📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 যেসব কাজে রোযা ভংগ হয়

📄 যেসব কাজে রোযা ভংগ হয়


যেসব কাজে রোযা ভংগ হয়:
যেসব কাজে রোযা ভংগ হয় তা হলো: ১. পানাহার করা, ২. স্ত্রী সহবাস করা, ৩. বমি করা (ইচ্ছা করে), ৪. মাসিক ঋতুস্রাব ও নেফাস হওয়া, ৫. পাগল হওয়া, ৬. অজ্ঞান হওয়া (পুরো দিন)।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 রমযানের রোযার কাযা

📄 রমযানের রোযার কাযা


রমযানের রোযার কাযা:
রমযানের রোযার কাযা করা ওয়াজিব। যদি কোনো ব্যক্তি রমযানের রোযা ভাংেগ, তাহলে তাকে পরে কাযা করতে হবে। আল্লাহ বলেন: فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ (অর্থ: তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ অথবা সফরে আছে, সে অন্য দিনে রোযা পূর্ণ করবে।) (সূরা বাকারা: আয়াত ১৮৫)

যদি কেউ কাযা না করে মারা যায়, তাহলে তার উত্তরাধিকারীরা তার পক্ষ থেকে রোযা রাখবে অথবা ফিদিয়া দেবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 লাইলাতুল কদর

📄 লাইলাতুল কদর


লাইলাতুল কদর:
লাইলাতুল কদর রমযান মাসের শেষ দশ দিনের বিজোড় রাতগুলোতে হয়। এটি হাজার মাসের চেয়েও উত্তম রাত। আল্লাহ বলেন: لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ (অর্থ: লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।) (সূরা কদর: আয়াত ৩)

এ রাতে ইবাদত, দু‘আ ও ইস্তিগফার করা মুস্তাহাব।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ই’তিকাফ

📄 ই’তিকাফ


ই’তিকাফ:
ই’তিকাফ হলো, রমযান মাসের শেষ দশ দিন মসজিদে অবস্থান করা। এটি সুন্নত। ই’তিকাফকারী পানাহার ও স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি বছর রমযানের শেষ দশ দিন ই’তিকাফ করতেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00