📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 একটি আপত্তির জবাব

📄 একটি আপত্তির জবাব


তফসির আলমানারে বলা হয়েছে, ইবনে জারীর মুজাহিদের এই উক্তি উদ্ধৃত করেছেন যে, এ আয়াতে 'ফাসাদ' অর্থাৎ ধ্বংসাত্মক কাজ দ্বারা ব্যভিচার, চুরি, নরহত্যা এবং ফসল ও পশুর বংশ বিনাশকে বুঝানো হয়েছে। এ চারটি কাজ নিঃসন্দেহে ধ্বংসাত্মক কাজ। কিন্তু কোনো কোনো ফকিহ মুজাহিদের এই উক্তির উপর একটি আপত্তি তুলেছেন। সেটি হলো, এ সকল পাপ কাজ ও ধ্বংসাত্মক কাজের জন্য আয়াতে যে শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে, শরিয়তে তার জন্য তো তা থেকে ভিন্নতর হদ বা শাস্তি নির্ধারিত রয়েছে। ব্যভিচার ও চুরির জন্য হদ এবং হত্যার জন্য কিসাস ও দিয়াত ইত্যাদি-নির্ধারিত রয়েছে। আর শস্য ও পশু হত্যার জন্য ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে এবং সেই ক্ষতিপূরণে দায়ী ব্যক্তিকে বাধ্য করা হবে, উপরন্তু শাসক স্বীয় বিচার বিবেচনা অনুযায়ী তাকে তাযীর বা স্বতন্ত্র শাস্তিও দিতে পারবেন। এমতাবস্থায় এ আয়াতে একই অপরাধের পৃথক শাস্তি নির্ধারণের হেতু কী? এর জবাব এই যে, এ আয়াতে যে বিশেষ ধরনের শাস্তির উল্লেখ করা হয়েছে, তা কেবল সেই সব অপরাধীর জন্য নির্দিষ্ট, যারা শাসকদের প্রতিও আনুগত্যহীন, শরিয়তের প্রতিও আস্থাহীন। আর ঐসব হদ হলো সেই সব ব্যভিচারী ও চোরদের জন্য ব্যক্তিগত শাস্তি, যারা কার্যত শরিয়তের বিধানের অনুগত। পবিত্র কুরআনে এই দুই শ্রেণীর অপরাধীকে এক বচনের কর্তাবাচক শব্দ দ্বারা উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন সূরা মায়েদার ৩৮ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন : وَالسَّارِقُ وَالسَّارِقَةُ فَاقْطَعُوا أَيْدِيَهُمَا “পুরুষ চোর ও নারী চোর, উভয়ের হাত কেটে দাও।” আর সূরা নূরের ২ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন : الزَّانِيَةُ وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا مِائَةَ جَلْدَةٍ . “ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী তাদের প্রত্যেককে একশো কষাঘাত করো।” এই সব অপরাধী নিজেদের কৃত কাজকে ঘৃণ্য কাজ বলে স্বীকার করে এবং প্রকাশ্যে অপরাধ ও অরাজকতা করে বেড়ায়না যে, তাদের অপকর্মের পদাংক অনুসরণ অন্যদের মধ্যেও বিস্তার লাভ করবে। তাছাড়া তারা নিজেদের সশস্ত্র বাহিনী সৃষ্টি করে নিজেদেরকে শরিয়তের শাস্তি থেকে রক্ষা করার জন্য শক্তি ও সহিংসতার আশ্রয় নেয় না। তাই তাদেরকে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত বলা মানানসই নয়। অথচ এ আয়াতে যে শাস্তি বর্ণনা করা হয়েছে, তা উল্লিখিত দুটি বৈশিষ্ট্যধারীদের জন্য (আইন ও শরিয়তের অবাধ্য এবং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে প্রকাশ্যে অপরাধ করা ও তার প্রসার করানো)। ফকিহগণ যখন যুদ্ধে লিপ্ত শব্দটির উল্লেখ করেন, তখন তা দ্বারা সহিংস পন্থায় প্রকাশ্য ধ্বংসাত্মক অপরাধীদেরকেই বুঝান।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ডাকাতি ও সন্ত্রাসী তৎপরতার ব্যাপারে শাসক ও সমাজের করণীয়

