📄 স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোন মহিলার নফল রোযা রাখা অথবা তার ঘরে কাউকে ঢুকতে দেয়া
স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোন মহিলার নফল রোযা রাখা অথবা তার ঘরে কাউকে ঢুকতে দেয়া হারাম।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا يَحِلُّ لِلْمَرْأَةِ أَنْ تَصُوْمَ وَ زَوْجُهَا شَاهِدٌ إِلَّا بِإِذْنِهِ، وَ لَا تَأْذَنُ فِي بَيْتِهِ إِلَّا بإِذْنِهِ، وَ مَا أَنْفَقَتْ مِنْ نَفَقَةٍ عَنْ غَيْرِ أَمْرِهِ فَإِنَّهُ يُؤَدَّى إِلَيْهِ شَطْرُهُ (বুখারী, হাদীস ৫১৯৫ মুসলিম, হাদীস ১০২৬)
অর্থাৎ কোন মহিলার জন্য জায়িয হবে না তার স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া কোন নফল রোযা রাখা এবং তার অনুমতি ছাড়া তার ঘরে কাউকে ঢুকতে দেয়া। কোন মহিলা তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া তার কোন সম্পদ ব্যয় করলে তার অর্ধেক তাকে ফেরত দিতে হবে।
📄 কোন মুথরিমের জন্য জামা, পায়জামা, পাগড়ি, টুপি ও মুজা পরিধান করা
কোন মুহুরিমের (যে ব্যক্তি হজ্জ বা ‘উমরাহ্ করার জন্য মিক্বাত থেকে দু’টি সাদা কাপড় পরে ইব্রামের নিয়্যাত করেছে) জন্য জামা, পায়জামা, পাগড়ি, টুপি ও মোজা পরিধান করা হারাম।
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী ইরশাদ করেন:
لَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ الْقَميصَ ، وَ لاَ الْعَمَامَةَ ، وَ لاَ السَّرَاوِيْلَ ، وَ لَا الْبُرْنسَ ، وَ لا ثَوْبًا مَسَّهُ زَعَفْرَانٌ وَلَا وَرْسٌ ، وَ لَا الْخُفَّيْنِ إِلَّا لِمَنْ لَمْ يَجِدِ النَّعْلَيْنِ ، فَإِنْ لَمْ يَجِدْهُمَا فَلْيَقْطَعْهُمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ (বুখারী, হাদীস ৫৮০৬ মুসলিম, হাদীস ১১৭৭)
অর্থাৎ কোন মুহুরিম জামা, পাগড়ি, পায়জামা, টুপি এবং এমন কাপড় পরিধান করবে না যাতে জাফরান অথবা ওয়াক্স (সুগন্ধি জাতীয় এক ধরনের উদ্ভিদ) লাগানো হয়েছে। তেমনিভাবে মোজাও পরবে না। তবে কারোর জুতো না থাকলে সে তার মোজা দু'টো গিঁটের নিচ পর্যন্ত কেটে নিবে।