📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 স্বর্ণের যাকাত

📄 স্বর্ণের যাকাত


স্বর্ণের যাকাত:
স্বর্ণের নিসাব পরিমাণ সম্পদ যার রয়েছে, তার উপর যাকাত ফরয। যাকাতের পরিমাণ হলো, চল্লিশ ভাগের এক ভাগ। এটা শতকরা আড়াই ভাগ। একচল্লিশ বছর পূর্বে সৌদি আরবে এ রকম ছিলো, এক গ্রাম স্বর্ণের দাম বিশ দিরহাম। আর এক দিনারের মূল্য দশ দিরহাম। তখন ২০ দিনারের মূল্য হতো ২০০ দিরহাম। অর্থাৎ ২০ দিনার স্বর্ণের নিসাব। এর উপর ২.৫% যাকাত।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ব্যাংকে নোট বন্ড ও সার্টিফিকেটের যাকাত

📄 ব্যাংকে নোট বন্ড ও সার্টিফিকেটের যাকাত


ব্যাংকে নোট বন্ড ও সার্টিফিকেটের যাকাত:
আধুনিক সমাজে কাগজের মুদ্রা, ব্যাংক নোট, বন্ড ও সার্টিফিকেট ইত্যাদি নগদ অর্থের স্থান দখল করে। কাগজের মুদ্রা, ব্যাংক নোট, বন্ড ও সার্টিফিকেট স্বর্ণ ও রৌপ্যের মতোই যাকাতের অন্তর্ভুক্ত। এগুলোর যাকাতও স্বর্ণ ও রৌপ্যের যাকাতের মতোই ২.৫% হারে আদায় করতে হবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 অলংকারের যাকাত

📄 অলংকারের যাকাত


অলংকারের যাকাত:
ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নির্মিত অলংকার, যা নারী-পুরুষ উভয়ই ব্যবহার করে, তার উপর যাকাত ফরয নয়। এ ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইমাম আবু হানিফা, সাওরি, ইবনে আবি লায়লা, ইবনে মাসউদ, উমর ইবনে আবদুল আযীয, ইবনে উমর, জাবের, মুয়ায, আয়েশা, উম্মে সালামা, আতা, ইব্রাহিম নাখয়ি, জুহরি, সুলায়মান বিন ইয়াসার ও আওযায়ি প্রমুখের মতে, ব্যক্তিগত ব্যবহারের অলংকারের উপর যাকাত ফরয নয়। এ ব্যাপারে তাদের প্রমাণ নিম্নরূপ:

১. আনাস বিন মালেক (রা) থেকে বর্ণিত: রসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: “অলংকারকে আল্লাহ গুনাহ মোচনের উপায় করেছেন।”

২. উম্মে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন: “আমি সোনার অলংকার পরতাম, তখন রসূলুল্লাহ (সা) বললেন: এ থেকে যাকাত দিও।” কিন্তু হযরত আয়েশা (রা) বলেন: “আমি রসূলুল্লাহ (সা) কে বলতে শুনেছি: এ থেকে যাকাত দিও না।”

৩. জাবের বিন আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত: রসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: “নারীদের অলংকারের উপর যাকাত নেই।” (নাসায়ী, আবু দাউদ, তিরমিযি, ইবনে মাজাহ)

৪. ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত: রসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: “অলংকারের উপর যাকাত নেই।”

৫. আসমা বিনতে উমাইয়া (রা) থেকে বর্ণিত: রসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: “অলংকারের উপর যাকাত নেই।”

৬. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত: রসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: “অলংকারের উপর যাকাত নেই।”

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 মোহরানার যাকাত

📄 মোহরানার যাকাত


মোহরানার যাকাত:
মোহরানা স্ত্রীর সম্পদ। সুতরাং স্ত্রী এর মালিকানা গ্রহণ করার পর তা যাকাতের নিসাব পরিমাণ হলে এবং এক বছর মালিকানাধীন থাকলে তার উপর যাকাত ফরয। স্ত্রী মোহরানা গ্রহণ করার আগে তার উপর যাকাত ফরয নয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00