📄 রোগে ধৈর্য ধারণ
রোগে ধৈর্য ধারণ:
ইসলামে রোগ বা বালা-মুসিবতে ধৈর্য ধারণের গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন:
وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ
অর্থ: “এবং ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও, যারা তাদের উপর কোনো বিপদ আসলে বলে, নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।” (সূরা বাকারা: আয়াত ১৫৫-১৫৬)
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “মুসলিম ব্যক্তি যে দুঃখ, দুশ্চিন্তা, রোগ ও কষ্ট ভোগ করে, তার বিনিময়ে আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে দেন, এমনকি কাঁটা বিদ্ধ হলেও।” (বুখারি, মুসলিম)
📄 রোগীর নিজের রোগের কথা ব্যক্ত করা
রোগীর নিজের রোগের কথা ব্যক্ত করা:
রোগীর নিজের রোগের কথা ব্যক্ত করা জায়েয। তবে তা যেন বাড়াবাড়ি না হয় বা অভিযোগ না হয়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন অসুস্থ হতেন, তখন তার রোগের কথা বলতেন।
📄 রোগী দেখতে যাওয়া
রোগী দেখতে যাওয়া:
রোগী দেখতে যাওয়া মুসলিম সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্তব্য। এটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা রোগীর সেবা করো এবং ক্ষুধার্তকে খাবার দাও।” (বুখারি)
📄 রোগী দেখতে যাওয়ার ফযিলত
রোগী দেখতে যাওয়ার ফযিলত:
রোগী দেখতে যাওয়ার ফযিলত অপরিসীম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন কোনো মুসলিম তার মুসলিম ভাইয়ের রোগ দেখতে যায়, তখন সে জান্নাতের বাগানে বিচরণ করে, যতক্ষণ না সে ফিরে আসে।” (মুসলিম)