📄 কাফফারা দেয়ার আগে স্ত্রী সহবাস
কাফফারা দেয়ার আগে স্ত্রীর সাথে সহবাস করা হারাম। কাফফারা কখনো রহিতও হয়না, বৃদ্ধিও পায়না। বরং একটা কাফফারা হিসেবেই তা বহাল থাকে। সালত বিন দিনার বলেছেন: আমি দশজন ফকিহকে জিজ্ঞাসা করেছি যিহারকারী কাফফারা দেয়ার আগে সহবাস করলে কী হবে। তারা বলেছেন: একটা কাফফারাই দিতে হবে।
📄 যিহারের কাফফারা
যিহারের কাফফারা হলো, একজন গোলামকে স্বাধীন করা, অন্যথায় বিরতিহীনভাবে দু'মাস রোযা রাখা, নচেত ষাটজন মিসকিনকে খাওয়ানো। কেননা আল্লাহ বলেছেন:
وَالَّذِينَ يُظْهِرُونَ مِنْ نِسَائِهِمْ ثُمَّ يَعُودُونَ لِمَا قَالُوا فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مِّنْ قَبْلِ أَنْ يَتَمَاسَّا ، ذَلِكُمْ تُوعَظُونَ بِهِ ، وَاللهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَصِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَتَمَاسَّا ، فَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَاطْعَامُ سِتِّينَ مِسْكِينًا ،
অর্থ: যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে যিহার করে, তারপর তা থেকে ফিরে আসতে চায়, তারা যেন সহবাসের পূর্বে একজন গোলাম মুক্ত করে। এটা তোমাদের জন্য সদুপদেশ। আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে জ্ঞাত রয়েছেন। যে ব্যক্তি এটা করতে অক্ষম, সে যেন সহবাসের পূর্বে বিরতিহীনভাবে দু'মাস রোযা রাখে। যে ব্যক্তি এটাও পারেনা, সে যেন ষাটজন দরিদ্রকে আহার করায়। (সূরা মুজাদালাহ, ৩-৪)
যিহারের কাফফারায় কঠোর ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য দাম্পত্য সম্পর্কের হেফাজত এবং স্ত্রীর উপর যুলুম প্রতিরোধ। কারণ স্বামী যখন দেখবে যে, কাফফারা দেয়া তার জন্য কঠিন, তখন দাম্পত্য সম্পর্ককে সম্মান দেখাবে ও স্ত্রীর উপর যুলুম করবেনা।