📄 ডাকাতি ও সন্ত্রাসী তৎপরতার ব্যাপারে শাসক ও সমাজের করণীয়


শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা, ব্যক্তির অধিকার নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রাণ, সম্পদ ও সম্ভ্রম রক্ষার জন্য শাসক ও সমাজ উভয়েই দায়িত্বশীল। যখন একটি গোষ্ঠী সমাজ ও রাষ্ট্রের অবাধ্য হয়ে ত্রাস ছড়ায় ও ডাকাতি করে এবং মানুষের জীবনে বিভীষিকাময় অরাজকতা ও অস্থিরতার সৃষ্টি করে, তখন তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা শাসকের কর্তব্য, ঠিক যেমন রসূলুল্লাহ সা. বুজায়লা গোত্রের ‘উরনী’ বিদ্রোহীদের সাথে করেছিলেন এবং তাঁর পরে খলিফাগণ যেমন করেছিলেন। সর্বস্তরের মুসলমানদেরও কর্তব্য তাদের দাপট খর্ব করতেও মূলোৎপাটন করতে শাসককে সহযোগিতা করা, যতক্ষণ না জনগণের মধ্যে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসে এবং প্রত্যেকটি মানুষ নিজের, পরিবারের ও সমাজের কল্যাণার্থে সর্বাত্মক চেষ্টা সাধনায় আত্মনিয়োগ করতে সক্ষম হয়। কোনো হত্যা ও লুণ্ঠন সংঘটিত করার আগেই যদি এসব সন্ত্রাসী রণে ভঙ্গ দেয়, ইতস্তত বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে এবং তাদের দাপট চূর্ণ হয়ে যায়, তাহলে আর তাদের পিছু ধাওয়া করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু তাদের অপতৎপরতা যদি খুন ও রাহাজানির পর্যায়ে উপনীত হয়, তাহলে তাদেরকে পুরোপুরি পর্যুদস্ত না করা পর্যন্ত তাদেরকে পাকড়াও করার জন্য সর্বাত্মক অভিযান চালাতে হবে এবং তাদের উপর ডাকাতি রাহাজানির শাস্তি কার্যকর করতে হবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 নাগালে পাওয়ার আগেই যদি সন্ত্রাসী ও ডাকাতরা তওবা করে

