📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 মুত'আ বিবাহ তথা কোন কিছুর বিনিময়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিবাহ করা

📄 মুত'আ বিবাহ তথা কোন কিছুর বিনিময়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিবাহ করা


মু'আ বিবাহ্ তথা কোন কিছুর বিনিময়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিবাহ্ করা হারাম। আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
وَ الَّذِيْنَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُوْنَ ، إِلَّا عَلَى أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُوْمِيْنَ ، فَمَنِ ابْتَغَى وَرَاءَ ذَلِكَ فَأُوْلَائِكَ هُمُ الْعَادُوْنَ ) (মা'আরিজ: ২৯-৩১)
অর্থাৎ আর যারা নিজ যৌনাঙ্গ হিফাযতকারী। তবে যারা নিজ স্ত্রী ও অধিকারভুক্ত দাসীদের সঙ্গে যৌনকর্ম সম্পাদন করে তারা অবশ্যই নিন্দিত নয়। এ ছাড়া অন্যান্য পন্থায় যৌনক্রিয়া সম্পাদনকারীরা অবশ্যই সীমালংঘনকারী।
উক্ত আয়াতের মর্মানুযায়ী যে মহিলার সাথে মু'আ করা হচ্ছে সে প্রথমতঃ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিয়মিত স্ত্রী নয়। কারণ, এ জাতীয় মহিলা বিধিসম্মতভাবে তার পক্ষ থেকে কোন মিরাস পায় না, চুক্তি শেষে তাকে তালাকও দিতে হয় না এবং তাকে ইদ্দতও পালন করতে হয় না। এমনকি সে তার অধিকারভুক্ত দাসীও নয়। সুতরাং তার সাথে যৌনক্রিয়া সম্পাদন করা সীমালংঘনই বটে। হযরত সারাহ্ আল-জুহানী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي قَدْ كُنْتُ أَذَنْتُ لَكُمْ فِي الاسْتِمْتَاعِ مِنَ النِّسَاءِ ، وَ إِنَّ اللَّهَ قَدْ حَرَّمَ ذَلِكَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ، فَمَنْ كَانَ عِنْدَهُ مِنْهُنَّ شَيْءٌ فَلْيُخَلَّ سَبِيْلَهُ ، وَلَا تَأْخُذُوا مِمَّا آتَيْتُمُوهُنَّ شَيْئًا (মুসলিম, হাদীস ১৪০৬)
অর্থাৎ হে মানব সকল! আমি তোমাদেরকে ইতিপূর্বে মহিলাদের সাথে মু'আ করতে অনুমতি দিয়েছিলাম; অথচ আল্লাহ্ তা'আলা এখন তা কিয়ামত পর্যন্ত হারাম করে দিয়েছেন। অতএব তোমাদের কারোর নিকট এ জাতীয় কোন মহিলা থেকে থাকলে সে যেন তাকে নিজ গতিতে ছেড়ে দেয়। আর তোমরা যা তাদেরকে মোহর হিসেবে দিয়েছো তা থেকে এতটুকুও ফেরত নিবে না।
উক্ত বিবাহ্ ইসলামের শুরু যুগে কাফিরদের সঙ্গে যুদ্ধকালীন সময়ে সাহাবায়ে কিরাম যখন নিজ স্ত্রীদের থেকে বহু দূরে অবস্থান করতেন তখন তাঁদেরই নিতান্ত প্রয়োজনে চালু করা হয়। যা মক্কা বিজয়ের সময় সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে দেয়া হয় এবং যা কিয়ামত পর্যন্ত এ দীর্ঘ কালের যে কোন সময় তার যতোই প্রয়োজন হোক না কেন তা আর চালু করা যাবে না। হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস্'উদ্‌ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
كُنَّا نَغْزُوْ مَعَ رَسُوْلِ اللهِ لَيْسَ لَنَا نِسَاءٌ ، فَقُلْنَا: أَلَا تَسْتَخْصِي؟ فَنَهَانَا عَنْ ذَلِكَ ، ثُمَّ رَخَّصَ لَنَا أَنْ تَنْكِحَ الْمَرْأَةَ بِالثَّوْبِ إِلَى أَجَلٍ (মুসলিম, হাদীস ১৪০৪)
