তাদের অন্তরে রয়েছে শুধু অহঙ্কার যা সফল হবার নয়। অতএব তুমি আল্লাহ্ তা'আলার শরণাপন্ন হও। তিনিই তো সর্বশ্রোতা সর্বদ্রষ্টা।
কারোর সাথে তর্ক করলে তা একমাত্র সত্য অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যেই এবং সুন্দর পন্থায় হতে হবে। আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
وَ لَا تُجَادِلُوا أَهْلَ الْكِتَابِ إِلَّا بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ ) (‘আন্কাবুত : ৪৬)
অর্থাৎ তোমরা ইহুদী ও খ্রিস্টানদের সাথে একমাত্র উত্তম পন্থায়ই তর্কে লিপ্ত হবে।
কারোর সাথে অনর্থক ঝগড়া-ফাসাদকারী আল্লাহ্ তা'আলার নিকট একেবারেই ঘৃণিত এবং তারাই তাঁর কোপানলে পতিত। হযরত ‘আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
إِنَّ أَبْغَضَ الرِّجَالِ إِلَى اللَّهِ الأَلَدُّ الْخَصْمُ (বুখারী, হাদীস ২৪৫৭, ৪৫২৩ মুসলিম, হাদীস ২৬৬৮)
অর্থাৎ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা'আলার নিকট সর্ব নিকৃষ্ট ব্যক্তি হচ্ছে অহেতুক ঝগড়া-ফাসাদকারীই। হযرت আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর (রাযিয়াল্লাহু আনहूমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
مَنْ خَاصَمَ فِي بَاطِلٍ وَ هُوَ يَعْلَمُهُ ؛ لَمْ يَزَلْ فِي سَخَطِ اللَّهِ حَتَّى يَنْزِعَ عَنْهُ (আবু দাউদ, হাদীস ৩৫৯৭ আহমাদ, হাদীস ৫৩৮৫)
অর্থাৎ যে ব্যক্তি জেনেশুনে কারোর সাথে বাতিল কোন জিনিস নিয়ে ঝগড়া-ফাসাদ করলো আল্লাহ্ তা'আলা সত্যিই তার উপর অসন্তুষ্ট হবেন যতক্ষণ না সে তা ছেড়ে দেয়।
কোর'আন নিয়ে অমূলক ঝগড়া-ফাসাদ করা কুফরি। হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী ইরশাদ করেন:
الْمِرَاءُ فِي الْقُرْآنِ كُفْرٌ (আবু দাউদ, হাদীস ৪৬০৩ আহমাদ, হাদীস ৭৮৪৮ ইনু হিব্বান/মাওয়ারিদ, হাদীস ৫৯ ‘হাকিম ২/২২৩)
অর্থাৎ কুর'আন নিয়ে অমূলক ঝগড়া-ফাসাদ করা কুফরি।
কোন ব্যক্তি হিদায়াতের রাস্তা থেকে ফসকে গেলেই অহেতুক ঝগড়া-ফাসাদে লিপ্ত হয়।
হযরত আবু উমামাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
مَا ضَلَّ قَوْمٌ بَعْدَ هُدًى كَانُوْا عَلَيْهِ إِلَّا أُوتُوا الْجَدَلَ ، ثُمَّ تَلَا رَسُوْلُ الله هذه الآيَةَ : ( مَا ضَرَبُوْهُ لَكَ إِلَّا جَدَلًا ، بَلْ هُمْ قَوْمٌ خَصِمُوْنَ ) الزُّخْرُفَ (তিরমিযী, হাদীস ৩২৫৩ আহমাদ ৫/২৫২-২৫৬ ইনু মাজাহ, হাদীস ৪৮ ‘হাকিম ২/৪৪৮)
অর্থাৎ কোন জাতি হিদায়াত পাওয়ার পর আবারো পথভ্রষ্ট হয়ে গেলে (আল্লাহ্ তা'আলা) তাদেরকে অহেতুক ঝগড়া-ফাসাদে ব্যস্ত করে দেন। অতঃপর রাসূল নিম্নোক্ত আয়াত তিলাওয়াত করেন: যার মর্মার্থ: তারা শুধু বাক-বিতণ্ডার উদ্দেশ্যেই তোমাকে এমন কথা বললো। বস্তুত তারা বাক- বিতণ্ডাকারী সম্প্রদায়। (যুখরুফ: ৫৮) রাসূল নিজ উম্মতের মধ্যে এ জাতীয় বাকপটু মুনাফিকের আশঙ্কাই করেছিলেন।
হযরত ‘ইম্মান বিন্ ‘হুস্বাইন থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
أَخْوَفُ مَا أَخَافُ عَلَى أُمَّتِي كُلُّ مُنَافِقِ عَلَيْمِ النِّسَانِ (ত্বাবারানী/কবীর খণ্ড ১৮ হাদীস ৫৯৩ ইন্নু হিব্বান, হাদীস ৮০ বায্যার, হাদীস ১৭০)
অর্থাৎ আমি আমার উম্মতের ব্যাপারে প্রত্যেক বাকপটু মুনাফিকেরই বেশি আশঙ্কা করছি।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কাউকে ওজনে কম দেয়া

📄 কাউকে ওজনে কম দেয়া


কাউকে ওজনে কম দেয়াও আরেকটি কবীরা গুনাহ্। আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
وَيْلٌ لِّلْمُطَفِّفِيْنَ ، الَّذِينَ إِذَا اكْتَالُوْا عَلَى النَّاسِ يَسْتَوْفُوْنَ ، وَ إِذَا كَالُوْهُمْ أَوْ وَزَنُوْهُمْ يُخْسِرُوْنَ ، أَلَا يَظُنُّ أُوْلَائِكَ أَنَّهُمْ مَّبْعُوثُوْنَ ، لِيَوْمٍ عَظِيمٍ ، يَوْمَ يَقُوْمُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ ) (মুত্বাফফিফীন: ১-৬)
অর্থাৎ জাহান্নামের ওয়াইল নামক উপত্যকা ওদের জন্য যারা মাপে কম দেয়। তবে অন্যদের থেকে মেপে নেয়ার সময় পূর্ণভাবেই নিয়ে নেয়। কিন্তু অন্যকে দেয়ার সময় মাপে বা ওজনে কম দেয়। তারা কি ভাবে না যে, তারা পুনরুত্থিত হবে সে মহান দিবসে যে দিন সকল মানুষ দাঁড়াবে (হিসাব দেয়ার জন্য) সর্ব জগতের প্রতিপালকের সম্মুখে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00