📄 নাগালে পাওয়ার আগেই যদি সন্ত্রাসী ও ডাকাতরা তওবা করে


সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ডাকাতি রাহাজানিতে লিপ্তরা যদি ধরা পড়ার আগে তওবা করে এবং শাসক তাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়, তাহলে আল্লাহই তাদের অতীতের সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেবেন এবং তাদের পার্থিব শাস্তিও রহিত করে দেবেন। আল্লাহ বলেন : ذَلِكَ لَهُمْ خِزْيٌ فِي الدُّنْيَا وَلَهُمْ فِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ إِلَّا الَّذِينَ تَابُوا مِنْ قَبْلِ أَنْ تَقْدِرُوا عَلَيْهِمْ فَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ "দুনিয়ায় এটাই তাদের লাঞ্ছনা। উপরন্তু পরকালে তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। তবে তোমাদের আয়ত্তাধীন আসবার আগে যারা তওবা করবে, তাদের জন্য আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।"
এর কারণ হলো, ধরা পড়া ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসার আগে তওবা করা থেকে প্রমাণিত হয়, তাদের বিবেক জেগে উঠেছে এবং নৈরাজ্য ছড়ানো ও আল্লাহ ও রসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার মনোভাব পরিত্যাগ করে নতুন করে পবিত্র ও শান্তিপূর্ণ জীবন যাপনে তারা বদ্ধপরিকর হয়েছে। তাই ইতিপূর্বে তারা যদি আল্লাহর হক সংক্রান্ত কোনো শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেও থাকে, তবে তারা আল্লাহর ক্ষমা লাভ করবে। তবে মানুষের অধিকার হরণ করে থাকলে তা ক্ষমা করা হবেনা। সেক্ষেত্রে রক্তপাতজনিত অপরাধের শাস্তি ডাকাতি ও সন্ত্রাসের মামলার প্রক্রিয়ায় হবে না, বরং কিসাসের প্রক্রিয়ায় হবে। তখন ব্যাপারটা ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের মর্জির উপর ন্যস্ত হবে, শাসকের বিবেচনার উপর নয়। তারা যদি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকে, তবে হত্যার বদলে হত্যার বাধ্যবাধকতা থাকবেনা, নিহতের অভিভাবক ও উত্তরাধিকারীর হত্যার বদলে হত্যার অধিকারও থাকবে, রক্তপণ বা দিয়াত নিয়ে ক্ষমা করার অধিকারও থাকবে। আর যদি তারা হত্যা ও লুঠতরাজ দুটোই করে থাকে, তাহলে শূলে চড়ানো ও হত্যার বাধ্যবাধকতা রহিত হয়ে কিসাস ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ অবশিষ্ট থাকবে। আর যদি শুধু সম্পদ লুণ্ঠন করে থাকে, তবে হাত পা কাটা রহিত হবে, কিন্তু লুণ্ঠিত সামগ্রী তাদের হাতে থেকে থাকলে তা নিয়ে নেয়া হবে, আর পুরোপুরি বা আংশিক খরচ করে থাকলে তার মূল্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে। কেননা এটা অনধিকার জবর দখলের পর্যায়ভুক্ত। কাজেই এভাবে উপার্জিত সম্পদের মালিক হওয়া তাদের জন্য বৈধ নয়। ঐ সম্পদ তার মালিকদেরকে ফেরত দেয়া হবে। প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া পর্যন্ত তা শাসকের কাছে থাকবে। লুণ্ঠিত সম্পদ মালিকের নিকট ফেরত না দেয়া পর্যন্ত তাদের তওবাও শুদ্ধ হবেনা। আর যদি বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে শাসক নৈরাজ্যবাদীদের উপর থেকে কোনো আর্থিক দাবি রহিত করা উচিত মনে করেন, তাহলে মালিককে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
ইবনে রুশদ বিদায়াতুল মুজতাহিদ গ্রন্থে আলেমদের এ সংক্রান্ত মতামতের সারাংশ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন: তওবা দ্বারা কোন্ কোন্ দায় থেকে অব্যাহতি পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কে চারটি মত পাওয়া যায়:
১. একটি হলো, কেবলমাত্র ডাকাতি, রাহাজানির শাস্তি থেকে অব্যাহতি পাওয়া যাবে। এছাড়া আল্লাহর ও মানুষের আর যত হক রয়েছে, তার সব কিছুর জন্যই তাকে দায়ী করা হবে। এটা ইমাম মালেকের মত।
২. দ্বিতীয় মত হলো, ডাকাতি রাহাজানি, ব্যভিচার, মদপান ও চুরির দায়ে হাত কাটার শাস্তি থেকে অব্যাহতি পাবে। কিন্তু আর্থিক ও রক্তপাতজনিত মানবাধিকার নষ্ট করে থাকলে তার দায় থেকে সে অব্যাহতি পাবেনা। কেবল নিহতের অভিভাবকরা ক্ষমা করলেই অব্যাহতি পাবে। (আমাদের নিকট এটাই সর্বাপেক্ষা ন্যায়সংগত মত। ইতিপূর্বে আমরা এ মতটি উল্লেখ করেছি।)
৩. তৃতীয় মতটি হলো, তওবা দ্বারা আল্লাহর হক সংক্রান্ত সমস্ত অপরাধ মাফ হয়ে যায়। কেবল রক্তপাত, লুণ্ঠন ও অপহরণের জন্য দায়ী থাকবে। লুণ্ঠিত মালের মধ্য থেকে যেটুকু অবিকৃত ও অক্ষত অবস্থায় অবশিষ্ট আছে, তা আদায় করে নেয়া হবে।
৪. চতুর্থ মত হলো, তওবা দ্বারা আর্থিক ও দৈহিক যাবতীয় ক্ষতি থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায়। কেবল লুণ্ঠিত সম্পদের যেটুকু অক্ষত থাকে, তা ফেরত দিতে হবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 তওবার শর্তাবলি

