📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 স্ত্রীর সাথে স্বামীর যৌন মিলন

📄 স্ত্রীর সাথে স্বামীর যৌন মিলন


ইবনে হাযম বলেছেন, প্রতি পবিত্রতার মেয়াদে (ঋতুস্রাব মুক্ত সময়ে) অন্তত একবার সহবাস করা সামর্থ্যবান স্বামীর উপর ফরয। অন্যথায় সে গুনাহগার ও আল্লাহর অবাধ্য গণ্য হবে। এর প্রমাণ হচ্ছে সূরা বাকারার ২২২ নং আয়াতের নিম্নোক্ত অংশ: فَإِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمُ اللهُ . "অতপর যখন স্ত্রীরা পবিত্র হবে তখন তোমরা আল্লাহর আদেশ অনুযায়ী তাদের নিকট যেও।" অধিকাংশ আলেম ইবনে হাযমের এই মত সমর্থন করেছেন যে, স্বামীর যদি কোনো ওযর না থাকে তবে এটা তার জন্য বাধ্যতামূলক। ইমাম শাফেয়ী বলেছেন, এটা ওয়াজিব বা বাধ্যতামূলক নয়। কেননা ওটা তার অধিকার। তাই অন্যান্য অধিকারের মতোই বাধ্যতামূলক নয়। ইমাম আহমদ বলেছেন, চার মাসের মধ্যে একবার সহবাস করতে হবে। আর যখন স্ত্রীকে রেখে প্রবাসে যাবে, তখন যদি এমন কোনো ওযর না থাকে, যা তাকে দেশে প্রত্যাবর্তনে বাধা দেয়, তাহলে তার জন্য ইমাম আহমদ সর্বোচ্চ ছয় মাসের সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে তাকে স্ত্রীর কাছে ফিরতে হবে। ইমাম আহমদকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, স্বামী কতো দিন স্ত্রীর কাছ থেকে অনুপস্থিত থাকতে পারে? তিনি বললেন, ছয় মাস। এরপর তাকে ফিরে আসতে বার্তা পাঠাতে হবে। যদি না আসে, তবে শাসক তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেবে। এর প্রমাণ এই যে, যায়দ ইবনে আসলাম বর্ণনা করেন, উমর ইবনুল খাত্তাব মদিনার ওলিগলিতে ঘুরে জনগণের অবস্থা পরিদর্শনের সময় শুনতে পেলেন, জনৈকা মহিলা নিম্নরূপ কবিতা আবৃতি করছে: "আহ, আজকের রাতটা কতো লম্বা ও কী অন্ধকার! অনেক দিন কেটে গেছে আমার বন্ধু নেই, যার সাথে আমোদ ফূর্তি করবো। আল্লাহর কসম, আমার যদি একমাত্র আল্লাহর ভয় না থাকতো, তাহলে এই খাটটির চারপাশ আন্দোলিত হতো। কেবল আমার প্রতিপালক ও লজ্জা আমাকে সংযত রাখছে। আর আমার স্বামীকে আমি ভক্তি করি। তাই কাউকে তার বিছানা মাড়াতে দেইনা।" উমর রা. উক্ত মহিলার পরিচয় অনুসন্ধান করলেন। তাকে বলা হলো, সে অমুক মহিলা। তার স্বামী বিদেশে আল্লাহর পথে জিহাদে নিয়োজিত। তারপর তার মেয়ে হাফসার নিকট গিয়ে বললেন, "হে মেয়ে, নারী, স্বামী ছাড়া কতোদিন ধৈর্যধারণ করে থাকতে পারে?" হাফসা বললেন, সুবহানাল্লাহ, আপনার আমার নিকট এই প্রশ্ন করছেন? (অর্থাৎ পিতা হয়ে মেয়ের নিকট এ প্রশ্ন করা লজ্জাজনক ও বিব্রতকর) উমর রা. বললেন, আমি যদি মুসলমানদের কল্যাণ চিন্তা না করতাম তবে তোমাকে এ প্রশ্ন করতামনা। হাফসা বললেন, "পাঁচ থেকে ছয় মাস।” তখন উমর রা. জনগণের যুদ্ধ বিগ্রহে থাকার জন্য ছয় মাস সময় নির্ধারিত করে দিলেন। এক মাস কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য। এক মাস ফিরে আসার জন্য এবং চার মাস কর্মস্থলে অবস্থানের জন্য। শাফেয়ী মাযহাবের ইমাম গাযযালী বলেছেন, প্রত্যেক চারদিনের মধ্যে একবার স্ত্রী সহবাস করা সর্বাপেক্ষা সুবিচারসম্মত। কেননা স্ত্রী সর্বোচ্চ সংখ্যা চারজন। তাই চারদিন পর্যন্ত বিলম্ব করা বৈধ। তবে স্ত্রীর সতিত্ব রক্ষার প্রয়োজনের এই পরিমাণ কমানো বাড়ানো বাঞ্ছনীয়। কেননা তার সতিত্ব রক্ষা করা স্বামীর কর্তব্য। সংগমের দাবি জানানোর কোনো বাধ্যবাধকতার প্রমাণ নেই বটে। কেননা এ ধরনের দাবি তোলা ও তা পূরণ করা খুবই কঠিন।
