📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 যাদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়

📄 যাদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়


আত্মসাৎকারী পুরুষ ও মহিলার সাক্ষ্য, কারোর বিপক্ষে তার শত্রুর সাক্ষ্য, ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণীর সাক্ষ্য: কাউকে ব্যভিচারের অপবাদ দিয়ে তার বিরুদ্ধে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করতে না পারার দরুন দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাক্ষ্য, কোন পরিবারের পক্ষে তাদের কাজের লোকের সাক্ষ্য এবং শরীয়তের বিধি-বিধানের ব্যাপারে একেবারেই অজ্ঞ লোকের সাক্ষ্য কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।
হযরত ‘আবদুল্লাহ্ বিন ‘আমর বিন ‘আস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
رَدُّ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ شَهَادَةَ الْخَائِنَةِ وَ الْخَائِنِةِ، وَ ذِي الْغِمْرِ عَلَى أَخِيْهِ ، وَ رَدُّ شَهَادَةَ الْقَانِعِ لِأَهْلِ الْبَيْتِ ، وَ فِيْ رِوَايَةِ : وَ لَا تَجُوْزُ شَهَادَةُ زَانٍ وَّ لَا زَانِيَةٍ (আবু দাউদ, হাদীস ৩৬০০, ৩৫os ইবনু মাজাহ্, হাদীস ২৩৬৫)
অর্থাৎ রাসূল ﷺ আত্মসাৎকারী পুরুষ ও মহিলার সাক্ষ্য এবং কোন মুসলিম ভাইয়ের বিপক্ষে তার শত্রুর সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করেন। তেমনিভাবে তিনি প্রত্যাখ্যান করেন কোন পরিবারের পক্ষে তাদের লোকের সাক্ষ্য। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, কোন ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণীর সাক্ষ্য শরীয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন:
لَا تَجُوْزُ شَهَادَةُ بَدَوِيٍّ عَلَى صَاحِبِ قَرْيَةٍ (আবু দাউদ, হাদীস ৩৬০২ ইবনু মাজাহ্, হাদীস ২৩৬৬)
অর্থাৎ কোন মরুবাসীর সাক্ষ্য শহরে ব্যক্তির বিপক্ষে বৈধ নয়। কারণ, মরুवासी শরীয়তের বিধি-বিধান না জানার দরুন সাক্ষ্য গ্রহণ ও প্রদান সম্পর্কে নিতান্তই অজ্ঞ।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কোন কারণে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছা সম্ভবপর না হলে পরস্পরের ছন্দের ভিত্তিতে যে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছা জায়েয

📄 কোন কারণে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছা সম্ভবপর না হলে পরস্পরের ছন্দের ভিত্তিতে যে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছা জায়েয


বিচারের ক্ষেত্রে কোন কারণে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছা সম্ভবপর না হলে অন্ততপক্ষে পরস্পরের ছাড়ের ভিত্তিতে একান্ত বুঝাপড়ার মাধ্যমে কোন এক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়াও জায়িয।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ ও হযরত ‘আমর বিন্ ‘আউফ্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
الصُّلْحُ جَائِرٌ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ ؛ إِلَّا صُلْحًا أَحَلَّ حَرَامًا أَوْ حَرَّمَ حَلَالًا (আবু দাউদ, হাদীস ৩৫৯৪ তিরমিযী, হাদীস ১৩৫২ ইবনু মাজাহ, হাদীস ২৩৮২)
অর্থাৎ মুসলমানদের মাঝে পরস্পরের বুঝাপড়ার ভিত্তিতে কোন এক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়াও জায়িয। তবে সে সিদ্ধান্ত এমন যেন না হয় যে, তাতে কোন হারামকে হালাল করা হয়েছে অথবা হালালকে হারাম করা হয়েছে।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মানব অধিকার সংরক্ষণের খাতিরে একজন সাক্ষী ও বাদীর কসমের ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে

📄 অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মানব অধিকার সংরক্ষণের খাতিরে একজন সাক্ষী ও বাদীর কসমের ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে


অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের অধিকার সংরক্ষণের খাতিরে একজন সাক্ষী এবং বাদীর কসমের ভিত্তিতেও বিচার করা যেতে পারে। হযরত আবু হুরাইরাহ্, জাবির ও হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
قَضَى رَسُولُ اللَّهِ بِالْيَمِينِ مَعَ الشَّاهِدِ (আবু দাউদ, হাদীস ৩৬০৮, ৩৬১০ ইন্নু মাজাহ, হাদীস ২৩৯৭, ২৩৯৮, ২৩৯৯)
অর্থাৎ একদা রাসূল একজন সাক্ষী ও বাদীর কসমের ভিত্তিতে ফায়সালা করেন।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 সুযোগ পেয়ে নিজের নয় এমন জিনিস দাবি করলে সে মুসলমান থাকে না

📄 সুযোগ পেয়ে নিজের নয় এমন জিনিস দাবি করলে সে মুসলমান থাকে না


কোন ধরনের সুযোগ পেয়ে নিজের নয় এমন জিনিস দাবি করলে সে মুসলমান থাকে না। বরং তার ঠিকানা হয় তখন জাহান্নাম। হযরত আবু যর থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
مَنِ ادَّعَى مَا لَيْسَ لَهُ فَلَيْسَ مِنَّا ، وَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ (ইবনু মাজাহ, হাদীস ২৩৪৮)
অর্থাৎ যে ব্যক্তি এমন জিনিস দাবি করলো যা তার নয় তা হলে সে আমার উম্মত নয় এবং সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00