📄 প্রয়োজনে খাতিরে সামান্য হাঁটা
নামাযের মধ্যে প্রয়োজনে সামান্য হাঁটা জায়েয, তবে এটি বেশি হলে নামায বাতিল হয়ে যেতে পারে। রসূলুল্লাহ সা. যখন নামায পড়ছিলেন, তখন তিনি তার মেয়ের শিশু উমামাকে বহন করে নামায আদায় করেছিলেন। (বুখারি, মুসলিম)
তবে এটি শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে জায়েয, যেমন কাতার সোজা করা বা সুতরা স্থাপন করা।
📄 শিশু বহন
নামাযের মধ্যে শিশুকে বহন করা জায়েয, যদি তা নামাযের একাগ্রতা নষ্ট না করে। রসূলুল্লাহ সা. তার নাতনি উমামাকে বহন করে নামায আদায় করতেন। (বুখারি, মুসলিম)
এই কাজটি নামাযের রুকনগুলো সঠিকভাবে আদায় করতে বাধা দেওয়া উচিত নয়।
📄 মুসল্লিকে সালাম দেয়া বা ইশারায় জবাব দেয়া
নামাযী অবস্থায় অন্যকে সালাম দেওয়া বা ইশারায় সালামের জবাব দেওয়া জায়েয। তবে মুখ দিয়ে সালামের জবাব দেওয়া নামায বাতিল করে। রসূলুল্লাহ সা. ইশারায় সালামের জবাব দিতেন।
এটি মুসলিমদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সাহায্য করে।
📄 সুবহানাল্লাহ বলা ও হাতে তালি দেয়া
পুরুষদের জন্য নামাযে কোনো ভুল হলে ইমামকে সতর্ক করার জন্য 'সুবহানাল্লাহ' বলা জায়েয। মহিলাদের জন্য হাতে তালি দিয়ে সতর্ক করা জায়েয। রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "পুরুষদের জন্য তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) বলা এবং মহিলাদের জন্য তালি দেওয়া।" (বুখারি, মুসলিম)
এই কাজটি নামাযের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করে।