মুহাম্মদ বিন মান গিফারী বলেন, জনৈকা মহিলা উমর রা.-এর নিকট এলো এবং বললো, হে আমীরুল মুমিনীন, আমার স্বামী দিনে রোযা রাখে এবং রাতে নামায পড়ে। (অর্থাৎ নফল নামায পড়ে ও রোযা রাখে) আমি তার আল্লাহর ইবাদতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা পছন্দ করি না। উমর রা. বললেন, তোমার স্বামী তো খুবই ভালো স্বামী। এরপরও মহিলা তার কথা পুনরাবৃত্তি করলো। আর উমর রা. তার জবাবের পুনরাবৃত্তি করতে লাগলেন। এক পর্যায়ে কা'ব আসাদী উমর রা.কে বললো, হে আমীরুল মুমিনীন, এই মহিলা তার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে যে, সে তার বিছানা থেকে মহিলাকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। উমর রা. বললেন, তুমি যখন মহিলার কথা বুঝেছো, তখন বিবাদটা তুমিই মিটিয়ে দাও। কা'ব বললেন, আমার নিকট মহিলার স্বামীকে হাজির করতে হবে। তাকে হাজির করানো হলো। কা'ব তাকে বললেন, তোমার স্ত্রী তোমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করছে। স্বামী বললো, খাবারের ব্যাপারে নাকি? কা'ব বললেন, না। তখন মহিলা বললো, হে জ্ঞানী বিচারক, আমার বন্ধুকে তার মসজিদ আমার কাছ থেকে বেখবর করে দিয়েছে। তার ইবাদত তাকে আমার বিছানা থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। সুতরাং হে কা'ব, কোনো দ্বিধা সংকোচ না করে ফায়সালা করে দিন। তার রাত ও দিন তাকে ঘুমাতে দেয় না। বিশেষ করে মহিলাদের ব্যাপারে তার আচরণকে আমি প্রশংসা করতে পারছিনা।
তার স্বামী বললো: সূরা নাহল ও সাতটি দীর্ঘ সূরায় যা কিছু নাযিল হয়েছে তা এবং আল্লাহর কিতাবের সর্বত্র যে ভয়াবহ সতর্ক বাণী রয়েছে, সেইসব মিলে নারী ও তার ঘরের কথা আমাকে ভুলিয়ে দিয়েছে।
কা'ব বললেন: "হে পুরুষ, তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হক রয়েছে। চার দিনে একদিন তার ন্যায্য হিস্সা। কাজেই এই হিস্সা তাকে দিয়ে দাও। টালবাহানা বর্জন করো। এরপর কা'ব আরো বললেন, আল্লাহ তোমার জন্য দুজন, তিনজন বা চারজন স্ত্রী গ্রহণ হালাল করেছেন। এরপর তোমার হাতে তিন দিন তিন রাত অবশিষ্ট থাকছে। সেই কদিন তুমি নফল ইবাদত যত ইচ্ছা করতে পারো। উমর রা. বললেন, হে কা'ব, আমি বুঝতে পারছিনা তোমার দুটি কাজের কোনটিতে আমি বেশি মুগ্ধ। এই দম্পতির সমস্যার উপলব্ধি, না তাদের বিপদের নিষ্পত্তি? যা হোক, তুমি যাও, তোমাকে বসরার কাযী নিয়োগ করলাম। হাদিস থেকে প্রমাণিত হয়েছে, স্ত্রীর সাথে স্বামীর সহবাস একটি সদকা যার জন্য আল্লাহ সওয়াব দিয়ে থাকেন। মুসলিম বর্ণনা করেন, রসূল সা. বলেছেন, তোমার স্ত্রীর সাথে তোমার যৌন মিলনেও তোমার জন্য পুরস্কার রয়েছে। লোকেরা বললো, হে রসূলুল্লাহ, আমরা আমাদের কাম প্রবৃত্তি চরিতার্থ করবো, তাতেও পুরস্কার? রসূল সা. বললেন, ভেবে দেখো তো, তোমরা যদি এ কাজটা হারাম উপায়ে করতে, তবে কি তাতে গুনাহ হতো না? তেমনি হালাল উপায়ে করার জন্য তোমরা পুরস্কৃত হবে।” স্ত্রী যাতে পূর্ণ তৃপ্তি লাভ করে সেজন্য আদর, সোহাগ, চুম্বন, আলিঙ্গন, ইত্যাদিতে সময় ক্ষেপণ করা মুস্তাহাব। আবু ইয়ালা আনাস বিন মালেক রা. থেকে বর্ণনা করেন: রসূল সা. বলেছেন, তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করো তখন যথাযথভাবে তা করো। স্ত্রীর পূর্ণ তৃপ্তি লাভের আগে যখন পুরুষ তৃপ্তি লাভ করে, তখন পুরুষ যেন তাড়াহুড়ো করে উঠে না যায়, যতোক্ষণ না স্ত্রী পূর্ণ তৃপ্তি পায়।" ইতিপূর্বে রসূল সা.-এর এ উক্তিও উদ্ধৃত করা হয়েছে, "কুমারী মেয়ে কেন বিয়ে করলে না যে তোমার সাথে আমোদ ফুর্তি করতো এবং তুমিও তার সাথে আমোদ প্রমোদ করতে?"

