📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 সিয়াম : অর্থ, ফযিলত ও প্রকারভেদ

📄 সিয়াম : অর্থ, ফযিলত ও প্রকারভেদ


সিয়াম : অর্থ, ফযিলত ও প্রকারভেদ:
সিয়াম শব্দের আভিধানিক অর্থ বিরত থাকা, বারণ করা ও সংযম পালন করা। শরিয়তের পরিভাষায়, রোযা হলো ফজর উদয় হওয়া থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকা। আল্লাহ বলেছেন: كُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْلِ (অর্থ: তোমরা খাও এবং পান করো, যতক্ষণ না ফজরের সাদা রেখা কালো রেখা থেকে স্পষ্ট হয়, তারপর রাত পর্যন্ত রোযা পূর্ণ করো।) (সূরা বাকারা: আয়াত ১৮৭)

রোযার ফযিলত:
রোযার ফযিলত অপরিসীম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোযার ফযিলত সম্পর্কে অনেক হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: “আল্লাহ বলেছেন: রোযা আমার জন্য, আমিই তার প্রতিদান দেবো। রোযা ঢাল স্বরূপ।” (বুখারি, মুসলিম) তিনি আরো বলেছেন: “যে রোযা রাখে, তার জন্য দুটি আনন্দ: একটি ইফতারের সময়, আরেকটি তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাতের সময়।” (বুখারি, মুসলিম) তিনি আরো বলেছেন: “রোযাদারের মুখ থেকে যে গন্ধ বের হয়, তা আল্লাহর নিকট কস্তুরীর গন্ধের চেয়েও সুগন্ধি।” (বুখারি, মুসলিম)

রোযার প্রকারভেদ:
রোযা দু’প্রকারের: ফরয রোযা ও নফল রোযা। ফরয রোযা হলো রমযানের রোযা। নফল রোযা হলো রমযানের রোযা ছাড়া অন্যান্য রোযা।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 রমযানের রোযা

📄 রমযানের রোযা


রমযানের রোযা:
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে রোযা অন্যতম। এটি মুসলিম উম্মাহর উপর ফরয। আল্লাহ বলেছেন: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ (অর্থ: হে মুমিনগণ, তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরয করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।) (সূরা বাকারা: আয়াত ১৮৩)

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 রমযান মাস ও এ মাসে আমলের ফযিলত

📄 রমযান মাস ও এ মাসে আমলের ফযিলত


রমযান মাস ও এ মাসে আমলের ফযিলত:
রমযান মাস পবিত্র ও বরকতময় মাস। এ মাসে আল্লাহ তা‘আলা কুরআন নাযিল করেছেন। এ মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানদেরকে শিকলবদ্ধ করা হয়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন রমযান মাস আসে, তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানদেরকে শিকলবদ্ধ করা হয়।” (বুখারি, মুসলিম)

এ মাসে ইবাদত ও আমলের ফযিলত অনেক বেশি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমযান মাসে ঈমান ও সওয়াবের আশায় রোযা রাখে, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।” (বুখারি, মুসলিম) তিনি আরো বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমযান মাসে ঈমান ও সওয়াবের আশায় তারাবির নামায পড়ে, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।” (বুখারি, মুসলিম)

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 রমযানের রোযা ভংগের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি

📄 রমযানের রোযা ভংগের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি


রমযানের রোযা ভংগের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি:
রমযানের রোযা ভংগ করা কবিরা গুনাহ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি বিনা ওজরে রমযানের একটি রোযা ভাংবে, সারা জীবন রোযা রাখলেও তার ক্ষতি পূরণ হবে না।” (আবু দাউদ, তিরমিযি, ইবনে মাজাহ)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00