📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 চুগলি করা

📄 চুগলি করা


চুগলি করা তথা মানুষে মানুষে দ্বন্দ্ব লাগানোর জন্য একের কথা অন্যের কাছে লাগানো কবীরা গুনাহ্। মানুষে মানুষে বৈরিতা-বিদ্বেষ, আত্মীয়তার বন্ধন বিচ্ছেদ এবং মুসলমানদের মাঝে পরস্পর শত্রুতা জন্ম নেয়ার এ এক বড় কারণ। তাই তো আল্লাহ্ তা'আলা এ জাতীয় ব্যক্তির আনুগত্য করতে নিষেধ করেন। চাই সে যতই সম্পদশালী হোক না কেন।
আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
وَ لَا تُطِعْ كُلَّ حَلافٍ مَّهِينٍ ، هَمَّازٍ مَّشَاء بِنَمِيمٍ ، مَّنَّاعٍ لِلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ ، عُتُلٌ بَعْدَ ذَلِكَ زَنِيْمٍ أَنْ كَانَ ذَا مَالٍ وَّ بَنِيْنَ ) (ক্বালাম: ১০-১৪)
অর্থাৎ তুমি অনুসরণ করো না এমন প্রত্যেক ব্যক্তির যে কথায় কথায় কসম খায়, লাঞ্ছিত, পরনিন্দুক, চুগলখোর, কল্যাণকর কাজে বাধা প্রদানকারী, সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ, রূঢ় স্বভাবের অধিকারী এবং সর্বোপরি সে কুখ্যাত। এ জন্য অনুসরণ করো না যে, সে ব্যক্তি ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে সমৃদ্ধশালী।
চুগলি করা কবরের আযাবের বিশেষ একটি কারণ।
হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
مَرَّ النَّبِيُّ بِقَبْرَيْنِ ، فَقَالَ: إِنَّهُمَا لَيُعَذِّبَانِ ، وَ مَا يُعَذِّبَانِ فِي كَبِيرٍ ، وَ فِي رِوَايَة: بَلَى إِنَّهُ كَبِيرٌ ، أَمَّا أَحَدُهُمَا فَكَانَ لَا يَسْتَتِرُ مِنَ الْبَوْلِ ، وَأَمَّا الْآخَرُ فَكَانَ يَمْشِي بِالنَّمِيمَةِ ، ثُمَّ أَخَذَ جَرِيدَةً رَطْبَةً فَشَقَّهَا نِصْفَيْنِ ، فَغَرَزَ فِي كُلِّ قَبْرٍ وَاحِدَةً، قَالُوا: يَا رَسُوْلَ اللهِ! لِمَ فَعَلْتَ هَذَا ؟ قَالَ: لَعَلَّهُ يُخَفِّفُ عَنْهُمَا مَا لَمْ يَيْبَسَا (বুখারী, হাদীস ২১৮ মুসলিম, হাদীস ২৯২)
অর্থাৎ একদা নবী দু'টি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন: এ দু' জন কবরবাসীকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। তবে তা আপাত দৃষ্টিতে কোন বড় অপরাধের জন্য নয়। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, বাস্তবে তা সত্যিই বড় অপরাধ অথবা বস্তুতঃ উক্ত দু'টি গুনাহ্ থেকে রক্ষা পাওয়া তাদের জন্য কোন কষ্টকরই ছিলো না। তাদের এক জন নিজ প্রস্রাব থেকে ভালোভাবে পবিত্রতার্জন করতো না আর অপর জন মানুষের মাঝে চুগলি করে বেড়াতো। অতঃপর রাসূল খেজুর গাছের একটি তাজা ডালকে দু' ভাগ করে প্রত্যেক কবরে একটি করে গেড়ে দিলেন। সাহাবারা জিজ্ঞাসা করলেন: হে আল্লাহ্'র রাসূল ! আপনি কেন এমন করলেন? রাসূল বললেন: হয়তো বা তাদের শাস্তি হালকা করে দেয়া হবে যতক্ষণ না ডাল দু'টি শুকাবে।
