📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 বিধবার ইদ্দত

📄 বিধবার ইদ্দত


যে মহিলার স্বামী মারা গেছে, তার ইদ্দত চার মাস দশদিন, যদি সে গর্ভবতী না হয়। কেননা সূরা বাকারার ২৩৪ নং আয়াতে সুস্পষ্টভাবে একথা বলা হয়েছে। স্বামী যদি তাকে রজয়ি তালাক দিয়ে ইদ্দতের মধ্যে মারা গিয়ে থাকে, তবে সে বিধবার ইদ্দত পালন করবে। কেননা স্বামী যখন মারা গেছে, তখন ঐ মহিলা তার স্ত্রী ছিলো।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ইস্তাহাযা রোগিণীর ইদ্দত

📄 ইস্তাহাযা রোগিণীর ইদ্দত


যে মহিলার ইস্তিহাযা রোগ রয়েছে, সে হায়েয অনুযায়ী ইদ্দত পালন করবে। তার যদি কোনো নিয়ম বা অভ্যাস থেকে থাকে, তবে স্রাব ও পবিত্রতা উভয় ব্যাপারে তার নিয়ম পালন করা জরুরি। এভাবে তিন হায়েয অতিবাহিত হওয়ার পর তার ইদ্দত শেষ হবে। আর যদি বার্ধক্যজনিত কারণে হায়েয বন্ধ থাকে, তবে তার ইদ্দত তিন মাস।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 বিয়ে ভঙ্গ না হলেও ইদ্দত পালন জরুরি

📄 বিয়ে ভঙ্গ না হলেও ইদ্দত পালন জরুরি


যে ব্যক্তি সন্দেহের বশে কোনো মহিলার সাথে সহবাস করেছে, সেই মহিলারও ইদ্দত পালন করতে হবে। কেননা সন্তানের বংশ পরিচয়ের ব্যাপারে সন্দেহপূর্ণ সহবাস ও বিয়েজনিত সহবাস একই পর্যায়ের। ইদ্দত পালনও উভয় ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক। অবৈধ বিয়েতেও সহবাস সংঘটিত হলে ইদ্দত পালন করা ওয়াজিব। তবে যদি কেউ কোনো মহিলার সাথে ব্যভিচার করে, সে মহিলার উপর ইদ্দত পালন বাধ্যতামূলক নয়। কেননা ইদ্দত বংশ পরিচয় সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট। অথচ ব্যভিচার দ্বারা বংশ পরিচয় সংরক্ষিত হয়না। এটা হানাফি, শাফেয়ি ও সাওরির মত। এটা আবু বকর এবং উমরেরও মত। ইমাম মালেক ও আহমদ বলেন, তার উপরও ইদ্দত পালন ওয়াজিব। তবে তার ইদ্দত তিন হায়েয, না জরায়ু অবমুক্ত হয় এমন এক হায়েয? ইমাম আহমদ থেকে বর্ণিত দুটি মতের একটিতে তিন হায়েয এবং অপরটিতে এক হায়েয বলা হয়েছে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 হায়েযের হিসাবে ইদ্দত পালন কখন মাস হিসাবে ইদ্দত পালনে রূপান্তরিত হবে

📄 হায়েযের হিসাবে ইদ্দত পালন কখন মাস হিসাবে ইদ্দত পালনে রূপান্তরিত হবে


হায়েয চালু রয়েছে এমন স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ইদ্দতের মধ্যে স্বামী মারা গেলে তালাক রজয়ি কিনা দেখতে হবে। যদি রজয়ি হয়, তাহলে তাকে বিধবার ইদ্দত চার মাস দশ দিন পালন করতে হবে। কেননা সে তখনো তার স্ত্রী এবং রজয়ি তালাক দাম্পত্য সম্পর্ককে নষ্ট করেনা। এজন্য ইদ্দতের মধ্যে দু'জনের মধ্যে যে জনই মারা যাক, উভয়ের মধ্যে পরস্পরের উত্তরাধিকার বণ্টিত হবে।
আর যদি বায়েন তালাক হয়, তবে স্ত্রী হায়েযের হিসাবে তালাকের ইদ্দত পালন করবে। এক্ষেত্রে ইদ্দত বিধবার ইদ্দতে রূপান্তরিত হবেনা। কেননা তালাকের সময় থেকেই দম্পতির দাম্পত্য বন্ধন ছিন্ন হয়ে গেছে। বায়েন তালাক দাম্পত্য সম্পর্কের অবসান ঘটায়। তাই স্বামীর যখন মৃত্যু হয়েছে, তখন সে স্বামী ছিলোনা। তাই দু'জনের একজন ইদ্দতের মধ্যে মারা গেলে একজন অপরজনের উত্তরাধিকারী হবেনা। তবে স্বামী যদি পলাতক গণ্য হয়, তাহলে ব্যাপারটা অন্য রকম হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00