📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 বিচারকের বিচার কোন অবৈধ বস্তুকে বৈধ করে দেয় না

📄 বিচারকের বিচার কোন অবৈধ বস্তুকে বৈধ করে দেয় না


বিচারকের বিচার কোন অবৈধ বস্তুকে বৈধ করে দেয় না। সুতরাং কেউ বিচারের মাধ্যমে কোন কিছু পেয়ে গেলে যা তার নয় সে যেন অতিসত্বর তা মালিককে পৌঁছিয়ে দেয়। সে যেন অবৈধভাবে তা ভোগ বা ভক্ষণ না করে।
হযরত উম্মে সালামাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী ইরশাদ করেন:
إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ ، وَ إِنَّكُمْ تَخْتَصِمُوْنَ إِلَيَّ ، وَ لَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُوْنَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ ، وَ أَقْضِيْ لَهُ عَلَى نَحْوِ مَا أَسْمَعُ ، فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ مِنْ حَقِّ أَخِيْهِ شَيْئًا فَلَا يَأْخُذْ ، فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ قِطْعَةً مِنَ النَّارِ (বুখারী, হাদীস ২৪৫৮, ২৬৮০, ৬৯৬৭, ৭১৬৯, ৭১৮১, ৭১৮৫ মুসলিম, হাদীস ১৭১৩)
অর্থাৎ আমি তো মানুষ মাত্র। আর তোমরা আমার কাছে মাঝে মাঝে বিচার নিয়ে আসো। হয়তো বা তোমাদের কেউ কেউ নিজ প্রমাণ উপস্থাপনে অন্যের চাইতে অধিক পারঙ্গম। অতএব আমি শুনার ভিত্তিতেই তার পক্ষে ফায়সালা করে দেই। সুতরাং আমি যার পক্ষে তার কোন মুসলমান ভাইয়ের কিছু অধিকার ফায়সালা করে দেই সে যেন তা গ্রহণ না করে। কারণ, আমি উক্ত বিচারের ভিত্তিতে তার হাতে একটি জাহান্নামের আগুনের টুকরাই উঠিয়ে দেই।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 আপনার স্বেচ্ছাচারিতা যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয়

📄 আপনার স্বেচ্ছাচারিতা যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয়


আপনার মালিকানাধীন জায়গায় আপনি যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন না যাতে অন্য জন কষ্ট পায়। বরং এমনভাবেই আপনি আপনার জমিন ব্যবহার করবেন যাতে আপনার পাশের ব্যক্তি কোনভাবেই কষ্ট না পায়। হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ ও হযরত ‘উবাদাহ্ বিন্ স্বামিত্ থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا ضَرَرَ وَ لَا ضِرَارَ (ইন্নু মাজাহ, হাদীস ২৩৬৯, ২৩৭০)
অর্থাৎ না তুমি নিজ বা অন্যের ক্ষতি করতে পারো। আর না তোমরা পরস্পর (প্রতিশোধের ভিত্তিতে) একে অপরের ক্ষতি করতে পারো।
হযরত আবু স্বিরমাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
مَنْ ضَارَّ أَضَرَّ الله به ، وَ مَنْ شَاقَ شَقَّ اللَّهُ عَلَيْهِ (আবু দাউদ, হাদীস ৩৬৩৫ ইব্বু মাজাহ, হাদীস ২৩৭১)
অর্থাৎ যে অপরের ক্ষতি করবে আল্লাহ্ তা'আলা তার ক্ষতি করবেন এবং যে অপরকে কষ্ট দিবে আল্লাহ্ তা'আলাও তাকে কষ্ট দিবেন।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কোন সক্ষম ব্যক্তি কারোর অধিকার আদায়ে টালবাহানা করলে তাকে জেলে আটকে রাখা হবে যতক্ষণ না সে তা আদায় করে

📄 কোন সক্ষম ব্যক্তি কারোর অধিকার আদায়ে টালবাহানা করলে তাকে জেলে আটকে রাখা হবে যতক্ষণ না সে তা আদায় করে


কোন ধনী ব্যক্তি অন্যের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে টালবাহানা করলে অথবা কেউ কাউকে কোন ব্যাপারে অপবাদ দিলে এবং লোকটিও সে ব্যাপারে সন্দেহভাজন হলে তাকে জেলে আটকে রাখা হবে যতক্ষণ না সে উক্ত ব্যাপারে সুস্পষ্ট উক্তি করে।
হযরত শারীদ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসুল ইরশাদ করেন:
لَيُّ الْوَاجِدِ يُحِلُّ عِرْضَهُ وَ عُقُوبَتَهُ (আবু দাউদ, হাদীস ৩৬২৮)
অর্থাৎ ধনী লোকের টালবাহানা তার ইয্যত বিনষ্ট করা এবং তাকে শাস্তির সম্মুখীন করাকে জায়িয করে দেয়।
হযরত মু'আবিয়া বিন্ ‘হাইদাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন:
حَبَسَ النَّبِيُّ ﷺ رَجُلًا فِي تُهْمَةٍ (আবু দাউদ, হাদীস ৩৬৩০)
অর্থাৎ নবী জনৈক ব্যক্তিকে অপবাদের ভিত্তিতেই আটক করেন।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 নিজের ভুল জানা সত্ত্বেও অন্যের সাথে বিবাদে লিপ্ত হলে আল্লাহ্ তা‘আলা তার উপর অসন্তুষ্ট হন যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে

📄 নিজের ভুল জানা সত্ত্বেও অন্যের সাথে বিবাদে লিপ্ত হলে আল্লাহ্ তা‘আলা তার উপর অসন্তুষ্ট হন যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে


নিজেই ভুলের উপর তা জেনেশুনেও কেউ অন্যের সাথে বিবাদে লিপ্ত হলে আল্লাহ্ তা'আলা তার উপর অসন্তুষ্ট হন যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে।
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
مَنْ خَاصَمَ فِي بَاطِلِ وَ هُوَ يَعْلَمُهُ ، لَمْ يَزَلْ فِي سَخَطَ اللَّهِ حَتَّى يَنْزِعَ عَنْهُ (আবু দাউد, হাদীস ৩৫৯৭)
অর্থাৎ কেউ যদি জেনেশুনে অন্যায় ব্যাপারে অপরের সঙ্গে বিবাদে লিপ্ত হয় আল্লাহ্ তা'আলা তার উপর খুবই রাগান্বিত হন যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00