📄 ঈদের নামাযের খুতবা
ঈদের নামাযের পর খুতবা দেওয়া সুন্নাত। এই খুতবা দুটি অংশে বিভক্ত থাকে এবং এতে আল্লাহর প্রশংসা, রসূলুল্লাহ সা. এর উপর দরূদ, এবং মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। ইমাম খুতবা দেন।
খুতবার উদ্দেশ্য হলো মুসলিমদেরকে উপদেশ দেওয়া এবং তাদের মধ্যে ইসলামী চেতনা বৃদ্ধি করা।
📄 ঈদের নামাযের কাযা
যদি কোনো কারণে ঈদের নামায ছুটে যায়, তাহলে তার কাযা নেই। তবে যদি ঈদের নামাযের ওয়াক্তের মধ্যে ছুটে যায়, তাহলে তা আদায় করা জায়েয। যদি ওয়াক্ত পার হয়ে যায়, তাহলে কাযা করা জায়েয নয়।
যদি কেউ ঈদের নামাযের জামাত না পায়, তাহলে সে একা নামায আদায় করবে অথবা অন্য কোনো মুসলিমের সাথে জামাত করে নামায আদায় করবে।
📄 ঈদে খেলাধুলা, চিত্তবিনোদন, গান ও খাওয়া দাওয়া
ঈদের দিনে খেলাধুলা, চিত্তবিনোদন, গান এবং খাওয়া দাওয়া করা জায়েয, যদি তা শরিয়তের সীমার মধ্যে থাকে। রসূলুল্লাহ সা. ঈদের দিন সাহাবিদেরকে খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদন করার অনুমতি দিয়েছিলেন। (বুখারি, মুসলিম)
তবে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা এবং হারাম কাজ থেকে বিরত থাকা অপরিহার্য।
📄 জিলহজ্জের দশ দিন সৎ কাজ করার ফযিলত
জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের অনেক ফযিলত রয়েছে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "আল্লাহর নিকট এই দশ দিনের আমলের চেয়ে বেশি প্রিয় কোনো আমল নেই।" (বুখারি)
এই দিনগুলোতে রোযা রাখা, তাকবীর বলা, এবং অন্যান্য সৎ কাজ করা মুস্তাহাব।