📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 তাযীর শাসকের অধিকার

📄 তাযীর শাসকের অধিকার


৮. তাযীর শাসকের অধিকার
তাযীর শাসকের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। কেননা, জনগণের উপর তার সর্বময় কর্তৃত্ব বিদ্যমান। 'সুবুলুস সালাম' গ্রন্থে বলা হয়েছে: "শাসক ব্যতীত আর কারো তাযীরের ক্ষমতা নেই কেবল তিন ব্যক্তি এর ব্যতিক্রম:
১. পিতা: সে তার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানকে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে তাযীর তথা শাস্তি প্রদান করতে পারে, খারাপ কাজ থেকে ফেরাতে কঠোরভাবে ধমক দিতে পারে। শিশুকাল ও বাল্যকালের লালন পালনকালে মায়েরও এ অধিকার রয়েছে। তিনি নামাযের আদেশ দিতে

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 তাযীরের ক্ষতি পূরণ

📄 তাযীরের ক্ষতি পূরণ


তাকে প্রহার করতে পারেন। ছেলে প্রাপ্ত বয়ষ্ক হবার পর নির্বোধ হলেও পিতা তাকে তাযীর করতে পারবেনা।
২. মনিব : মানব নিজের হক ও আল্লাহর হক আদায়ের জন্য তার অধীনস্তের উপর তাযীর কার্যকর করতে পারে।
৩. স্বামী : অবাধ্য স্ত্রীকে তাযীর করার অধিকার স্বামীর রয়েছে। এ বিষয়ে কুরআন দ্ব্যর্থহীন আদেশ দিয়েছে। নামায তরক করার কারণে তাকে ভর্ৎসনা করা যথেষ্ট না হলে স্বামী প্রহার করতে পারবে। কেননা এটা অন্যায়কে প্রত্যাখ্যান ও প্রতিহত করার দায়িত্বের আওতাভুক্ত। অন্যায়কে হাত দিয়ে, জিহ্বা দিয়ে ও মন দিয়ে প্রতিহত করার দায়িত্ব যাদের উপর অর্পিত, স্বামী তাদের একজন। শিক্ষার্থী বালক বালিকাকে শাস্তি দেয়ার অধিকার শিক্ষকের রয়েছে।
৯. তাযীরের ক্ষতিপূরণ
পিতা যখন তার সন্তানকে শাস্তি দেয় তখন তাকে কোনো ক্ষতিপূরণ দিতে হয়না। স্বামীও যখন স্ত্রীকে শাস্তি দেয় তখন তাকে কোনো ক্ষতিপূরণ দিতে হয়না। অনুরূপ, শাসক যখন প্রজাকে শাস্তি দেয়, সীমা অতিক্রম না করে এবং যতটুকু শাস্তি দিলে উদ্দেশ্য সফল হয়, তার চেয়ে বেশি না দেয়, তখন তাকেও ক্ষতিপূরণ দিতে হবেনা। এদের কেউ যদি সীমা অতিক্রম বা বাড়াবাড়ি করে, তবে বাড়াবাড়ির কারণে যতটুকু ক্ষতি হয়, তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00