📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ঈদের নামাযের পূর্বে ও পরে নামায

📄 ঈদের নামাযের পূর্বে ও পরে নামায


ঈদের নামাযের পূর্বে এবং পরে কোনো নফল নামায নেই। রসূলুল্লাহ সা. ঈদের নামায ঈদগাহে আদায় করতেন এবং এর আগে বা পরে কোনো নামায আদায় করতেন না। (বুখারি, মুসলিম)

তবে যদি কোনো ব্যক্তি মসজিদে ঈদের নামায আদায় করে, তাহলে সে তাহিয়্যাতুল মসজিদ (মসজিদে প্রবেশের নামায) আদায় করতে পারে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 যাদের জন্য ঈদের নামায পড়া বৈধ

📄 যাদের জন্য ঈদের নামায পড়া বৈধ


ঈদের নামায প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলার উপর সুন্নাতুল মুয়াক্কাদা। এটি জামাতে আদায় করা হয়। যাদের জন্য জুমার নামায ফরয, তাদের জন্য ঈদের নামাযও বৈধ।

তবে মহিলা, শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি এবং মুসাফিরের উপর এটি ওয়াজিব নয়, তবে আদায় করা জায়েয।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ঈদের নামাযের খুতবা

📄 ঈদের নামাযের খুতবা


ঈদের নামাযের পর খুতবা দেওয়া সুন্নাত। এই খুতবা দুটি অংশে বিভক্ত থাকে এবং এতে আল্লাহর প্রশংসা, রসূলুল্লাহ সা. এর উপর দরূদ, এবং মুসলিমদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। ইমাম খুতবা দেন।

খুতবার উদ্দেশ্য হলো মুসলিমদেরকে উপদেশ দেওয়া এবং তাদের মধ্যে ইসলামী চেতনা বৃদ্ধি করা।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ঈদের নামাযের কাযা

📄 ঈদের নামাযের কাযা


যদি কোনো কারণে ঈদের নামায ছুটে যায়, তাহলে তার কাযা নেই। তবে যদি ঈদের নামাযের ওয়াক্তের মধ্যে ছুটে যায়, তাহলে তা আদায় করা জায়েয। যদি ওয়াক্ত পার হয়ে যায়, তাহলে কাযা করা জায়েয নয়।

যদি কেউ ঈদের নামাযের জামাত না পায়, তাহলে সে একা নামায আদায় করবে অথবা অন্য কোনো মুসলিমের সাথে জামাত করে নামায আদায় করবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00