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 সহবাসের সময় পুরোপুরি নগ্ন না হওয়া চাই

📄 সহবাসের সময় পুরোপুরি নগ্ন না হওয়া চাই


ইসলাম সকল অবস্থায় সতর ঢেকে রাখার আদেশ দিয়েছে একমাত্র সেই অবস্থা ব্যতিত, যখন সতর খোলার প্রয়োজন হয়। বাহয বিন হাকিমের দাদা রাসূল সা.কে জিজ্ঞাসা করলেন, "হে রসূলুল্লাহ, আমাদের শরীরের গোপনীয় অংশের কতোটুকু ঢাকবো আর কতোটুকু খুলবো? তিনি বললেন, তোমার স্ত্রী বা বাদী ব্যতিত আর সবার দৃষ্টি থেকে শরীরের গোপন অংশ লুকিয়ে রাখো। পুনরায় জিজ্ঞাসা করা হলো, হে রসূলুল্লাহ, যখন একজন আর একজনের সাথে সংগমরত হয় তখন? রসূল সা. বললেন, যদি গুপ্ত অংগ না দেখে পারা যায় তবে যেন না দেখে। আবার জিজ্ঞাসা করা হলো, যখন আমাদের কেউ একেবারেই নির্জন স্থানে অবস্থান করে? রসূল সা. বললেন, মানুষের চেয়ে আল্লাহ থেকে বেশি লজ্জা করা উচিত।” (তিরমিযি)
সহবাসের সময় সতর খোলা জায়েয। কিন্তু তা রসূল সা. বলেছেন, সহবাসের সময় স্বামী স্ত্রীর পুরোপুরি নগ্ন হওয়া উচিত নয়। উতবা বিন আবদ সুলাইমি থেকে বর্ণিত: রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, তোমরা যখন স্ত্রীর সাথে সংগম করো তখন যথাসম্ভব সতর ঢাকো এবং গাধা গাধীর মতো উলংগ হয়ো না। (ইবনে মাজাহ)। ইবনে উমর রা. বর্ণনা করেন: রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, সাবধান, নগ্ন হয়োনা। কেননা তোমাদের সাথে এমন ফেরেশতা রয়েছেন, যারা কখনো তোমাদেরকে ছেড়ে যাননা একমাত্র পেশাব পায়খানা করার সময় ব্যতিত এবং স্ত্রী সংগমের সময় ব্যতিত। সুতরাং তোমরা তাদের থেকে লজ্জা করো এবং তাদেরকে সম্মান করো (তিরমিযি)। আয়েশা রা. বলেছেন, রসূল সা. কখনো আমার দেহের গুপ্তাংশ দেখেননি, আর আমিও তার দেহের গুপ্তাংশ দেখিনি।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 সহবাসের সময় বিসমিল্লাহ্ বলা