চুগলখোর জান্নাতে যাবে না।
হযরত ‘হুযাইফাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি নবী কে এ কথা বলতে শুনেছি তিনি বলেন:
لا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ فَتَاتٌ وَ فِي رِوَايَةِ: نَمَّامٌ (বুখারী, হাদীস ৬০৫৬ মুসলিম, হাদীস ১০৫)
অর্থাৎ চুগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করবে না。
কেউ কারোর সাথে কথা বলার সময় এদিক ওদিক তাকালে তা আর অন্যের কাছে বলা যাবে না। বরং উক্ত কথাগুলোকে আমানত হিসেবেই ধরে নিতে হবে। হযরত জাবির বিন্ আব্দুল্লাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
إِذَا حَدَّثَ الرَّجُلُ بِالْحَدِيْثِ ثُمَّ الْتَفَتَ ، فَهِيَ أَمَانَةٌ (আবু দাউদ, হাদীস ৪৮৬৮)
অর্থাৎ কোন ব্যক্তি কথা বলার সময় এদিক ওদিক তাকালে তা আমানত হিসেবেই ধরে নিতে হবে।
তবে কারোর কাছে অন্যের ব্যাপারে মীমাংসার নিয়তে ভালো কথা লাগানো মিথ্যা অথবা চুগলি নয়। হযরত উম্মে কুলসুম (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী ইরশাদ করেন:
لَمْ يَكْذِبْ مَنْ نَمَى بَيْنَ اثْنَيْنِ لِيُصْلِحَ وَ فِي لَفْظ: لَيْسَ بِالْكَاذِبِ مَنْ أَصْلَحَ بَيْنَ النَّاسِ ، فَقَالَ خَيْرًا أَوْ نَمَى خَيْرًا (আবু দাউদ, হাদীস ৪৯২০)
অর্থাৎ সে ব্যক্তি মিথ্যা বলেনি যে দু' জনের মাঝে মীমাংসার জন্য চুগলি করলো। অন্য শব্দে এসেছে, সে ব্যক্তি মিথ্যুক নয় যে মানুষের মাঝে মীমাংসা করলো এবং তা করতে গিয়ে ভালো কথা বললো অথবা ভালো কথার চুগলি করলো।
কেউ কারোর নিকট অন্যের ব্যাপারে চugli করলে তার করণীয় হবে ছয়টি কাজ। যা নিম্নরূপ:
ক. তার কথা একেবারেই বিশ্বাস করবে না। কারণ, সে ফাসিক। আর ফাসিকের সংবাদ শরীয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।
খ. তাকে এ মন্দ কাজ থেকে বারণ করবে এবং তাকে সদুপদেশ দিবে।
গ. তাকে আল্লাহ্ তা'আলার সন্তুষ্টির জন্য ঘৃণা করবে। কারণ, সে আল্লাহ্ তা'আলার নিকটও সত্যিই ঘৃণিত।
ঘ. যার সম্পর্কে সে চুগলি করেছে তার সম্পর্কে আপনি খারাপ ভাববেন না।
৬. এরই কথার কারণে আপনি ওর পেছনে পড়বেন না।
চ. উক্ত চুগলি সে অন্যের নিকট বর্ণনা করতে যাবে না।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কাউকে লা'নত বা অভিসম্পাত করা

