📄 যাকাত প্রদানকারীর জন্য দোয়া করা মুস্তাহাব
যাকাত প্রদানকারীর জন্য দোয়া করা মুস্তাহাব:
যাকাত গ্রহণকারীর জন্য যাকাত প্রদানকারীর প্রতি দোয়া করা মুস্তাহাব। আল্লাহ বলেছেন: وَصَلِّ عَلَيْهِمْ إِنَّ صَلَوَاتِكَ سَكَنٌ لَّهُمْ وَاللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ (অর্থ: আর তাদের জন্য দোয়া করো। তোমার দোয়া তাদের জন্য শান্তি স্বরূপ। আল্লাহ সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।) (সূরা আত তাওবা: আয়াত ১০৩) এখানে ‘صل’ শব্দের অর্থ দোয়া। রসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: “যাকাত গ্রহণকারী যাকাত প্রদানকারীর প্রতি দোয়া করবে।”
আবু দাউদ ইবনে আবি আওফা (রা) থেকে বর্ণিত: রসূলুল্লাহ (সা) যখন কোনো যাকাত প্রদানকারীর যাকাত গ্রহণ করতেন, তখন তার প্রতি এই বলে দোয়া করতেন: “হে আল্লাহ, অমুকের পরিবারকে ক্ষমা করে দাও।” তিনি (রা) আরো বলেছেন: “যাকাত প্রদানকারীর জন্য দোয়া করা মুস্তাহাব।”
📄 যে সকল সম্পদে যাকাত ফরয হয়
যে সকল সম্পদে যাকাত ফরয হয়:
যে সকল সম্পদে যাকাত ফরয হয় তা হলো: ১. স্বর্ণ ও রৌপ্য, ২. নগদ অর্থ, ৩. ব্যবসায়িক পণ্য, ৪. শস্য ও ফলমূল, ৫. উট, গরু, ছাগল প্রভৃতি চতুষ্পদ জন্তু, ৬. খনিজ সম্পদ।
এখানে কেবল প্রথম পাঁচটি বিষয়ে আলোচনা করা হলো:
১. স্বর্ণ ও রৌপ্য: স্বর্ণ ও রৌপ্য আল্লাহ মানুষের জন্য জীবিকা ও অলংকার হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। তার মূল্যমান নির্ধারণ করেছেন, যা দ্বারা জিনিসপত্রের মূল্যমান নির্ধারণ ও পারস্পরিক লেনদেন করা সম্ভব। যাকাত ফরয হওয়ার জন্য স্বর্ণ ও রৌপ্যকে মানুষের অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজন থেকে অতিরিক্ত হতে হবে। যাকাত ফরয হওয়ার জন্য স্বর্ণ ও রৌপ্যকে এক বছর মালিকানাধীন থাকতে হবে, যাতে তার উপর পূর্ণ মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
📄 স্বর্ণ ও রৌপ্যের যাকাত
স্বর্ণ ও রৌপ্যের যাকাত:
স্বর্ণ ও রৌপ্য আল্লাহ মানুষের জন্য জীবিকা ও অলংকার হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। তার মূল্যমান নির্ধারণ করেছেন, যা দ্বারা জিনিসপত্রের মূল্যমান নির্ধারণ ও পারস্পরিক লেনদেন করা সম্ভব। যাকাত ফরয হওয়ার জন্য স্বর্ণ ও রৌপ্যকে মানুষের অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজন থেকে অতিরিক্ত হতে হবে। যাকাত ফরয হওয়ার জন্য স্বর্ণ ও রৌপ্যকে এক বছর মালিকানাধীন থাকতে হবে, যাতে তার উপর পূর্ণ মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
📄 স্বর্ণের নিসাব ও যাকাতের পরিমাণ
স্বর্ণের নিসাব ও যাকাতের পরিমাণ:
বিশ দিনার বা তার সমমূল্য। দিনার হচ্ছে স্বর্ণমুদ্রা। এক দিনার একচল্লিশ ও এক-পঞ্চমাংশ গম দানার সমান। ওযনে চার গ্রাম বা তার কাছাকাছি। বিশ দিনার পঁচাশি গ্রাম স্বর্ণের সমান। তাই যার পঁচাশি গ্রাম স্বর্ণ বা তার সমমূল্যের রৌপ্যমুদ্রা অথবা তার সমমূল্যের ব্যবসায়িক সম্পদ রয়েছে, তার উপর যাকাত ফরয।
যাকাতের পরিমাণ:
স্বর্ণের নিসাব পরিমাণ সম্পদ যার রয়েছে, তার উপর যাকাত ফরয। যাকাতের পরিমাণ হলো, চল্লিশ ভাগের এক ভাগ। এটা শতকরা আড়াই ভাগ। একচল্লিশ বছর পূর্বে সৌদি আরবে এ রকম ছিলো, এক গ্রাম স্বর্ণের দাম বিশ দিরহাম। আর এক দিনারের মূল্য দশ দিরহাম। তখন ২০ দিনারের মূল্য হতো ২০০ দিরহাম। অর্থাৎ ২০ দিনার স্বর্ণের নিসাব। এর উপর ২.৫% যাকাত।