📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 কোথা থেকে কসর শুরু করবে?

📄 কোথা থেকে কসর শুরু করবে?


কসর নামায শুরু করতে হবে যখন মুসাফির তার নিজ শহর বা এলাকার শেষ সীমানা অতিক্রম করবে। যদি সে শহরের সীমানার ভেতরে থাকে, তাহলে কসর করা জায়েয নয়।

যদি মুসাফির কোনো শহরে পৌঁছায় এবং সেখানে ১৫ দিনের বেশি থাকার নিয়ত করে, তাহলে সে সেখানে পূর্ণ নামায আদায় করবে, কসর করবে না। যদি ১৫ দিনের কম থাকার নিয়ত করে, তাহলে কসর নামায আদায় করতে পারবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 মুসাফির কখন পূর্ণ নামায পড়বে

📄 মুসাফির কখন পূর্ণ নামায পড়বে


মুসাফির কিছু পরিস্থিতিতে পূর্ণ নামায আদায় করবে:

১. যখন সে নিজ শহরে ফিরে আসবে।
২. যখন সে কোনো শহরে ১৫ দিনের বেশি থাকার নিয়ত করবে।
৩. যখন সে কোনো মুকিম ইমামের পেছনে নামায আদায় করবে।

এই পরিস্থিতিতে মুসাফির কসর নামায আদায় করতে পারবে না।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 সফরে নফল নামায পড়া

📄 সফরে নফল নামায পড়া


সফরে নফল নামায পড়া জায়েয এবং মুস্তাহাব। রসূলুল্লাহ সা. সফরে ফরয নামায কসর করতেন, কিন্তু নফল নামায পূর্ণভাবে আদায় করতেন।

এটি মুসাফিরের জন্য আল্লাহর নিকট মর্যাদা বৃদ্ধির একটি উপায়।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 জুমার দিনে সফর

📄 জুমার দিনে সফর


জুমার দিনে সফর করা জায়েয, তবে যদি জুমার নামাযের ওয়াক্তে মসজিদে পৌঁছানো সম্ভব হয়, তাহলে জুমার নামায আদায় করা উত্তম। যদি জুমার নামাযের ওয়াক্তে মসজিদে পৌঁছানো সম্ভব না হয়, তাহলে সে যোহরের নামায আদায় করবে। রসূলুল্লাহ সা. জুমার দিনে সফর করতেন এবং প্রয়োজনে জুমার নামাযের পরিবর্তে যোহর আদায় করতেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00