📄 কাফের ও উন্মাদদের রোযা
কাফের ও উন্মাদদের রোযা:
কাফের ও উন্মাদদের উপর রোযা ফরয নয়। কারণ তারা ইসলামের বিধান পালনের যোগ্য নয়।
📄 বালকের রোযা
বালকের রোযা:
বালকের উপর রোযা ফরয নয়। তবে তাকে রোযা রাখার অভ্যাস করানো মুস্তাহাব, যাতে সে প্রাপ্তবয়স্ক হলে রোযা রাখতে অভ্যস্ত হয়।
📄 রোযা ভংগ করার অনুমতি ও ফিদিয়া দেয়ার হুকুম যাদের উপর
রোযা ভংগ করার অনুমতি ও ফিদিয়া দেয়ার হুকুম যাদের উপর:
যাদের উপর রোযা ভংগ করার অনুমতি আছে এবং ফিদিয়া দেয়ার হুকুম আছে তারা হলো: ১. বৃদ্ধ ব্যক্তি, ২. চিররোগী, ৩. গর্ভবতী মহিলা, ৪. স্তন্যদাত্রী মহিলা।
এরা রোযা ভাংতে পারবে এবং প্রত্যেক রোযার বিনিময়ে একজন মিসকিনকে খাবার দেবে। আল্লাহ বলেন: وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ (অর্থ: যারা রোযা রাখতে কষ্ট পায়, তাদের জন্য ফিদিয়া একজন মিসকিনকে খাবার।) (সূরা বাকারা: আয়াত ১৮৪)
📄 যাদের জন্য রোযা ভাংগার অনুমতি আছে এবং কাযা ওয়াজিব
যাদের জন্য রোযা ভাংগার অনুমতি আছে এবং কাযা ওয়াজিব:
যাদের জন্য রোযা ভাংগার অনুমতি আছে এবং কাযা ওয়াজিব তারা হলো: ১. মুসাফির, ২. রোগী, ৩. মাসিক ঋতুস্রাব ও নেফাসগ্রস্ত মহিলা।
এরা রোযা ভাংতে পারবে এবং পরে কাযা করতে হবে। আল্লাহ বলেন: فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ (অর্থ: তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ অথবা সফরে আছে, সে অন্য দিনে রোযা পূর্ণ করবে।) (সূরা বাকারা: আয়াত ১৮৫)