📄 কাউকে লা'নত বা অভিসম্পাত করা


কোন বস্তু বা ব্যক্তিকে লা'নত বা অভিসম্পাত করা আরেকটি কবীরা গুনাহ্। তাই তো রাসূল কাউকে লা'নত করা তাকে হত্যা করার সমতুল্য বলে আখ্যায়িত করেছেন।
হযরত সাবিত বিন যাহ্হাক থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
وَ مَنْ لَعَنَ مُؤْمِنًا فَهُوَ كَقَتْله (বুখারী, হাদীস ৬০৪৭)
অর্থাৎ কোন ঈমানদার ব্যক্তিকে লা'নত করা তাকে হত্যা করার সমতুল্য।
লা'নত করা তো কোনভাবেই মু'মিনের চরিত্র হতে পারে না।
কাউকে লা'নত করা কোন সিদ্দীক তথা বিনা দ্বিধায় নবী আদর্শের সত্যিকার অনুসারী এমনকি সাধারণ কোন মু'মিনেরও বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا يَنْبَغِي لِصِدِّيقِ أَنْ يَكُوْنَ لَعَانًا (মুসলিম, হাদীস ২৫৯৭)
অর্থাৎ কোন সিদ্দীকের জন্য উচিৎ নয় যে, সে লা'নতকারী হবে।
হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী ইরশাদ করেন:
لَا يَكُوْنُ الْمُؤْمِنُ لَعَّانًا (তিরমিযী, হাদীস ২০১৯)
অর্থাৎ মু'মিন তো কখনো লা'নতকারী হতে পারে না।
কাউকে লা'নত করলে সে ব্যক্তি লা'নতের উপযুক্ত না হলে উক্ত লা'نত লা'নতকারীর উপরই প্রত্যাবর্তন করবে। হযরত উম্মুদ্দারদা' (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি আবুদ্দারদা' কে বলতে শুনেছি তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا لَعَنَ شَيْئًا صَعِدَتِ اللَّعْنَةُ إِلَى السَّمَاءِ ، فَتَعْلَقُ أَبْوَابُ السَّمَاءِ دُونَهَا ، ثُمَّ تَهْبِطُ إِلَى الْأَرْضِ ، فَتُعْلَقُ أَبْوَابُهَا دُونَهَا ، ثُمَّ تَأْخُذُ يَمِينَا وَ شِمَالاً ، فَإِذَا لَمْ تَجِدْ مَسَانًا رَجَعَتْ إِلَى الَّذِي لُعنَ ، فَإِنْ كَانَ لذَلكَ أَهْلاً ، وَ إِلَّا رَجَعَتْ إِلَى قَائِلُهَا (আবু দাউদ, হাদীস ৪৯০৫)
অর্থাৎ নিশ্চয়ই কোন বান্দাহ্ কোন বস্তুকে লা'নত করলে উক্ত লা'নত আকাশের দিকে উঠে যায়। ইতিমধ্যেই আকাশের দরোজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। তখন তা আকাশে উঠতে না পেরে জমিনের দিকে নেমে আসে। ইতিমধ্যেই জমিনের দরোজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। তখন তা ডানে-বাঁয়ে পথ খোঁজাখুঁজি করে। পরিশেষে কোন ক্ষেত্র না পেয়ে তা লা'নতকৃত ব্যক্তির নিকটই ফিরে আসে। যদি সে উক্ত লা'নতের উপযুক্তই হয়ে থাকে তা হলে তো ভালোই নতুবা তা লা'নতকারীর দিকেই প্রত্যাবর্তন করবে। লা'নতকারী শহীদ ও সুপারিশকারী হতে পারবে না। হযরত আবুদ্দারদা' থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا يَكُوْنُ اللَّعَّانُوْنَ شُفَعَاءَ وَ لَا شُهَدَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ (মুসলিম, হাদীস ২৫৯৮ আবু দাউদ, হাদীস ৪৯০৭)
অর্থাৎ লা'নতকারীরা কিয়ামতের দিন কখনো শহীদ ও সুপারিশকারী হতে পারবে না।
কেউ কোন বস্তু বা ব্যক্তিকে লা'نত করলে তিনি অন্যের কাছে তাঁর নিজ সম্মান হারিয়ে ফেলেন।
হযরত ‘ইমরان বিন্ ‘হুস্বাইন থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
بَيْنَمَا رَسُوْلُ اللَّهِ فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ ، وَ امْرَأَةٌ مِنَ الْأَنْصَارِ عَلَى نَاقَةٍ ، فَضَجِرَتْ فَلَعَنَتْهَا ، فَسَمِعَ ذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ فَقَالَ : خُذُوا مَا عَلَيْهَا وَ دَعُوْهَا ، فَإِنَّهَا مَلْعُونَةٌ (মুসলিম, হাদীস ২৫৯৫)
অর্থাৎ একদা রাসূল সফর করছিলেন এমতাবস্থায় জনৈকা আন্সারী মহিলা নিজ উটের উপর বিরক্ত হয়ে তাকে লা'نত করলো। রাসূল তা শুনে সাহাবাদেরকে বললেন: তোমরা তার সকল আসবাবপত্র নামিয়ে লও এবং তাকে এমনিতেই ছেড়ে দাও। কারণ, সে লা'نতপ্রাপ্তা।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কারোর সাথে কোন ব্যাপারে চুক্তি বা ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করা

📄 কারোর সাথে কোন ব্যাপারে চুক্তি বা ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করা


