📄 ওরবরণবস্তু নিজের পাগড়ী বা পোশাকের উপর সাজদা করা
যদি কপাল সরাসরি জমিনে রাখা সম্ভব না হয়, তাহলে পাগড়ি বা পোশাকের উপর সাজদা করা জায়েয। রসূলুল্লাহ সা. যখন তীব্র গরম বা ঠাণ্ডা থাকত, তখন তিনি পাগড়ি বা পোশাকের উপর সাজদা করতেন। (বুখারি, মুসলিম)
তবে যদি কোনো ওজর না থাকে, তাহলে কপাল সরাসরি জমিনে রাখা উত্তম।
📄 নামাযে বৈধ অন্যান্য কাজ
নামাযে কিছু অন্যান্য কাজ বৈধ, যা নামাযের একাগ্রতা নষ্ট করে না:
১. হালকা চুলকানো।
২. প্রয়োজনে এক বা দুই পদক্ষেপ হাঁটা।
৩. কাতার সোজা করা।
৪. থুথু ফেলা (বাম দিকে)।
৫. কোনো কিছু উঠানো বা রাখা।
এই কাজগুলো নামাযের মূল রুকন ও ওয়াজিবকে প্রভাবিত করে না।
📄 কুরআন শরীফ দেখে দেখে পড়া
নামাযে কুরআন শরীফ দেখে দেখে পড়া জায়েয, তবে এটি মাকরূহ। যদি কেউ হাফিয না হয় এবং কুরআন মুখস্থ না থাকে, তাহলে দেখে দেখে পড়া জায়েয।
তবে নামাযের একাগ্রতা বজায় রাখতে চেষ্টা করা উচিত।
📄 নামায ব্যতিত অন্য কাজে মনোযোগ
নামাযের মধ্যে নামায ব্যতিত অন্য কাজে মনোযোগ দেওয়া মাকরূহ। এটি নামাযের একাগ্রতা নষ্ট করে এবং সওয়াব কমিয়ে দেয়। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যখন তোমরা নামায আদায় করো, তখন দুনিয়ার কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তা করো না।" (বুখারি, মুসলিম)
নামাযে পূর্ণ মনোযোগ আল্লাহর দিকে নিবদ্ধ রাখা উচিত।