📄 ঈদে খেলাধুলা, চিত্তবিনোদন, গান ও খাওয়া দাওয়া
ঈদের দিনে খেলাধুলা, চিত্তবিনোদন, গান এবং খাওয়া দাওয়া করা জায়েয, যদি তা শরিয়তের সীমার মধ্যে থাকে। রসূলুল্লাহ সা. ঈদের দিন সাহাবিদেরকে খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদন করার অনুমতি দিয়েছিলেন। (বুখারি, মুসলিম)
তবে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা এবং হারাম কাজ থেকে বিরত থাকা অপরিহার্য।
📄 জিলহজ্জের দশ দিন সৎ কাজ করার ফযিলত
জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের অনেক ফযিলত রয়েছে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "আল্লাহর নিকট এই দশ দিনের আমলের চেয়ে বেশি প্রিয় কোনো আমল নেই।" (বুখারি)
এই দিনগুলোতে রোযা রাখা, তাকবীর বলা, এবং অন্যান্য সৎ কাজ করা মুস্তাহাব।
📄 ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বিনিময় করা মুস্তাহাব
ঈদের দিনে মুসলিমদের মধ্যে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বিনিময় করা মুস্তাহাব। এটি মুসলিমদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসা বাড়ায়। সাহাবিরা ঈদের দিনে একে অপরকে 'তাকাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম' (আল্লাহ আমাদের ও তোমাদের পক্ষ থেকে কবুল করুন) বলে শুভেচ্ছা জানাতেন।
📄 দুই ঈদের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে তাকবীর বলা
দুই ঈদের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে তাকবীর (আল্লাহু আকবার) বলা মুস্তাহাব। ঈদুল ফিতরের দিনে নামাযের পূর্বে এবং ঈদুল আযহার দিনে যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত তাকবীর বলা হয়। এই তাকবীরকে 'তাকবীরাতে তাশরিক' বলা হয়।
এই তাকবীর আল্লাহর বড়ত্ব এবং ঈদের আনন্দ প্রকাশ করে।