📄 মৃত্যু শয্যা স্মরণ ও আমলের মাধ্যমে প্রস্তুতি গ্রহণ মুস্তাহাব
মৃত্যু শয্যা স্মরণ ও আমলের মাধ্যমে প্রস্তুতি গ্রহণ মুস্তাহাব:
মৃত্যু শয্যা স্মরণ করা এবং তার জন্য নেক আমলের মাধ্যমে প্রস্তুতি গ্রহণ করা মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “মৃত্যু শয্যা স্মরণ করো, কারণ এটি তোমাকে দুনিয়ার ভোগবিলাস থেকে দূরে রাখবে।” (তিরমিযি)
তিনি আরো বলেছেন: “যে ব্যক্তি মৃত্যু শয্যা স্মরণ করে, সে নেক আমল করতে উৎসাহিত হয়।” (আহমদ)
মৃত্যু শয্যার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা জরুরি। এর জন্য কিছু আমল করা মুস্তাহাব:
১. তওবা করা: সকল গুনাহ থেকে তওবা করা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
২. ফরয ইবাদত আদায় করা: নামায, রোযা, যাকাত ও হজ্জের মতো ফরয ইবাদতগুলো পূর্ণ করা।
৩. ঋণ পরিশোধ করা: যদি কোনো ঋণ থাকে, তাহলে তা পরিশোধ করা।
৪. ওসিয়ত করা: যদি কোনো ওসিয়ত থাকে, তাহলে তা লিখে রাখা এবং সাক্ষ্য রাখা।
৫. হালাল সম্পদ উপার্জন করা: হালাল সম্পদ উপার্জন করা এবং হারাম থেকে দূরে থাকা।
৬. নেক আমল করা: বেশি বেশি নেক আমল করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা।
📄 মৃত্যু কামনা করা মাকরুহ
মৃত্যু কামনা করা মাকরুহ:
মৃত্যু কামনা করা মাকরুহ। তবে যদি কোনো ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য মৃত্যু কামনা করা হয়, তাহলে জায়েয। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা মৃত্যু কামনা করো না।” (বুখারি, মুসলিম) তিনি আরো বলেছেন: “তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে, যদি তার উপর কোনো বিপদ আসে, তাহলে সে যেন বলে, হে আল্লাহ, আমাকে বাঁচিয়ে রাখো যতক্ষণ আমার জন্য বাঁচা কল্যাণকর। আর আমাকে মৃত্যু দাও যখন আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর।” (বুখারি, মুসলিম)
📄 নেক আমলের সাথে দীর্ঘ জীবন একটা নিয়ামত
নেক আমলের সাথে দীর্ঘ জীবন একটা নিয়ামত:
নেক আমলের সাথে দীর্ঘ জীবন একটা নিয়ামত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “সেই ব্যক্তি সর্বোত্তম, যার জীবন দীর্ঘ হয়েছে এবং আমল ভালো হয়েছে।” (তিরমিযি)
📄 মৃত্যুর পূর্বে সৎ কাজ করা ঈমানদার অবস্থায় মৃত্যু বরণের লক্ষণ
মৃত্যুর পূর্বে সৎ কাজ করা ঈমানদার অবস্থায় মৃত্যু বরণের লক্ষণ:
মৃত্যুর পূর্বে সৎ কাজ করা ঈমানদার অবস্থায় মৃত্যু বরণের লক্ষণ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদ করে, তার জন্য জান্নাত।” (মুসলিম)