কারোর সাথে কোন ব্যাপারে চুক্তি বা ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করা আরেকটি কবীরা গুনাহ্। তাই তো এ জাতীয় ব্যক্তিকে মুনাফিক বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী ইরশাদ করেন:
أَرْبَعٌ مَنْ كُنَّ فِيْهِ كَانَ مُنَافِقًا خَالِصًا ، وَ مَنْ كَانَتْ فِيْهِ خَصْلَةٌ مِنْهُنَّ كَانَتْ فِيهِ خَصْلَةٌ مِنَ النِّفَاقِ حَتَّى يَدَعَهَا : إِذَا اؤْتُمِنَ خَانَ ، وَ إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ ، وَإِذَا عَاهَدَ غَدَرَ ، وَ إِذَا خَاصَمَ فَجَرَ (বুখারী, হাদীস ৩৪)
অর্থাৎ চারটি চরিত্র কারোর মধ্যে পাওয়া গেলে সে খাঁটি মুনাফিক হিসেবেই বিবেচিত হবে। আর যার মধ্যে সেগুলোর একটি পাওয়া গেলো তার মধ্যে তো শুধু মুনাফিকীর একটি চরিত্রই পাওয়া গেলো যতক্ষণ না সে তা ছেড়ে দেয়। উক্ত চরিত্রগুলো হলো: যখন তার কাছে কোন কিছু আমানত রাখা হয় তখন সে তা খেয়ানত করে, যখন সে কোন কথা বলে তখন সে মিথ্যা বলে, যখন সে কারোর সাথে কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হয় তখন সে তা ভঙ্গ করে এবং যখন সে কারোর সাথে ঝগড়া দেয় তখন সে অশ্লীল কথা বলে।
কিয়ামতের দিন প্রত্যেক চুক্তি ভঙ্গকারী বা ওয়াদা খেলাফীর পাছার নিকট একটি করে ঝাণ্ডা প্রোথিত থাকবে এবং যা দিয়ে সে কিয়ামতের দিন বিশ্ব জন সমাবেশে পরিচিতি লাভ করবে।
হযরত আনাস্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُعْرَفُ بِهِ (মুসলিম, হাদীস ১৭৩৭)
অর্থাৎ কিয়ামতের দিন প্রত্যেক চুক্তি ভঙ্গকারীর একটি করে ঝাণ্ডা হবে যা দিয়ে সে পরিচিতি লাভ করবে।
হযরত আবু সাঈদ খুদ্রী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ عِنْدَ اسْتِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ (মুসলিম, হাদীস ১৭৩৮)
অর্থাৎ কিয়ামতের দিন প্রত্যেক চুক্তি ভঙ্গকারীর একটি করে ঝাণ্ডা হবে যা তার পাছার নিকট প্রোথিত থাকবে।
হযরত আবু সাঈদ খুদ্রী থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُرْفَعُ لَهُ بِقَدْرِ غَدْرِهِ ، أَلَا وَ لَا غَادِرَ أَعْظَمُ غَدْرًا مِنْ أَمِيرِ عَامَّةٍ (মুসলিম, হাদীস ১৭৩৮)
অর্থাৎ কিয়ামতের দিন প্রত্যেক চুক্তি ভঙ্গকারীর একটি করে ঝাণ্ডা হবে যা তার চুক্তি ভঙ্গের পরিমাণ অনুযায়ী উত্তোলন করা হবে। জেনে রাখো, সে ব্যক্তি অপেক্ষা বড় চুক্তি ভঙ্গকারী আর কেউ হতে পারে না যে সাধারণ জনগণের দায়িত্বভার হাতে নিয়ে তাদের সঙ্গেই চুক্তি ভঙ্গ করে।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কোন মু'মিন বা মুসলমান ব্যক্তি অহঙ্কারকারী কৃপণ অথবা কঠিন হৃদয় সম্পন্ন হওয়া

📄 কোন মু'মিন বা মুসলমান ব্যক্তি অহঙ্কারকারী কৃপণ অথবা কঠিন হৃদয় সম্পন্ন হওয়া


কোন মু'মিন বা মুসলমান ব্যক্তি অহঙ্কারকারী কৃপণ অথবা কঠিন হৃদয় সম্পন্ন হওয়া আরেকটি কবীরা গুনাহ্ ও হারাম। রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ الْجَوَّاظُ وَ الْجَعْظَرِيُّ (স'হীহল্ জামি', হাদীস ৪৫১৯)
অর্থাৎ অহঙ্কারকারী কৃপণ ও কঠিন হৃদয় সম্পন্ন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00