📄 বিচারকের নিকট যে কোন ব্যক্তির অভিযোগ পৌঁছানো যেন কোনভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয় উহার প্রতি বিচারকের অবশ্যই যত্নবান হতে হবে
হযরত ‘আমর বিন্ মুৰ্বাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
مَا مِنْ إِمَامٍ يُغْلِقُ بَابَهُ دُوْنَ ذَوِي الْحَاجَةِ وَ الْخَلَّةِ وَ الْمَسْكَنَةِ ؛ إِلَّا أَغْلَقَ اللَّهُ أَبْوَابَ السَّمَاءِ دُوْنَ خَلَّتِهِ وَ حَاجَتِهِ وَ مَسْكَنَتِهِ (তিরমিযী, হাদীস ১৩৩২)
অর্থাৎ কোন সমস্যায় জর্জরিত ব্যক্তি কোন রাষ্ট্রপতি অথবা বিচারকের নিকট তার অভিযোগ উত্থাপন করতে বাধাগ্রস্ত হলে সেও আল্লাহ্ তা'আলার নিকট নিজ সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতে বাধাগ্রস্ত হবে।
📄 বিচারক বিচারের সময় কোন ব্যাপারেই রাগান্বিত হতে পারবেন না
হযরত আবু বাক্বাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لا يَحْكُمُ الْحَاكِمُ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَ هُوَ غَضْبَانُ (তিরমিযী, হাদীস ১৩৩৪ আবু দাউদ, হাদীস ৩৫৮৯ ইন্ধু মাজাহ, হাদীস ২৩৪৫)
অর্থাৎ কোন বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দু' পক্ষের মাঝে বিচার না করে।
📄 যুদ্ধ ক্ষেত্রে অন্যায়ভাবে বিচারকারীকে রাসূল ﷺ লা‘নত করেন
ঘুষ খেয়ে অন্যায়ভাবে বিচারকারীকে আল্লাহ্’র রাসূল লা'নত করেন।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ ও হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আমর বিন্ ‘আস্ব থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
لَعَنَ رَسُوْلُ اللَّهِ الرَّاشِيِّ وَ الْمُرْتَشِي فِي الْحُكْمِ (তিরমিযী, হাদীস ১৩৩৬, ১৩৩৭ আবু দাউদ, হাদীস ৩৫৮০ ইন্নু মাজাহ, হাদীস ২৩৪২)
অর্থাৎ রাসূল লানত করেন বিচারের ব্যাপারে ঘুষদাতা ও ঘুষগ্রহীতা উভয়কেই।
📄 বিচারের ক্ষেত্রে সাক্ষী-প্রমাণ উপস্থাপনের দায়িত্ব একমাত্র বাদীর উপর এবং কসম হচ্ছে বিবাদীর উপর
হযরত শু'আইব থেকে বর্ণিত তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন: নবী একদা তাঁর খুৎবায় বলেন:
الْبَيِّنَةُ عَلَى الْمُدَّعِي وَ الْيَمِينُ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ (তিরমিযী, হাদীস ১৩৪১)
অর্থাৎ বাদীর উপর সাক্ষী-প্রমাণ এবং বিবাদীর উপর কসম।