📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 চার রাকাত বিশিষ্ট নামাযকে কসর (হ্রাস) করা

📄 চার রাকাত বিশিষ্ট নামাযকে কসর (হ্রাস) করা


চার রাকাত বিশিষ্ট ফরয নামায (যোহর, আসর, এশা) সফরে কসর করে দুই রাকাত আদায় করা জায়েয। রসূলুল্লাহ সা. সফরে কসর নামায আদায় করতেন। আল্লাহ তাআলা বলেন: "যখন তোমরা সফরে থাকো, তখন নামায সংক্ষিপ্ত করা তোমাদের জন্য কোনো গুনাহ নয়।" (সূরা নিসা: ১০১)

কসর করা মুসাফিরের জন্য একটি সুবিধা, যা তার ভ্রমণ সহজ করে। কসরের বিধান তখনই প্রযোজ্য, যখন সফরের দূরত্ব নির্দিষ্ট পরিমাণ অতিক্রম করে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 কসরের দূরত্ব

📄 কসরের দূরত্ব


কসরের জন্য দূরত্বের পরিমাণ নিয়ে ফকীহগণের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তবে অধিকাংশ আলেম মনে করেন, কসরের জন্য কমপক্ষে ৮৩ কিলোমিটার (৪৮ মাইল) বা তার বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়। রসূলুল্লাহ সা. যখন মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছিলেন, তখন তিনি কসর নামায আদায় করতেন।

এই দূরত্ব পায়ে হেঁটে বা যেকোনো যানবাহনে অতিক্রম করা যেতে পারে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 কোথা থেকে কসর শুরু করবে?

📄 কোথা থেকে কসর শুরু করবে?


কসর নামায শুরু করতে হবে যখন মুসাফির তার নিজ শহর বা এলাকার শেষ সীমানা অতিক্রম করবে। যদি সে শহরের সীমানার ভেতরে থাকে, তাহলে কসর করা জায়েয নয়।

যদি মুসাফির কোনো শহরে পৌঁছায় এবং সেখানে ১৫ দিনের বেশি থাকার নিয়ত করে, তাহলে সে সেখানে পূর্ণ নামায আদায় করবে, কসর করবে না। যদি ১৫ দিনের কম থাকার নিয়ত করে, তাহলে কসর নামায আদায় করতে পারবে।

📘 ফিকাহুস সুন্নাহ > 📄 মুসাফির কখন পূর্ণ নামায পড়বে

📄 মুসাফির কখন পূর্ণ নামায পড়বে


মুসাফির কিছু পরিস্থিতিতে পূর্ণ নামায আদায় করবে:

১. যখন সে নিজ শহরে ফিরে আসবে।
২. যখন সে কোনো শহরে ১৫ দিনের বেশি থাকার নিয়ত করবে।
৩. যখন সে কোনো মুকিম ইমামের পেছনে নামায আদায় করবে।

এই পরিস্থিতিতে মুসাফির কসর নামায আদায় করতে পারবে না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00