📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 রমযানের রোযা ভংগের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি

📄 রমযানের রোযা ভংগের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি


রমযানের রোযা ভংগের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি:
রমযানের রোযা ভংগ করা কবিরা গুনাহ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি বিনা ওজরে রমযানের একটি রোযা ভাংবে, সারা জীবন রোযা রাখলেও তার ক্ষতি পূরণ হবে না।” (আবু দাউদ, তিরমিযি, ইবনে মাজাহ)

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 রমযান কিভাবে প্রমাণিত হয়

📄 রমযান কিভাবে প্রমাণিত হয়


রমযান কিভাবে প্রমাণিত হয়:
রমযান মাস প্রমাণিত হয় চাঁদ দেখার মাধ্যমে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখো এবং চাঁদ দেখে ঈদ করো।” (বুখারি, মুসলিম)

যদি চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করা হবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যদি চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করো।” (বুখারি, মুসলিম)

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 চাঁদ উদয়ের স্থানভেদ

📄 চাঁদ উদয়ের স্থানভেদ


চাঁদ উদয়ের স্থানভেদ:
চাঁদ উদয়ের স্থানভেদ রোযা ও ঈদের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। যদি এক স্থানে চাঁদ দেখা যায়, কিন্তু অন্য স্থানে দেখা না যায়, তাহলে সে ক্ষেত্রে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইমাম আবু হানিফা, আহমদ, মালেক ও তাদের শিষ্যরা বলেন, যদি এক স্থানে চাঁদ দেখা যায়, তাহলে সকল স্থানে রোযা রাখা ফরয। ইমাম শাফেয়ী বলেন, যদি এক স্থানে চাঁদ দেখা যায়, তাহলে কেবল সেই স্থানে রোযা রাখা ফরয, অন্যান্য স্থানে ফরয নয়।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 যে ব্যক্তি একা চাঁদ দেখে

📄 যে ব্যক্তি একা চাঁদ দেখে


যে ব্যক্তি একা চাঁদ দেখে:
যে ব্যক্তি একা চাঁদ দেখে, তার রোযা রাখা ফরয। কিন্তু তার চাঁদ দেখা সকলের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। আলেমদের মধ্যে এ ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। ইমাম আবু হানিফা, আহমদ, মালেক ও তাদের শিষ্যরা বলেন, যে ব্যক্তি একা চাঁদ দেখে, তার রোযা রাখা ফরয। কিন্তু তার চাঁদ দেখা সকলের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। ইমাম শাফেয়ী বলেন, যে ব্যক্তি একা চাঁদ দেখে, তার রোযা রাখা ফরয এবং তার চাঁদ দেখা সকলের জন্য গ্রহণযোগ্য।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00