📄 সফরে
সফরে যোহর ও আসর নামায এবং মাগরিব ও এশা নামায একত্রে আদায় করা জায়েয। এটিকে 'জামউস সালাত' বলা হয়। রসূলুল্লাহ সা. সফরে এই নিয়ম পালন করতেন।
জামউস সালাত দু'ভাবে করা যায়:
১. জামউত তাকদীম: প্রথম নামাযের ওয়াক্তে উভয় নামায আদায় করা।
২. জামউত তা'খীর: দ্বিতীয় নামাযের ওয়াক্তে উভয় নামায আদায় করা।
এটি মুসাফিরের জন্য একটি সুবিধা, যা তার ভ্রমণ সহজ করে।
📄 বৃষ্টি বাদলার সময়
বৃষ্টি বা খারাপ আবহাওয়ার কারণে যোহর ও আসর নামায এবং মাগরিব ও এশা নামায একত্রে আদায় করা জায়েয। এটি জামউস সালাত নামে পরিচিত। রসূলুল্লাহ সা. বৃষ্টি বাদলার সময় নামায একত্রে আদায় করতেন। (মুসলিম)
এই বিধান মানুষের জন্য সহজতা আনার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা মসজিদে যেতে কষ্ট না পায়।
📄 রোগ বা ওযরের কারণে
রোগ বা অন্য কোনো ওযরের কারণে যোহর ও আসর নামায এবং মাগরিব ও এশা নামায একত্রে আদায় করা জায়েয। এটি জামউস সালাত নামে পরিচিত। রসূলুল্লাহ সা. অসুস্থতার কারণে নামায একত্রে আদায় করতেন।
এই বিধান মানুষের জন্য সহজতা আনার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নামাযের ওয়াক্ত নষ্ট না হয়।
📄 সাধারণ প্রয়োজনে দুই নামাযকে একত্রে আদায় করা
সাধারণ প্রয়োজনেও দুই নামাযকে একত্রে আদায় করা জায়েয, যদি তাতে কোনো কষ্ট বা অসুবিধা থাকে। রসূলুল্লাহ সা. কোনো কারণ ছাড়া জামউস সালাত আদায় করতেন, যাতে উম্মতের জন্য সহজ হয়। (মুসলিম)
তবে এটি নিয়মিত অভ্যাস করা উচিত নয়, কারণ এতে নামাযের ওয়াক্তের গুরুত্ব কমে যেতে পারে।