📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 জুমার নামায ফরয হবার দলিল

📄 জুমার নামায ফরয হবার দলিল


জুমার নামায ফরয হওয়ার দলিল পবিত্র কুরআন ও রসূলুল্লাহ সা. এর সুন্নাহে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন: "হে মুমিনগণ, যখন জুমার দিন নামাযের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ছুটে যাও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও। এটিই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।" (সূরা জুমু'আ: ৯)

এই আয়াত জুমার নামাযের অপরিহার্যতা প্রমাণ করে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 কার উপর জুমা ফরয এবং কার উপর ফরয নয়

📄 কার উপর জুমা ফরয এবং কার উপর ফরয নয়


জুমার নামায কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তির উপর ফরয এবং কিছু ব্যক্তির উপর ফরয নয়:

জুমার নামায ফরয:
১. প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক, স্বাধীন পুরুষ মুসলমান।
২. যে শহরে জুমার নামায অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে অবস্থানকারী।

জুমার নামায ফরয নয়:
১. মহিলা, শিশু, পাগল।
২. মুসাফির (যদি সে জুমার নামাযের ওয়াক্তে কোনো শহরে না থাকে)।
৩. অসুস্থ ব্যক্তি, যার মসজিদে যেতে কষ্ট হয়।
৪. দাস বা কয়েদী।
৫. অন্ধ ব্যক্তি।

তবে যাদের উপর জুমা ফরয নয়, তাদের জন্য যোহরের নামায আদায় করা ফরয।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 জুমার নামাযের সময়

📄 জুমার নামাযের সময়


জুমার নামাযের ওয়াক্ত যোহরের নামাযের ওয়াক্তের মতোই। অর্থাৎ, সূর্য হেলে পড়ার পর থেকে আসরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত। রসূলুল্লাহ সা. জুমার নামায এই সময়ে আদায় করতেন।

জুমার নামাযের জন্য খুতবা এবং নামায উভয়ই এই ওয়াক্তের মধ্যে শেষ করতে হবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 জুমার নামাযের জন্যে নামাযীর সংখ্যা

📄 জুমার নামাযের জন্যে নামাযীর সংখ্যা


জুমার নামায সহীহ হওয়ার জন্য নামাযীর সংখ্যা নিয়ে ফকীহগণের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।

১. ইমাম আবু হানিফা: ইমাম সহ কমপক্ষে চারজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মুক্তাদি থাকতে হবে।
২. ইমাম শাফেয়ী: ইমাম সহ কমপক্ষে চল্লিশজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মুক্তাদি থাকতে হবে।
৩. ইমাম মালেক: ইমাম সহ কমপক্ষে বারোজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মুক্তাদি থাকতে হবে।
৪. ইমাম আহমদ: ইমাম সহ কমপক্ষে তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মুক্তাদি থাকতে হবে।

তবে অধিকাংশ আলেম মনে করেন, একটি জামাত গঠিত হওয়ার জন্য কমপক্ষে দুইজন পুরুষ মুক্তাদিই যথেষ্ট।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00