📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 যাদের জন্য রোযা ভাংগার অনুমতি আছে এবং কাযা ওয়াজিব

📄 যাদের জন্য রোযা ভাংগার অনুমতি আছে এবং কাযা ওয়াজিব


যাদের জন্য রোযা ভাংগার অনুমতি আছে এবং কাযা ওয়াজিব:
যাদের জন্য রোযা ভাংগার অনুমতি আছে এবং কাযা ওয়াজিব তারা হলো: ১. মুসাফির, ২. রোগী, ৩. মাসিক ঋতুস্রাব ও নেফাসগ্রস্ত মহিলা।

এরা রোযা ভাংতে পারবে এবং পরে কাযা করতে হবে। আল্লাহ বলেন: فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ (অর্থ: তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ অথবা সফরে আছে, সে অন্য দিনে রোযা পূর্ণ করবে।) (সূরা বাকারা: আয়াত ১৮৫)

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 যার উপর রোযা রাখা এবং ভংগ দুটোই বাধ্যতামূলক

📄 যার উপর রোযা রাখা এবং ভংগ দুটোই বাধ্যতামূলক


যার উপর রোযা রাখা এবং ভংগ দুটোই বাধ্যতামূলক:
যার উপর রোযা রাখা এবং ভংগ দুটোই বাধ্যতামূলক তারা হলো: ১. যার উপর রমযানের রোযা কাযা করা ওয়াজিব, কিন্তু সে কাযা না করে মারা যায়।

এ ক্ষেত্রে তার উত্তরাধিকারীরা তার পক্ষ থেকে রোযা রাখবে অথবা ফিদিয়া দেবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 যে দিনগুলোতে রোযা রাখা নিষিদ্ধ

📄 যে দিনগুলোতে রোযা রাখা নিষিদ্ধ


যে দিনগুলোতে রোযা রাখা নিষিদ্ধ:
যে দিনগুলোতে রোযা রাখা নিষিদ্ধ তা হলো: ১. ঈদুল ফিতর, ২. ঈদুল আযহা, ৩. আইয়ামে তাশরিক (ঈদুল আযহার পরের তিন দিন)।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 অবিরত রোযা রাখা নিষিদ্ধ

📄 অবিরত রোযা রাখা নিষিদ্ধ


অবিরত রোযা রাখা নিষিদ্ধ:
অবিরত রোযা রাখা নিষিদ্ধ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবিরাম রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00