📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কবর বা মাযারের দিকে ফিরে নামায পড়া

📄 কবর বা মাযারের দিকে ফিরে নামায পড়া


কবর বা মাজারের দিকে ফিরে নামায পড়া হারাম। হযরত আবু মারসাদ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا تَجْلِسُوا عَلَى الْقُبُوْرِ وَ لَا تُصَلُّوْا إِلَيْهَا (মুসলিম, হাদীস ৯৭২ আবু দাউদ, হাদীস ৩২২৯ ইবনু খুযাইমাহ, হাদীস ৭৯৩)
অর্থাৎ তোমরা কবরের উপর বসোনা এবং উহার দিকে ফিরে নামাযও পড়ো না। হযরত আনাস্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
نَهَى النَّبِيُّ عَنِ الصَّلَاةِ بَيْنَ الْقُبُوْرِ (ইবনু হিব্বান, হাদীস ৩৪৫ আবু ইয়া'লা, হাদীস ২৮৮৮ বায্যার/কাশফুল আস্তার, হাদীস ৪৪১,৪৪২)
অর্থাৎ নবী কবরস্থানে নামায পড়তে নিষেধ করেছেন।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 তিনটি সময়ে নফল নামায পড়া ও মৃত ব্যক্তি দাফন করা

📄 তিনটি সময়ে নফল নামায পড়া ও মৃত ব্যক্তি দাফন করা


তিনটি বিশেষ সময়ে নফল নামায পড়া ও মৃত ব্যক্তিকে দাফন করা হারাম। হযরত ‘উক্ববাহ্ বিন্ ‘আমির জুহানী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
ثَلَاثُ سَاعَاتِ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ يَنْهَانَا أَنْ تُصَلِّيَ فِيهِنَّ أَوْ أَنْ نَقْبُرَ فِيهِنَّ مَوْتَانَا ، حِيْنَ تَطْلُعُ الشَّمْسُ بَازِغَةً حَتَّى تَرْتَفِعَ ، وَ حِيْنَ يَقُوْمُ قَائِمُ الظَّهِيرَةِ حَتَّى تَمِيلَ الشَّمْسُ ، وَ حِيْنَ تَضَيَّفُ الشَّمْسُ لِلْغُرُوبِ حَتَّى تَغْرُبَ (মুসলিম, হাদীস ৮৩১)
অর্থাৎ তিনটি সময় এমন যে, রাসূল আমাদেরকে সে সময়গুলোতে নামায পড়তে অথবা মৃত ব্যক্তিকে দাফন করতে নিষেধ করেছেন। সূর্য উঠার সময় যতক্ষণ না তা পূর্ণভাবে উঠে যায়। ঠিক দুপুর বেলায় যতক্ষণ না তা মধ্যাকাশ থেকে সরে যায়। সূর্য ডুবার সময় যতক্ষণ না তা সম্পূর্ণরূপে ডুবে যায়। হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
إِذَا طَلَعَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَأَخُرُوا الصَّلَاةَ حَتَّى تَرْتَفِعَ، وَ إِذَا غَابَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَأَخَرُوا الصَّلَاةَ حَتَّى تَغِيْبَ (বুখারী, হাদীস ৫৮৩)
অর্থাৎ যখন সূর্যের কিয়দংশ উদিত হয় তখন নামায পড়তে একটু দেরি করো যতক্ষণ না সূর্য সম্পূর্ণরূপে উঠে যায় এবং যখন সূর্যের কিয়দংশ ডুবে যায় তখন নামায পড়তে একটু দেরি করো যতক্ষণ না সূর্য সম্পূর্ণরূপে ডুবে যায়।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোন মহিলার নফল রোযা রাখা অথবা তার ঘরে কাউকে ঢুকতে দেয়া

📄 স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোন মহিলার নফল রোযা রাখা অথবা তার ঘরে কাউকে ঢুকতে দেয়া


স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোন মহিলার নফল রোযা রাখা অথবা তার ঘরে কাউকে ঢুকতে দেয়া হারাম।
হযরত আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا يَحِلُّ لِلْمَرْأَةِ أَنْ تَصُوْمَ وَ زَوْجُهَا شَاهِدٌ إِلَّا بِإِذْنِهِ، وَ لَا تَأْذَنُ فِي بَيْتِهِ إِلَّا بإِذْنِهِ، وَ مَا أَنْفَقَتْ مِنْ نَفَقَةٍ عَنْ غَيْرِ أَمْرِهِ فَإِنَّهُ يُؤَدَّى إِلَيْهِ شَطْرُهُ (বুখারী, হাদীস ৫১৯৫ মুসলিম, হাদীস ১০২৬)
অর্থাৎ কোন মহিলার জন্য জায়িয হবে না তার স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া কোন নফল রোযা রাখা এবং তার অনুমতি ছাড়া তার ঘরে কাউকে ঢুকতে দেয়া। কোন মহিলা তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া তার কোন সম্পদ ব্যয় করলে তার অর্ধেক তাকে ফেরত দিতে হবে।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কোন মুথরিমের জন্য জামা, পায়জামা, পাগড়ি, টুপি ও মুজা পরিধান করা

📄 কোন মুথরিমের জন্য জামা, পায়জামা, পাগড়ি, টুপি ও মুজা পরিধান করা


কোন মুহুরিমের (যে ব্যক্তি হজ্জ বা ‘উমরাহ্ করার জন্য মিক্বাত থেকে দু’টি সাদা কাপড় পরে ইব্রামের নিয়‍্যাত করেছে) জন্য জামা, পায়জামা, পাগড়ি, টুপি ও মোজা পরিধান করা হারাম।
হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী ইরশাদ করেন:
لَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ الْقَميصَ ، وَ لاَ الْعَمَامَةَ ، وَ لاَ السَّرَاوِيْلَ ، وَ لَا الْبُرْنسَ ، وَ لا ثَوْبًا مَسَّهُ زَعَفْرَانٌ وَلَا وَرْسٌ ، وَ لَا الْخُفَّيْنِ إِلَّا لِمَنْ لَمْ يَجِدِ النَّعْلَيْنِ ، فَإِنْ لَمْ يَجِدْهُمَا فَلْيَقْطَعْهُمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ (বুখারী, হাদীস ৫৮০৬ মুসলিম, হাদীস ১১৭৭)
অর্থাৎ কোন মুহুরিম জামা, পাগড়ি, পায়জামা, টুপি এবং এমন কাপড় পরিধান করবে না যাতে জাফরান অথবা ওয়াক্স (সুগন্ধি জাতীয় এক ধরনের উদ্ভিদ) লাগানো হয়েছে। তেমনিভাবে মোজাও পরবে না। তবে কারোর জুতো না থাকলে সে তার মোজা দু'টো গিঁটের নিচ পর্যন্ত কেটে নিবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00