অর্থাৎ একদা আমরা রাসূল এর সঙ্গে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বেরুতাম। তখন আমাদের সঙ্গে আমাদের স্ত্রীগণ ছিলো না। তাই আমরা রাসূলকে বললাম: আমরা কি খাসি হয়ে যাবো না? তখন রাসূল আমাদেরকে তা করতে নিষেধ করেন। বরং তিনি শুধুমাত্র একটি কাপড়ের বিনিময়ে হলেও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিবাহ্ তথা মু'আ করা আমাদের জন্য হালাল করে দিলেন।
খাইবারের যুদ্ধ পর্যন্ত সাধারণভাবে এ নিয়ম চালু ছিলো। অতঃপর তা উক্ত যুদ্ধেই সর্ব প্রথম নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। হযরত ‘আলী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
نَهَى رَسُوْلُ اللَّهِ ﷺ عَنْ مُتْعَةِ النِّسَاءِ يَوْمَ خَيْبَرَ ، وَ عَنْ أَكْلِ لُحُوْمِ الْحُمُرِ الإِنْسِيَّةِ (মুসলিম, হাদীস ১৪০৭)
অর্থাৎ রাসূল খাইবারের যুদ্ধে গৃহপালিত গাধার গোস্ত খাওয়া এবং মহিলাদের সাথে মু'আ করা নিষেধ করে দিয়েছেন।
মক্কা বিজয়ের সময় তা আবার কিছু দিনের জন্য চালু করা হয়। অতঃপর তা আবার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। হযরত সারাহ্ আল-জুহানী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ بِالْمُتْعَةِ عَامَ الْفَتْحِ حِيْنَ دَخَلْنَا مَكَّةَ، ثُمَّ لَمْ نَخْرُجْ مِنْهَا حَتَّى نَهَانَا عَنْهَا (মুসলিম, হাদীস ১৪০৬)
অর্থাৎ রাসূল মক্কা বিজয়ের সময় মক্কায় প্রবেশ করে আমাদেরকে মু'আ করতে আদেশ করেন। অতঃপর মক্কা থেকে বের হতে না হতেই তা আবার নিষেধ করে দেন।
হযরত সাব্রাহ্ আল-জুহানী থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: আমরা মক্কা বিজয়ের সময় রাসূল এর সঙ্গে মক্কায় পনেরো দিন অবস্থান করেছিলাম। অতঃপর রাসূল আমাদেরকে মু'আ করতে অনুমতি দিলেন। অনুমতি পেয়েই আমি ও আমার এক চাচাতো ভাই মু'আ করতে রওয়ানা করলাম। আমি ছিলাম তার চাইতে একটু বেশি জোয়ান, ফরসা ও সুন্দর গড়নের। আর সে ছিলো একটু কালো বর্ণের। আমাদের উভয়ের সাথে ছিলো দু'টি চাদর। তবে আমার চাদরটি ছিলো পুরাতন। আর তার চাদরটি ছিলো খুবই সুন্দর এবং নতুন। আমরা মক্কার উঁচু-নিচু ঘুরতে ঘুরতে বনু ‘আমির বংশের এক সুন্দরী মহিলা পেয়ে গেলাম। আমরা তাকে বললাম: আমাদের কেউ কি তোমার সাথে মু'আ করতে পারবে? সে বললো: তোমরা আমাকে এর বিনিময়ে কি দিবে? তখন আমরা উভয়ে তাকে নিজ নিজ চাদর দেখালাম। আমার সাথীর চাদর দেখে সে আকৃষ্ট হয়। তবে তাকে দেখে নয়। আবার আমাকে দেখে সে আকৃষ্ট হয়। তবে আমার চাদর দেখে নয়। আমার সাথী বললো: এর চাদরটি পুরাতন। আর আমার চাদরটি নতুন। তখন সে বললো: এর চাদরে কোন সমস্যা নেই। কথাটি সে দু' বার অথবা তিন বার বললো। অতঃপর আমি তার সাথে তিন দিন মু'আ করি। ইতিমধ্যে রাসূল বললেন: যার কাছে মু'আর মহিলা রয়েছে সে যেন তাকে ছেড়ে দেয়। (মুসলিম, হাদীস ১৪০৬)
