📄 দোআর আদব
দোআর আদব:
দোআর কিছু আদব রয়েছে, যা পালন করা মুস্তাহাব:
১. দোআ করার আগে আল্লাহর প্রশংসা করা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করা।
২. দোআ করার সময় বিনয় ও নম্রতা অবলম্বন করা।
৩. দোআ করার সময় আন্তরিকভাবে আল্লাহর উপর ভরসা করা।
৪. দোআ করার সময় হাত তোলা।
৫. দোআ করার সময় কিবলামুখী হওয়া।
৬. দোআ করার সময় কণ্ঠস্বর নিচু রাখা।
৭. দোআ করার সময় গুনাহ থেকে তওবা করা।
৮. দোআ করার সময় হালাল জীবিকা উপার্জন করা।
৯. দোআ করার সময় ধৈর্য ধারণ করা এবং হতাশ না হওয়া।
১০. দোআ করার সময় বাড়াবাড়ি না করা।
১১. দোআ করার সময় অশ্লীল কথা না বলা।
১২. দোআ করার সময় অন্যদের জন্য দোয়া করা।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমরা দোআ করো, তখন হাত তোলো এবং হাতের তালু আকাশের দিকে রাখো।” (আবু দাউদ, তিরমিযি)
📄 সকাল বিকালের দোয়া
সকাল বিকালের দোয়া:
সকাল বিকালের দোয়া করা মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকাল-বিকাল অনেক দোয়া পাঠ করতেন। যেমন: আল্লাহুম্মা বিকা আসবাহনা ওয়া বিকা আমসায়না ওয়া বিকা নাহয়া ওয়া বিকা নামুতু ওয়া ইলাইকাল নুশূর (হে আল্লাহ, তোমার নামে আমরা সকাল করেছি, তোমার নামে সন্ধ্যা করেছি, তোমার নামে আমরা জীবিত থাকি, তোমার নামেই আমরা মারা যাই এবং তোমার দিকেই প্রত্যাবর্তন করবো)।
📄 বিভিন্ন সময় ও উপলক্ষের দোয়া
বিভিন্ন সময় ও উপলক্ষের দোয়া:
বিভিন্ন সময় ও উপলক্ষের দোয়া করা মুস্তাহাব। যেমন: নামাযের পর দোয়া, ঘুম থেকে ওঠার পর দোয়া, ঘুমানোর আগে দোয়া, খাবার খাওয়ার আগে ও পরে দোয়া, কাপড় পরার আগে ও পরে দোয়া, বাড়িতে প্রবেশের আগে ও পরে দোয়া, বাইরে যাওয়ার আগে ও পরে দোয়া, মসজিদে প্রবেশের আগে ও পরে দোয়া, অসুস্থ হলে দোয়া, বৃষ্টি হলে দোয়া, ঝড় হলে দোয়া, ইত্যাদি।
📄 কতিপয় ব্যাপক অর্থবোধক দোয়া
কতিপয় ব্যাপক অর্থবোধক দোয়া:
কতিপয় ব্যাপক অর্থবোধক দোয়া হলো, যা সকল সময় ও পরিস্থিতিতে পাঠ করা যায়। যেমন: রাব্বানা আতিনা ফিদ দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া ক্বিনা আযাবান নার (হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দাও এবং আখেরাতেও কল্যাণ দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করো)।