📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 সিগার বিবাহ

📄 সিগার বিবাহ


শিগার বিবাহ্ তথা একজন অপরজনকে এমন বলা যে, আমি তোমার নিকট আমার বোন বা মেয়েটিকে বিবাহ্ দিচ্ছি এ শর্তে যে, তুমি আমার নিকট তোমার বোন বা মেয়েটিকে বিবাহ্ দিবে। তবে তাতে কোন ধরনের মোহরের আদান-প্রদান হবে না অথবা হতেও পারে এমন কাজ হারাম।
হযরত আবু হুরাইরাহ্, জাবির বিন্ আব্দুল্লাহ্ ও হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
নَهَى رَسُوْلُ اللَّهِ ﷺ عَنِ الشَّغَارِ (মুসলিম, হাদীস ১৪১৫, ১৪১৬, ১৪১৭)
অর্থাৎ রাসূল শিগার বিবাহ্ করতে নিষেধ করেন। হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا شِغَارَ فِي الإِسْلَامِ (মুসলিম, হাদীস ১৪১৫)
অর্থাৎ ইসলাম ধর্মে শিগার বিবাহ্ বলতে কিছুই নেই।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কোন মহিলাকে বিবাহ করার পর সে স্ত্রী থাকাবস্থায় তার আপন খালা অথবা ফুফীকে বিবাহ করা

📄 কোন মহিলাকে বিবাহ করার পর সে স্ত্রী থাকাবস্থায় তার আপন খালা অথবা ফুফীকে বিবাহ করা


কোন মহিলাকে বিবাহ করার পর সে স্ত্রী থাকাবস্থায় তার আপন খালা অথবা ফুফীকে বিবাহ করা হারাম। হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا يُجْمَعُ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَ عَمَّتِهَا وَ لَا بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَ خَالَتِهَا (মুসলিম, হাদীস ১৪০৮)
অর্থাৎ কোন মহিলা ও তার (আপন) ফুফীকে এবং কোন মহিলা ও তার (আপন) খালাকে কারোর বিবাহ বন্ধনে একত্রিত করা যাবে না। হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا تُنْكَحُ الْعَمَّةُ عَلَى بِنْتِ الْأَخِ وَ لَا ابْنَةُ الْأُخْتِ عَلَى الْخَالَةِ (মুসলিম, হাদীস ১৪০৮)
অর্থাৎ ফুফীকে তার ভাতিজির উপর এবং বোনঝিকে তার খালার উপর বিবাহ্ করা যাবে না।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 সতিনের তালাক অথবা কারোর কাছে বিবাহ বসার জন্য তার পূর্বের স্ত্রীর তালাক চাওয়া

📄 সতিনের তালাক অথবা কারোর কাছে বিবাহ বসার জন্য তার পূর্বের স্ত্রীর তালাক চাওয়া


সতিনের তালাক অথবা কারোর কাছে বিবাহ্ বসার জন্য তার পূর্বের স্ত্রীর তালাক চাওয়া হারাম।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا يَحِلُّ لامْرَأَةِ تَسْأَلُ طَلَاقَ أُخْتِهَا لِتَسْتَفْرِغَ صَحْفَتَهَا ، فَإِنَّمَا لَهَا مَا قُدَّرَ لَهَا ، وَ فِي رِوَايَةٍ : لَا تَسْأَلِ الْمَرْأَةُ طَلَاقَ الْأُخْرَى لِتَكْتَفِئَ مَا فِي إِنَائِهَا (বুখারী, হাদীস ৫১৫২ মুসলিম, হাদীস ১৪১৩)
অর্থাৎ কোন মহিলার জন্য হালাল হবে না তার কোন মুসলিম বোনের তালাক চাওয়া যাতে করে তার স্বামীর ভাগটুকু পুরোপুরি নিজের আয়ত্বে এসে যায়। কারণ, সে তো তাই পাবে যা তার ভাগ্যে লেখা আছে। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, কোন মহিলা যেন অন্য মহিলার তালাক না চায় যাতে করে তার স্বামীর ভাগটুকু পুরোপুরি নিজের আয়ত্বে এসে যায়।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 স্বামীর মৃত্যুর পর কোন মহিলাকে তার মৃত স্বামীর কোন আত্মীয়ের নিকট বিবাহ বসতে বাধ্য করা

📄 স্বামীর মৃত্যুর পর কোন মহিলাকে তার মৃত স্বামীর কোন আত্মীয়ের নিকট বিবাহ বসতে বাধ্য করা


স্বামীর মৃত্যুর পর কোন মহিলাকে তার মৃত স্বামীর কোন আত্মীয়ের নিকট বিবাহ্ বসতে বাধ্য করা হারাম।
আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَحِلُّ لَكُمْ أَنْ تَرِثُوا النِّسَاءَ كَرْهًا ، وَ لَا تَعْضُلُوْهُنَّ ) (নিসা': ১৯)
অর্থাৎ হে ঈমানদারগণ এটা তোমাদের জন্য হালাল হবে না যে, তোমরা বলপূর্বক নারীদের উত্তরাধিকারী হয়ে যাবে এবং তোমরা তাদেরকে প্রতিরোধ করো না।
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন: জাহিলী যুগে কেউ মারা গেলে তার ওয়ারিশ্রা তার স্ত্রীর মালিক হয়ে যেতো। তখন বিবাহ'র ক্ষেত্রে উক্ত মহিলার নিজের উপর তার কোন কর্তৃত্ব থাকতো না। ওয়ারিশদের কেউ চাইলে তাকে নিজেই বিবাহ্ করে নিতো অথবা তাদের খেয়ালখুশি মতো কারোর নিকট উক্ত মহিলাকে বিবাহ্ দিয়ে দিতো। নয়তো বা তাকে এভাবেই রেখে দিতো। কারোর নিকট তাকে বিবাহ্ও দিতো না। তখন উক্ত আয়াতটি তাদের ব্যাপারেই নাযিল হয়। (আবু দাউদ, হাদীস ২০৮৯)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00