📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 রাময়ান বা কুরআনের ঈদের দিনে রোযা রাখা

📄 রাময়ান বা কুরআনের ঈদের দিনে রোযা রাখা


রামাযান বা কুরবানের ঈদের দিনে রোযা রাখা হারাম।
হযরত আবু ‘উবাইদ্ (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: একদা আমি হযরত ‘উমর এর সাথে ঈদের নামায পড়ার জন্য উপস্থিত হলাম। তিনি নামায শেষে খুতবায় দাঁড়িয়ে বললেন:
إِنَّ هَذَيْنِ يَوْمَانِ نَهَى رَسُوْلُ اللَّهِ عَنْ صِيَامِهِمَا: يَوْمُ فِطْرِكُمْ مِنْ صِيَامِكُمْ ، وَالآخَرُ: يَوْمٌ تَأْكُلُوْنَ فِيْهِ مِنْ نُسُكِكُمْ (মুসলিম, হাদীস ১১৩৭)
অর্থাৎ এ দু' দিন রাসূল রোযা থাকতে নিষেধ করেছেন। এক দিন হচ্ছে যে দিন তোমরা রামাযানের রোযা শেষ করবে। আরেক দিন হচ্ছে যে দিন তোমরা কুরবানীর গোস্ত খাবে।
হযরত আবু হুরাইরাহ্, আবু সা'ঈদ ও হযরত ‘আয়িশা থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
نَهَى رَسُوْلُ اللَّهِ ﷺ عَنْ صِيَامٍ يَوْمَيْنِ: يَوْمِ الْأَضْحَى وَ يَوْمِ الْفِطْرِ (মুসলিম, হাদীস ৮২৭, ১১৩৮, ১১৪০)
অর্থাৎ রাসূল দু' দিন রোযা থাকতে নিষেধ করেছেন: কুরবানীর ঈদের দিন ও রামাযানের ঈদের দিন।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 নামাযের ভেতর দো'আ অবস্থায় আকাশের দিকে তাকানো

📄 নামাযের ভেতর দো'আ অবস্থায় আকাশের দিকে তাকানো


নামাযের ভেতর দো'আ অবস্থায় আকাশের দিকে তাকানো হারাম। হযرت আবু হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَيَنْتَهِيَنَّ أَقْوَامٌ عَنْ رَفْعِهِمْ أَبْصَارَهُمْ عِنْدَ الدُّعَاءِ فِي الصَّلَاةِ إِلَى السَّمَاءِ أَوْ لَتُخْطَفَنَّ أَبْصَارُهُمْ (মুসলিম, হাদীস ৪২৯)
অর্থাৎ নামাযের ভেতর দো'আর সময় আকাশের দিকে দৃষ্টি ক্ষেপণকারীদের সতর্ক হওয়া উচিত তারা যেন তা দ্বিতীয়বার না করে। অন্যথায় তাদের দৃষ্টি হৃত-লুণ্ঠিত হবে।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 কবর বা মাযারের দিকে ফিরে নামায পড়া

📄 কবর বা মাযারের দিকে ফিরে নামায পড়া


কবর বা মাজারের দিকে ফিরে নামায পড়া হারাম। হযরত আবু মারসাদ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَا تَجْلِسُوا عَلَى الْقُبُوْرِ وَ لَا تُصَلُّوْا إِلَيْهَا (মুসলিম, হাদীস ৯৭২ আবু দাউদ, হাদীস ৩২২৯ ইবনু খুযাইমাহ, হাদীস ৭৯৩)
অর্থাৎ তোমরা কবরের উপর বসোনা এবং উহার দিকে ফিরে নামাযও পড়ো না। হযরত আনাস্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
نَهَى النَّبِيُّ عَنِ الصَّلَاةِ بَيْنَ الْقُبُوْرِ (ইবনু হিব্বান, হাদীস ৩৪৫ আবু ইয়া'লা, হাদীস ২৮৮৮ বায্যার/কাশফুল আস্তার, হাদীস ৪৪১,৪৪২)
অর্থাৎ নবী কবরস্থানে নামায পড়তে নিষেধ করেছেন।

📘 হারাম ও কবীরা গুনাহ > 📄 তিনটি সময়ে নফল নামায পড়া ও মৃত ব্যক্তি দাফন করা

📄 তিনটি সময়ে নফল নামায পড়া ও মৃত ব্যক্তি দাফন করা


তিনটি বিশেষ সময়ে নফল নামায পড়া ও মৃত ব্যক্তিকে দাফন করা হারাম। হযরত ‘উক্ববাহ্ বিন্ ‘আমির জুহানী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
ثَلَاثُ سَاعَاتِ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ يَنْهَانَا أَنْ تُصَلِّيَ فِيهِنَّ أَوْ أَنْ نَقْبُرَ فِيهِنَّ مَوْتَانَا ، حِيْنَ تَطْلُعُ الشَّمْسُ بَازِغَةً حَتَّى تَرْتَفِعَ ، وَ حِيْنَ يَقُوْمُ قَائِمُ الظَّهِيرَةِ حَتَّى تَمِيلَ الشَّمْسُ ، وَ حِيْنَ تَضَيَّفُ الشَّمْسُ لِلْغُرُوبِ حَتَّى تَغْرُبَ (মুসলিম, হাদীস ৮৩১)
অর্থাৎ তিনটি সময় এমন যে, রাসূল আমাদেরকে সে সময়গুলোতে নামায পড়তে অথবা মৃত ব্যক্তিকে দাফন করতে নিষেধ করেছেন। সূর্য উঠার সময় যতক্ষণ না তা পূর্ণভাবে উঠে যায়। ঠিক দুপুর বেলায় যতক্ষণ না তা মধ্যাকাশ থেকে সরে যায়। সূর্য ডুবার সময় যতক্ষণ না তা সম্পূর্ণরূপে ডুবে যায়। হযরত ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
إِذَا طَلَعَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَأَخُرُوا الصَّلَاةَ حَتَّى تَرْتَفِعَ، وَ إِذَا غَابَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَأَخَرُوا الصَّلَاةَ حَتَّى تَغِيْبَ (বুখারী, হাদীস ৫৮৩)
অর্থাৎ যখন সূর্যের কিয়দংশ উদিত হয় তখন নামায পড়তে একটু দেরি করো যতক্ষণ না সূর্য সম্পূর্ণরূপে উঠে যায় এবং যখন সূর্যের কিয়দংশ ডুবে যায় তখন নামায পড়তে একটু দেরি করো যতক্ষণ না সূর্য সম্পূর্ণরূপে ডুবে যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00