সকল সাহাবায়ে কিরাম মু'আ হারাম হওয়ার ব্যাপারে একমত ছিলেন। তবে হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে তা হালাল হওয়ার মতও পাওয়া যায়। কিন্তু তিনি মৃত্যুর পূর্বে উক্ত মত পরিহার করেছেন। অতএব তা সাহাবাদের সর্ব সম্মতিক্রমে হারামই প্রমাণিত হলো। নিম্নে সাহাবাগণের কয়েকটি উক্তি উল্লিখিত হলো:
হযরত ‘আলী বলেন: রমযানের রোযা অন্যান্য বাধ্যতামূলক রোযাকে রহিত করে দিয়েছে যেমনিভাবে তালাক, ইদ্দত ও মিরাস মু'আ বিবাহকে রহিত করে দিয়েছে। (মুস্বান্নাফি আব্দির রায্যাক্ব ৭/৫০৫)
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস্'উদ্ বলেন: তালাক, ইদ্দত ও মিরাস মু'আ বিবাহকে রহিত করে দিয়েছে। (মুস্বান্নাফি আব্দির রায্যাক্ব ৭/৫০৫)
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) কে উক্ত মু'আ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: তা ব্যভিচার। (মুস্বান্নাফি আব্দির রায্যাক্ব ৭/৫০৫)
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ যুবাইর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনিও বলেন: তা ব্যভিচার। (মুস্বান্নাফি ইনি আবী শাইবাহ ৩/৫৪৬)
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন: মু'আ বিবাহ্ হারাম। এর প্রমাণ সূরা মা'আরিজের উনত্রিশ থেকে একত্রিশ নম্বর আয়াত। (বায়হাক্বী ৭/২০৬)
হযরত জা'ফর বিন্ মুহাম্মাদ (রাহিমাহুল্লাহ) কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: তা হুবহু ব্যভিচার। এতে কোন সন্দেহ নেই। (বায়হাক্বী ৭/২০৭)
ইমাম নাওয়াওয়ী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: ‘আল্লামাহ্ মাযিরী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: মু'আ বিবাহ্ ইসলামের শুরু যুগে জায়িয ছিলো। যা পরবর্তী যুগে বিশুদ্ধ হাদীস দ্বারা রহিত করা হয় এবং এর হারামের উপর সকল গ্রহণযোগ্য আলিম একমত।
‘আল্লামাহ্ ক্বাযী ‘ইয়ায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: শুধু রাফিযী ছাড়া সকল আলিম তা হারাম হওয়ার ব্যাপারে একমত এবং সবাই এ ব্যাপারেও একমত যে, এখনো কোন ব্যক্তি তা সম্পাদন করলে সাথে সাথেই তা বাতিল হয়ে যাবে। চাই সে উক্ত মহিলার সাথে সঙ্গম করুক বা নাই করুক। (মুসলিম/ইমাম নাওয়াওয়ীর ব্যাখ্যা ৯-১০/১৮৯)
শিয়া সম্প্রদায় এখনো উক্ত মু'আ বিবাহকে হালাল মনে করে। যা কুর'আন-সুন্নাহ্'র সম্পূর্ণ বিরোধী। কোন কোন বর্ণনা মতে হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আব্বাস্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) ও তাঁর কিছু ভক্তরা উক্ত বিবাহ্ জায়িয বললে বা করলে তা জায়িয হয়ে যাবে না। কারণ, কুর'আন-সুন্নাহ্'র সামনে কোন সাহাবার কথা গ্রহণযোগ্য নয়। উপরন্তু অন্যান্য সকল সাহাবা তা হারাম হওয়ার ব্যাপারে একমত এবং তিনিও পরিশেষে উক্ত মত থেকে ফিরে এসেছেন বলে বর্ণনা পাওয়া যায়। মূলতঃ আজো যারা উক্ত অগ্রহণযোগ্য মতকে আঁকড়ে ধরে আছে তারা নিশ্চয়ই নিজ কুপ্রবৃত্তির অদম্য পূজারী। নতুবা হারাম হওয়ার ব্যাপারটি সুনিশ্চিত হওয়ার পরও একটি বিচ্ছিন্ন মতকে আঁকড়ে ধরার আর অন্য কোন মানে হয় না।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 সিগার বিবাহ

