📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ঈদের নামাযে আযান ও ইকামত নেই

📄 ঈদের নামাযে আযান ও ইকামত নেই


ঈদের নামাযের জন্য কোনো আযান বা ইকামত নেই। এটি রসূলুল্লাহ সা. এর সুন্নাত। (বুখারি, মুসলিম)

ঈদের নামায সরাসরি শুরু করা হয় এবং এতে তাকবীর বলা হয়।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ঈদের নামাযের তাকবীর

📄 ঈদের নামাযের তাকবীর


ঈদের নামাযে অতিরিক্ত তাকবীর বলা হয়। প্রথম রাকাতে তাকবীরে তাহরীমার পর সাতটি অতিরিক্ত তাকবীর এবং দ্বিতীয় রাকাতে রুকুর পূর্বে পাঁচটি অতিরিক্ত তাকবীর বলা হয়। এই তাকবীরগুলো ইমাম ও মুক্তাদি উভয়ই বলবে। (আবু দাউদ, তিরমিযি)

এই অতিরিক্ত তাকবীরগুলো ঈদের দিনের আনন্দ এবং আল্লাহর বড়ত্ব প্রকাশ করে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 ঈদের নামাযের পূর্বে ও পরে নামায

📄 ঈদের নামাযের পূর্বে ও পরে নামায


ঈদের নামাযের পূর্বে এবং পরে কোনো নফল নামায নেই। রসূলুল্লাহ সা. ঈদের নামায ঈদগাহে আদায় করতেন এবং এর আগে বা পরে কোনো নামায আদায় করতেন না। (বুখারি, মুসলিম)

তবে যদি কোনো ব্যক্তি মসজিদে ঈদের নামায আদায় করে, তাহলে সে তাহিয়্যাতুল মসজিদ (মসজিদে প্রবেশের নামায) আদায় করতে পারে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 যাদের জন্য ঈদের নামায পড়া বৈধ

📄 যাদের জন্য ঈদের নামায পড়া বৈধ


ঈদের নামায প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলার উপর সুন্নাতুল মুয়াক্কাদা। এটি জামাতে আদায় করা হয়। যাদের জন্য জুমার নামায ফরয, তাদের জন্য ঈদের নামাযও বৈধ।

তবে মহিলা, শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি এবং মুসাফিরের উপর এটি ওয়াজিব নয়, তবে আদায় করা জায়েয।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00