📄 সহবাসের সময় বিসমিল্লাহ্ বলা


সহবাসের সময় আউযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়া সুন্নত। বুখারি ও মুসলিম ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন: بِسْمِ الله ... اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا .
রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: তোমাদের কোনো ব্যক্তি স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত হওয়ার প্রাক্কালে যদি বিসমিল্লাহির রাহমানির রহীম, আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়তান ওয়া জান্নিবিশ শয়তানা মা রযাকতানা" (পরম দাতা ও দয়ালু আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখো এবং আমাদের ভাবি সন্তান থেকে শয়তানকে দূরে রাখো) তাহলে সেই সহবাসের ফলে তাদের দু'জনের জন্য যদি কোনো সন্তান বরাদ্দ করা হয়, তাহলে শয়তান সেখানে সেই সন্তানের ক্ষতি করতে পারবেনা।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 সহবাস চলাকালে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সহবাস সংক্রান্ত বাক্যালাপ

📄 সহবাস চলাকালে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সহবাস সংক্রান্ত বাক্যালাপ


সহবাসের বিষয় আলোচনা করা ও অন্যদেরকে জানানো শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং একেবারেই নিরর্থক ও নিষ্প্রয়োজন। এ বিষয়ে কিছু বলার একান্ত প্রয়োজন দেখা না দিলে এটা পরিহার করাই বাঞ্ছনীয়। সহীহ হাদিসে রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, নিষ্প্রয়োজনীয় জিনিস পরিহার করা ইসলামের সৌন্দর্যের অংশ। আল্লাহ তায়ালাও বেহুদা ও নিষ্প্রয়োজন জিনিস পরিহারকারীদের প্রশংসা করেছেন
وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ "(মুক্তি পাবে তারাও) যারা বেহুদা কাজ ও কথা পরিহার করে।" (সূরা মুমিনুন: ৩)
অবশ্য এ বিষয়ে কাউকে কিছু বলা অনিবার্য হয়ে পড়লে তাতে দোষ নেই। জনৈকা মহিলা রসূল সা.-এর নিকট অভিযোগ করেছিল যে, তার স্বামী তার সাথে সহবাসে অক্ষম। তখন তার স্বামী বললো, “হে রসূলুল্লাহ, আমি তাকে পাকা চামড়া যেভাবে ঝাঁকানো হয় সেভাবে ঝাঁকাই।" তবে স্বামী বা স্ত্রী যখন সহবাসের বিস্তারিত বিবরণকে অত্যাবশ্যক পর্যায়ের চেয়ে বেশি সম্প্রসারিত করে এবং উভয়ের মধ্যকার গোপন কাজের খুঁটিনাটি প্রকাশ করে, তখন তা হারাম কাজ হয়ে যায়। আবু সাঈদ রা. থেকে বর্ণিত: রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, কেয়ামতের দিন আল্লার দৃষ্টিতে খারাপ বিবেচিত হবে সেই ব্যক্তি, যে তার স্ত্রীর সাথে গোপনে মিলিত হয় এবং স্ত্রীও তার সাথে গোপনে মিলিত হয়, অতপর সেই গোপন মিলনের কথা জনসমক্ষে প্রকাশ করে।” (আহমদ) আর আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সা. নামায পড়ালেন। সালাম ফেরানোর পর নামাযীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসে বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন পুরুষ কেউ আছে কি, যে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে গিয়ে দরজা বন্ধ করে ও সতর খোলে, তারপর বের হয়ে লোকজনকে বলে, “আমার স্ত্রীর সাথে এরূপ এরূপ করছি" লোকেরা চুপ থাকলো। এরপর তিনি মহিলাদের দিকে মুখ ফেরালেন এবং বললেন, তোমাদের মধ্যে কোনো মহিলা এমন আছে কি যে এসব কথা প্রকাশ করে? তখন জনৈকা যুবতী হাঁটুর উপর ভর করে ঘাড় উঁচু করে মাথা তুলতে লাগলো, যাতে রসূল সা. তাকে দেখতে পান ও তার কথা শুনতে পান। সে বললো, জ্বি, আল্লাহর কসম, পুরুষরাও এসব বিষয়ে কথা বলেন, মহিলারাও বলে। রসূলুল্লাহ সা. বললেন, "তোমরা জানো, যারা এ রকম করে, তাদের উদাহরণ কী? যারা এ ধরনের কাজ করে তারা সেই শয়তান পুরুষ ও শয়তান মহিলার মতো, যাদের একটা সড়কের উপর পরস্পরের সাক্ষাৎ হয়, আর তখনই জনতার চোখের সামনেই পুরুষটি মহিলারটির সাথে নিজের লালসা চরিতার্থ করে।” (আহমদ, আবু দাউদ)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00