📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মানব অধিকার সংরক্ষণের খাতিরে একজন সাক্ষী ও বাদীর কসমের ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে

📄 অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মানব অধিকার সংরক্ষণের খাতিরে একজন সাক্ষী ও বাদীর কসমের ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে


অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের অধিকার সংরক্ষণের খাতিরে একজন সাক্ষী এবং বাদীর কসমের ভিত্তিতেও বিচার করা যেতে পারে। হযরত আবু হুরাইরাহ্, জাবির ও হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
قَضَى رَسُولُ اللَّهِ بِالْيَمِينِ مَعَ الشَّاهِدِ (আবু দাউদ, হাদীস ৩৬০৮, ৩৬১০ ইন্নু মাজাহ, হাদীস ২৩৯৭, ২৩৯৮, ২৩৯৯)
অর্থাৎ একদা রাসূল একজন সাক্ষী ও বাদীর কসমের ভিত্তিতে ফায়সালা করেন।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 সুযোগ পেয়ে নিজের নয় এমন জিনিস দাবি করলে সে মুসলমান থাকে না

📄 সুযোগ পেয়ে নিজের নয় এমন জিনিস দাবি করলে সে মুসলমান থাকে না


কোন ধরনের সুযোগ পেয়ে নিজের নয় এমন জিনিস দাবি করলে সে মুসলমান থাকে না। বরং তার ঠিকানা হয় তখন জাহান্নাম। হযরত আবু যর থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
مَنِ ادَّعَى مَا لَيْسَ لَهُ فَلَيْسَ مِنَّا ، وَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ (ইবনু মাজাহ, হাদীস ২৩৪৮)
অর্থাৎ যে ব্যক্তি এমন জিনিস দাবি করলো যা তার নয় তা হলে সে আমার উম্মত নয় এবং সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 বিচারকের বিচার কোন অবৈধ বস্তুকে বৈধ করে দেয় না

📄 বিচারকের বিচার কোন অবৈধ বস্তুকে বৈধ করে দেয় না


বিচারকের বিচার কোন অবৈধ বস্তুকে বৈধ করে দেয় না। সুতরাং কেউ বিচারের মাধ্যমে কোন কিছু পেয়ে গেলে যা তার নয় সে যেন অতিসত্বর তা মালিককে পৌঁছিয়ে দেয়। সে যেন অবৈধভাবে তা ভোগ বা ভক্ষণ না করে।
হযরত উম্মে সালামাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী ইরশাদ করেন:
إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ ، وَ إِنَّكُمْ تَخْتَصِمُوْنَ إِلَيَّ ، وَ لَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُوْنَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ ، وَ أَقْضِيْ لَهُ عَلَى نَحْوِ مَا أَسْمَعُ ، فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ مِنْ حَقِّ أَخِيْهِ شَيْئًا فَلَا يَأْخُذْ ، فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ قِطْعَةً مِنَ النَّارِ (বুখারী, হাদীস ২৪৫৮, ২৬৮০, ৬৯৬৭, ৭১৬৯, ৭১৮১, ৭১৮৫ মুসলিম, হাদীস ১৭১৩)
অর্থাৎ আমি তো মানুষ মাত্র। আর তোমরা আমার কাছে মাঝে মাঝে বিচার নিয়ে আসো। হয়তো বা তোমাদের কেউ কেউ নিজ প্রমাণ উপস্থাপনে অন্যের চাইতে অধিক পারঙ্গম। অতএব আমি শুনার ভিত্তিতেই তার পক্ষে ফায়সালা করে দেই। সুতরাং আমি যার পক্ষে তার কোন মুসলমান ভাইয়ের কিছু অধিকার ফায়সালা করে দেই সে যেন তা গ্রহণ না করে। কারণ, আমি উক্ত বিচারের ভিত্তিতে তার হাতে একটি জাহান্নামের আগুনের টুকরাই উঠিয়ে দেই।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 আপনার স্বেচ্ছাচারিতা যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয়

📄 আপনার স্বেচ্ছাচারিতা যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয়


আপনার মালিকানাধীন জায়গায় আপনি যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন না যাতে অন্য জন কষ্ট পায়। বরং এমনভাবেই আপনি আপনার জমিন ব্যবহার করবেন যাতে আপনার পাশের ব্যক্তি কোনভাবেই কষ্ট না পায়। হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ ও হযরত ‘উবাদাহ্ বিন্ স্বামিত্ থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا ضَرَرَ وَ لَا ضِرَارَ (ইন্নু মাজাহ, হাদীস ২৩৬৯, ২৩৭০)
অর্থাৎ না তুমি নিজ বা অন্যের ক্ষতি করতে পারো। আর না তোমরা পরস্পর (প্রতিশোধের ভিত্তিতে) একে অপরের ক্ষতি করতে পারো।
হযরত আবু স্বিরমাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
مَنْ ضَارَّ أَضَرَّ الله به ، وَ مَنْ شَاقَ شَقَّ اللَّهُ عَلَيْهِ (আবু দাউদ, হাদীস ৩৬৩৫ ইব্বু মাজাহ, হাদীস ২৩৭১)
অর্থাৎ যে অপরের ক্ষতি করবে আল্লাহ্ তা'আলা তার ক্ষতি করবেন এবং যে অপরকে কষ্ট দিবে আল্লাহ্ তা'আলাও তাকে কষ্ট দিবেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00