📄 গুপ্ত ও খনিজ সম্পদের যাকাত
গুপ্ত ও খনিজ সম্পদের যাকাত:
গুপ্ত ও খনিজ সম্পদের উপর যাকাত ফরয। আল্লাহ বলেন: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَنفِقُوا مِن طَيِّبَاتِ مَا كَسَبْتُمْ وَمِمَّا أَخْرَجْنَا لَكُم مِّنَ الْأَرْضِ (অর্থ: হে মুমিনগণ, তোমরা তোমাদের উপার্জন থেকে এবং আমরা তোমাদের জন্য যা ভূমি থেকে উৎপন্ন করেছি তা থেকে খরচ করো।) (সূরা বাকারা: আয়াত ২৬৭) এখানে ‘ভূমি থেকে উৎপন্ন’ দ্বারা খনিজ সম্পদ বুঝানো হয়েছে।
গুপ্ত সম্পদ হলো, মাটির নিচে লুকানো সম্পদ। খনিজ সম্পদ হলো, খনি থেকে উত্তোলন করা সম্পদ। এগুলোর যাকাত ২.৫% হারে আদায় করতে হবে।
📄 সামুদ্রিক সম্পদের যাকাত
সামুদ্রিক সম্পদের যাকাত:
সামুদ্রিক সম্পদের উপর যাকাত ফরয। এ ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইমাম আবু হানিফা, আহমদ, মালেক ও তাদের শিষ্যরা বলেন, সামুদ্রিক সম্পদের উপর যাকাত ফরয। ইমাম শাফেয়ী বলেন, ফরয নয়।
📄 আহরিত সম্পদের যাকাত
আহরিত সম্পদের যাকাত:
আহরিত সম্পদের উপর যাকাত ফরয। আহরিত সম্পদ হলো, যা বিনা পরিশ্রমে পাওয়া যায়, যেমন গুপ্ত ধন। এগুলোর যাকাত ২.৫% হারে আদায় করতে হবে।
📄 যাকাত ফরয হয় দায়িত্বের উপর, হুবহু সম্পদের নয়
যাকাত ফরয হয় দায়িত্বের উপর, হুবহু সম্পদের নয়:
যাকাত ফরয হয় দায়িত্বের উপর, হুবহু সম্পদের উপর নয়। অর্থাৎ যাকাত ফরয হয় মালিকের উপর, সম্পদের উপর নয়। এ ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইমাম আবু হানিফা, আহমদ, মালেক ও তাদের শিষ্যরা বলেন, যাকাত ফরয হয় মালিকের উপর। ইমাম শাফেয়ী বলেন, ফরয হয় সম্পদের উপর।