📄 রমযানের রোযা
রমযানের রোযা:
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে রোযা অন্যতম। এটি মুসলিম উম্মাহর উপর ফরয। আল্লাহ বলেছেন: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ (অর্থ: হে মুমিনগণ, তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরয করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।) (সূরা বাকারা: আয়াত ১৮৩)
📄 রমযান মাস ও এ মাসে আমলের ফযিলত
রমযান মাস ও এ মাসে আমলের ফযিলত:
রমযান মাস পবিত্র ও বরকতময় মাস। এ মাসে আল্লাহ তা‘আলা কুরআন নাযিল করেছেন। এ মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানদেরকে শিকলবদ্ধ করা হয়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন রমযান মাস আসে, তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানদেরকে শিকলবদ্ধ করা হয়।” (বুখারি, মুসলিম)
এ মাসে ইবাদত ও আমলের ফযিলত অনেক বেশি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমযান মাসে ঈমান ও সওয়াবের আশায় রোযা রাখে, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।” (বুখারি, মুসলিম) তিনি আরো বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমযান মাসে ঈমান ও সওয়াবের আশায় তারাবির নামায পড়ে, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।” (বুখারি, মুসলিম)
📄 রমযানের রোযা ভংগের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি
রমযানের রোযা ভংগের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি:
রমযানের রোযা ভংগ করা কবিরা গুনাহ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি বিনা ওজরে রমযানের একটি রোযা ভাংবে, সারা জীবন রোযা রাখলেও তার ক্ষতি পূরণ হবে না।” (আবু দাউদ, তিরমিযি, ইবনে মাজাহ)
📄 রমযান কিভাবে প্রমাণিত হয়
রমযান কিভাবে প্রমাণিত হয়:
রমযান মাস প্রমাণিত হয় চাঁদ দেখার মাধ্যমে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখো এবং চাঁদ দেখে ঈদ করো।” (বুখারি, মুসলিম)
যদি চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করা হবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যদি চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করো।” (বুখারি, মুসলিম)