📄 তওবার শর্তাবলি


তওবার দুটি রূপ আছে: প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য। ফিকহ শাস্ত্র প্রকাশ্য রূপটিই বিবেচনা করে, অপ্রকাশ্য রূপটি নয়। কেননা অপ্রকাশ্যটি আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানেনা। কোনো রাষ্ট্রদ্রোহী বা সন্ত্রাসী যদি গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে তওবা করে তবে তার তওবা গৃহীত হবে এবং তওবার যাবতীয় সুফলও কার্যকর হবে। কোনো কোনো ফকিহ তওবাকারীর জন্য শর্ত আরোপ করেছেন যে, তাকে শাসকের কাছ থেকে নিরাপত্তা চেয়ে নিতে হবে এবং শাসক কর্তৃক নিরাপত্তাপ্রাপ্ত হতে হবে। অন্যরা বলেন, এটা শর্ত নয়। বরং প্রত্যেক তওবাকারীর তওবার প্রতি স্বীকৃতি দেয়া শাসকের দায়িত্ব। কেউ কেউ বলেন, শাসকের কাছে না গিয়েও কেউ যদি অস্ত্র ফেলে দেয়, অপরাধমূলক তৎপরতা ত্যাগ করে ও জনগণকে আশ্বস্ত করে, তাহলে সেটা যথেষ্ট হবে।
ইবনে জারির বলেন, মূসা মাদানি বর্ণনা করেছেন যে, আলি আসাদ বিদ্রোহী তৎপরতায় লিপ্ত হয়, সন্ত্রাস ছড়ায় এবং হত্যা ও লুণ্ঠন সংঘটিত করে। ফলে শাসক ও জনগণ তার খোঁজাখুঁজি শুরু করে। কিন্তু সে আত্মরক্ষায় সফল হলো। কেউ তাকে গ্রেফতার করতে পারলো না। অবশেষে একদিন সে এক ব্যক্তিকে সূরা যুমারের ৫৪ নং আয়াতঞ্জ:
قُلْ يَعِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِنْ رَّحْمَةِ اللَّهِ ، إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا ، إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ "বলো, হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছো, আল্লাহর অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না, আল্লাহ সমুদয় পাপ ক্ষমা করে দেবেন, তিনি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু" পড়তে শুনলো। শুনে সে ঐ ব্যক্তির নিকট থমকে দাঁড়ালো এবং তাকে বললো: হে আল্লাহর বান্দা, আয়াটি আবার পড়ো। সে পুনরায় পড়লো। তৎক্ষণাত আলি আসাদি তরবারি কোষবদ্ধ করলো এবং তওবা করে শেষ রাতে মদিনায় এলো। মদিনায় এসে গোসল করে মসজিদে নববীতে উপস্থিত হলো এবং ফজরের নামায পড়লো। তারপর বহু সংখ্যক সাহাবির সাথে আবু হুরায়রার নিকট বসলো। ভোর হলো জনগণ তাকে চিনে ফেললো। অমনি সকলে তাকে ধরার জন্য তার দিকে এগিয়ে গেলো। সে জনতাকে বললো, আমাকে পাকড়াও করার কোনো অধিকার তোমাদের নেই। তোমরা আমাকে নাগালে পাওয়ার আগেই আমি তওবা করে হাজির হয়েছি। আবু হুরায়রা রা. বললেন, সে সত্য বলেছে। অতপর তার হাত ধরে আমীর মুয়াবিয়ার অধীনস্থ মদিনার শাসক মারওয়ান ইবনুল হাকামের নিকট নিয়ে গেলেন। তাকে গিয়ে বললেন, এই আলি তওবা করে চলে এসেছে। তোমাদের তাকে গ্রেফতার করা বা হত্যা করার অধিকার নেই। মারওয়ান তাকে তার সকল অপরাধ থেকে অব্যাহতি দিলো। এরপর আলি আল্লাহর পথে জেহাদ করতে সমুদ্র পথে রওনা হলেন। পথিমধ্যে রোমক বাহিনীর সম্মুখীন হলেন। রোমকদের জাহাজের সাথে তার জাহারে টক্কর হলো। এক পর্যায়ে তিনি রোমকদের জাহাজে উঠে পড়লে রোমকদের সৈন্যরা তার ভয়ে জাহাজের অপর কিনারে চলে গেলো। এতে জাহাজ কাত হয়ে গেলো এবং তাকে ও রোমকদের নিয়ে ডুবে গেলো।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00