📄 সিগার বিবাহ


শিগার বিবাহ্ তথা একজন অপরজনকে এমন বলা যে, আমি তোমার নিকট আমার বোন বা মেয়েটিকে বিবাহ্ দিচ্ছি এ শর্তে যে, তুমি আমার নিকট তোমার বোন বা মেয়েটিকে বিবাহ্ দিবে। তবে তাতে কোন ধরনের মোহরের আদান-প্রদান হবে না অথবা হতেও পারে এমন কাজ হারাম।
হযরত আবু হুরাইরাহ্, জাবির বিন্ আব্দুল্লাহ্ ও হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
নَهَى رَسُوْلُ اللَّهِ ﷺ عَنِ الشَّغَارِ (মুসলিম, হাদীস ১৪১৫, ১৪১৬, ১৪১৭)
অর্থাৎ রাসূল শিগার বিবাহ্ করতে নিষেধ করেন। হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا شِغَارَ فِي الإِسْلَامِ (মুসলিম, হাদীস ১৪১৫)
অর্থাৎ ইসলাম ধর্মে শিগার বিবাহ্ বলতে কিছুই নেই।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কোন মহিলাকে বিবাহ করার পর সে স্ত্রী থাকাবস্থায় তার আপন খালা অথবা ফুফীকে বিবাহ করা

📄 কোন মহিলাকে বিবাহ করার পর সে স্ত্রী থাকাবস্থায় তার আপন খালা অথবা ফুফীকে বিবাহ করা


কোন মহিলাকে বিবাহ করার পর সে স্ত্রী থাকাবস্থায় তার আপন খালা অথবা ফুফীকে বিবাহ করা হারাম। হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا يُجْمَعُ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَ عَمَّتِهَا وَ لَا بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَ خَالَتِهَا (মুসলিম, হাদীস ১৪০৮)
অর্থাৎ কোন মহিলা ও তার (আপন) ফুফীকে এবং কোন মহিলা ও তার (আপন) খালাকে কারোর বিবাহ বন্ধনে একত্রিত করা যাবে না। হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا تُنْكَحُ الْعَمَّةُ عَلَى بِنْتِ الْأَخِ وَ لَا ابْنَةُ الْأُخْتِ عَلَى الْخَالَةِ (মুসলিম, হাদীস ১৪০৮)
অর্থাৎ ফুফীকে তার ভাতিজির উপর এবং বোনঝিকে তার খালার উপর বিবাহ্ করা যাবে না।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 সতিনের তালাক অথবা কারোর কাছে বিবাহ বসার জন্য তার পূর্বের স্ত্রীর তালাক চাওয়া

📄 সতিনের তালাক অথবা কারোর কাছে বিবাহ বসার জন্য তার পূর্বের স্ত্রীর তালাক চাওয়া


সতিনের তালাক অথবা কারোর কাছে বিবাহ্ বসার জন্য তার পূর্বের স্ত্রীর তালাক চাওয়া হারাম।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا يَحِلُّ لامْرَأَةِ تَسْأَلُ طَلَاقَ أُخْتِهَا لِتَسْتَفْرِغَ صَحْفَتَهَا ، فَإِنَّمَا لَهَا مَا قُدَّرَ لَهَا ، وَ فِي رِوَايَةٍ : لَا تَسْأَلِ الْمَرْأَةُ طَلَاقَ الْأُخْرَى لِتَكْتَفِئَ مَا فِي إِنَائِهَا (বুখারী, হাদীস ৫১৫২ মুসলিম, হাদীস ১৪১৩)
অর্থাৎ কোন মহিলার জন্য হালাল হবে না তার কোন মুসলিম বোনের তালাক চাওয়া যাতে করে তার স্বামীর ভাগটুকু পুরোপুরি নিজের আয়ত্বে এসে যায়। কারণ, সে তো তাই পাবে যা তার ভাগ্যে লেখা আছে। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, কোন মহিলা যেন অন্য মহিলার তালাক না চায় যাতে করে তার স্বামীর ভাগটুকু পুরোপুরি নিজের আয়ত্বে এসে যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00