📄 জুমার দিনের ফযিলত
জুমার দিন মুসলিমদের জন্য একটি বরকতময় দিন এবং এর অনেক ফযিলত রয়েছে। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন। এই দিনে আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছিল, এই দিনে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল এবং এই দিনে তাকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছিল। এবং এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে।" (মুসলিম)
জুমার দিনে কিছু বিশেষ আমল রয়েছে, যা আল্লাহর নিকট অনেক প্রিয়।
📄 জুমার দিনে দোয়া করা
জুমার দিনে দোয়া কবুল হয়। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহর কাছে কোনো ভালো কিছু চাইলে আল্লাহ তাকে তা দেন।" (বুখারি, মুসলিম)
এই সময়টি নিয়ে ফকীহগণের মধ্যে মতভেদ রয়েছে, তবে অধিকাংশ আলেম মনে করেন, এটি আসরের নামাযের পর থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত।
📄 জুমার দিনে ও রাতে রসুলের উপর বেশি করে সালাত ও সালাম করা
জুমার দিনে ও রাতে রসূলুল্লাহ সা. এর উপর বেশি বেশি দরূদ ও সালাম পাঠ করা মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হলো জুমার দিন। তাই এই দিনে আমার উপর বেশি বেশি দরূদ পড়ো, কারণ তোমাদের দরূদ আমার নিকট পেশ করা হয়।" (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)
এটি রসূলুল্লাহ সা. এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ এবং তার সুপারিশ লাভের একটি উপায়।
📄 শুক্রবার দিনে ও রাতে সূরা কাহফ পড়া মুস্তাহাব
শুক্রবার দিনে ও রাতে সূরা কাহফ পড়া মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠ করবে, আল্লাহ তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় নূর দ্বারা আলোকিত করে দেবেন।" (বায়হাকি)
এই সূরা পাঠ করার মাধ্যমে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা পাওয়ার আশা করা যায়।